কৃষি খাতের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান কোব্যাংক (CoBank) বলছে, এ গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণিজ আমিষের বাজার একেক খাতে একেক দিকে গেছে। চাহিদা টিকে ছিল, কিন্তু গরুর মাংস আটকে আছে গরুর সংখ্যায়, শূকরের মাংসের সরবরাহ প্রচুর হলেও দেশে চাহিদা বাড়া দরকার, আর মুরগির উৎপাদন বাড়ছে এমন বাজারে যেখানে ক্রেতারা দাম নিয়ে খুব সচেতন।
গরুর মাংসে বড় বাধা গরুর প্রাপ্যতা। সরবরাহ কম থাকায় বাছুর উৎপাদনকারী খামারিরা লাভবান, কিন্তু ফিডলট, মাংস প্রক্রিয়াকারক, খুচরা বিক্রেতা ও রেস্তোরাঁর জন্য কেনার ঝুঁকি বাড়ছে। প্রজননের জন্য রাখা বকনার সংখ্যা সামান্য বেড়েছে, যা পাল পুনর্গঠনের একেবারে প্রথম ধাপের ইঙ্গিত; তবে বকনার উচ্চ দাম, খরার ঝুঁকি আর বকনার স্বল্পতায় এই পুনর্গঠন ধীর।
শূকর খামারিরা সস্তা খাদ্যে লাভ পেয়েছেন, কিন্তু অল্প কয়েকটি রপ্তানি বাজার আর অসম চাহিদার ওপর নির্ভরশীল। গ্রীষ্মের আগে খুচরা বাজারে শূকরের মাংসের চাহিদা সূচক ২০২০ সালের পর সর্বনিম্নে নামে। ইউএসডিএর পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালজুড়ে উৎপাদন ভোগের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকবে; এ গ্রীষ্মে শূকরের মাংসের পাইকারি দর স্বাভাবিক মৌসুমি বৃদ্ধি পায়নি।
উৎপাদন বাড়ানোর সবচেয়ে স্পষ্ট সুযোগ ব্রয়লার কোম্পানিগুলোর, যদি বাড়তি মুরগি বাজার নিতে পারে। দাম, সুবিধা ও রান্নার বৈচিত্র্যে মুরগি ভালো অবস্থানে আছে, তবে দ্রুত খাবারের রেস্তোরাঁয় বিক্রি যতটা বাড়ছে বলে মনে হয়, বাস্তবে তা তার চেয়ে কম।
দুগ্ধ খাতকে বদলে দিচ্ছে গরুর মাংস। গত ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে দুধের গাভী বেড়েছে ২ লাখ, টেক্সাস, আইডাহো, কানসাস ও সাউথ ডাকোটায় সবচেয়ে বেশি; গাভীর সংখ্যা এখন ৩৪ বছরের সর্বোচ্চ। কারণ দুগ্ধ গাভীর গর্ভে মাংসের জাতের বাছুরের দাম: মে মাসের ২,০০০ ডলারের চূড়া থেকে নামলেও এখন বাছুরপ্রতি প্রায় ১,৩০০ ডলার, যা ২০২৩ সালের আগে ছিল মাত্র ২০০ ডলারের মতো। বাড়তি দুধে দুধের আয় কমেছে, ফলে যেসব খামারির দুধের আয়ে কেবল খরচ ওঠে, তাঁদের বাড়তি মুনাফা এখন আসছে মাংসের বাছুর থেকে।
ছবি: Preston Keres/USDA/FPAC / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)