চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য ফেরায় যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বড় দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান খামারিদের দুধের দাম আবার বাড়িয়েছে, তবে উৎপাদন বাড়তে থাকায় দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে যেতে পারে, জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি।
আর্লা অক্টোবরের দুধে লিটারপ্রতি ১ দশমিক ৭৬ পেনি বাড়িয়ে আদর্শ মানের (৪ শতাংশ চর্বি, ৩ দশমিক ৩ শতাংশ আমিষ) দুধের দাম ৩৯ দশমিক ১৭ পেনি করেছে; টানা চার মাসে বেড়েছে প্রায় ৫ পেনি। মুলার নভেম্বরের জন্য বাড়িয়েছে ০ দশমিক ৫ পেনি, দাম দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫ পেনি, আগস্ট থেকে মোট ৩ পেনি। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ৬ দশমিক ১৫ পেনি বাড়ানোর পর ফার্স্ট মিল্ক নভেম্বরে দাম ৩৯ পেনিতে স্থির রেখেছে, আর টানা তিনবার বাড়ানোর পর বারবার্স চিজমেকার্সও ৪০ দশমিক ১১ পেনিতে রেখেছে।
বারবার্সের সরবরাহ পরিচালন প্রধান মাইকেল মাস্টার্স ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে দুধের উদ্বৃত্তের কথা বলেন: যুক্তরাজ্যের প্রায় দ্বিগুণ আকারের, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত্তম দুধ উৎপাদক জার্মানি ২০২৬ সালজুড়ে আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৫ শতাংশ বেশি উৎপাদন করছে।
শরতে ঘাস বাড়ায় ও বাছুর জন্মের মৌসুম শুরু হওয়ায় ব্রিটেনে উৎপাদন বাড়ছে। এএইচডিবির হিসাবে ১৯ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে দৈনিক সরবরাহ সপ্তাহওয়ারি ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৩ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার লিটারে পৌঁছায়, যদিও তা আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কম। এএইচডিবির প্রধান দুগ্ধ বিশ্লেষক সুজি স্ট্যানার্ড বলেন, দেশে এখনো দুধের ঘাটতি আছে, আর ব্লুটাং রোগ সরবরাহ সীমিত করতে পারে।
সেপ্টেম্বরে দেশটিতে মাখনের দাম ৩ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ৩ হাজার ৫৪০ পাউন্ড, ননিতোলা গুঁড়া দুধ ১১ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৭৩০ পাউন্ড এবং মাইল্ড চেডার পনির ৯ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৩৩০ পাউন্ড হয়েছে। স্ট্যানার্ড এর কৃতিত্ব দেন আমিষের চাহিদাকে, আর জানান যুক্তরাষ্ট্র এখন উৎপাদিত দুধের প্রায় ১৭ শতাংশ রপ্তানি করে বিশ্ববাজারে দাম কমিয়ে দিচ্ছে। তাঁর মতে, দুধের দাম আগের উচ্চতায় ফিরবে, এমন আশা করা ঠিক হবে না।
ছবি: Angela Marie / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)