সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৪°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৭৭%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মতামত: বৈঠকের প্রতিশ্রুতি পৌঁছাক আফ্রিকার স্বাস্থ্যসেবায়, লিখছেন আমরেফের প্রধান

সাইডেভ ডট নেটে লেখা কলামে আমরেফ হেলথ আফ্রিকার গ্রুপ প্রধান নির্বাহী গিথিনজি গিতাহি বলছেন, নিউইয়র্ক ও বার্লিনের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বৈঠকের প্রতিশ্রুতিকে আস্থাভাজন, নির্ভরযোগ্য সেবায় বদলাতে হবে, আর কিগালির সম্মেলন থেকে দায়িত্ব, সময়সূচি ও অর্থ ঠিক করে ফিরতে হবে।

মতামত: বৈঠকের প্রতিশ্রুতি পৌঁছাক আফ্রিকার স্বাস্থ্যসেবায়, লিখছেন আমরেফের প্রধান
মতামত

বৈশ্বিক আলোচনা যত দ্রুত এগোচ্ছে, আফ্রিকার স্বাস্থ্যব্যবস্থা কি তত দ্রুত বদলাচ্ছে? এই প্রশ্ন তুলেছেন আমরেফ হেলথ আফ্রিকার (Amref Health Africa) গ্রুপ প্রধান নির্বাহী গিথিনজি গিতাহি (Githinji Gitahi)। সাইডেভ ডট নেটের (SciDev.Net) সাব-সাহারান আফ্রিকা ডেস্ক থেকে প্রকাশিত কলামে তিনি লিখেছেন, প্রতিশ্রুতি তখনই অর্থবহ, যখন তা মানুষের হাতের কাছের সেবাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে। মতামত লেখকের নিজস্ব।

গিতাহি দুটি সম্মেলনের তুলনা করেছেন। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সপ্তাহে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বৈশ্বিক কাঠামো, আর অর্থ, ক্ষমতা ও দায়িত্ব কীভাবে ভাগ হবে সেই প্রশ্ন। বার্লিনের ওয়ার্ল্ড হেলথ সামিটে সেই প্রশ্ন নেমে এসেছে প্রতিদিনের কাজে: অগ্রাধিকার কে ঠিক করে, অর্থায়ন সেবাকে শক্ত করে কি না, আর পরিকল্পনা মানুষের কাছে না পৌঁছালে জবাব দেবে কে।

তাঁর মূল কথা, মানুষ স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ডাক পাওয়ার অপেক্ষায় বসে নেই; তারা আগে থেকেই একে অন্যের দেখাশোনা করছে, অসুখের মোকাবিলা করছে। অথচ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়ই আগে নিজেরা পরিকল্পনা সাজায়, পরে তা বাস্তবায়নের ভার দেয় জনগোষ্ঠীর ওপর। সামিটের এক আলোচনার উদাহরণ টেনেছেন তিনি: পশুপালক জনগোষ্ঠী পরিবার পরিকল্পনার কথায় বেশি আগ্রহী হয়েছে, যখন আলাপ শুরু হয়েছে তাদের ছাগল ও গবাদিপশুর স্বাস্থ্য দিয়ে। পরিবার ও তাদের পশুর একসঙ্গে সেবা দেওয়া আমরেফের একটি ক্লিনিকের কথাও তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন। তাঁর পরামর্শ, মানুষের কাছে যা জরুরি, সেখান থেকেই শুরু করতে হবে।

গিতাহির মতে, সংকট শুরু হলে স্লোগান দিয়ে আস্থা তৈরি করা যায় না; আস্থা আসে নিয়মিত সেবা, সৎ ব্যাখ্যা আর অংশগ্রহণ থেকে। প্রযুক্তি ও তথ্যের ক্ষেত্রেও একই পরীক্ষা: কোনো উপকরণ তখনই অগ্রগতি, যখন তা কাজের সঙ্গে মেলে এবং সিদ্ধান্তকে ভালো করে। স্বাস্থ্যতথ্য কীভাবে পরিচালিত ও ভাগ হবে, তাতে দেশগুলোর সত্যিকারের মতামত থাকা দরকার। তিনি লিখেছেন, আলাদা আলাদা পথে চলা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা আরও ড্যাশবোর্ড বানিয়ে মিটবে না।

স্বাস্থ্য সার্বভৌমত্ব মানে একা চলা নয়, বলছেন তিনি; মানে নিজের অগ্রাধিকার ঠিক করা, দক্ষতা গড়ে তোলা, জরুরি স্বাস্থ্যপণ্য তৈরি করা এবং আফ্রিকার মানুষের কাজে লাগে এমনভাবে তথ্য ব্যবহারের সামর্থ্য। এর জন্য উৎপাদকদের দরকার নিশ্চিত চাহিদা ও সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধিবিধান, গবেষকদের টানা বিনিয়োগ, আর স্বাস্থ্যকর্মীদের ন্যায্য সহায়তা। প্রাদুর্ভাব, চরম আবহাওয়া কিংবা দীর্ঘমেয়াদি রোগ, জলবায়ুর চাপ এই সংযোগগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে বলে তিনি মনে করেন।

সামনে আফ্রিকা হেলথ এজেন্ডা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স (AHAIC) ২০২৭, যার প্রতিপাদ্য "ফ্রম ডায়ালগ টু ডেলিভারি"। কিগালিতে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ এই সম্মেলন হবে। গিতাহি লিখেছেন, সিদ্ধান্ত নেওয়া, অর্থ জোগানো ও ফলের জবাবদিহি করার যে দায়িত্ব সরকারের, এই সম্মেলন তার বিকল্প নয়। আসল পরীক্ষা হলো অংশগ্রহণকারীরা কাজের দায়িত্ব, সময়সূচি ও অর্থ ঠিক করে ফেরেন কি না, আর তারপর সেবা আরও নির্ভরযোগ্য হয় কি না।

গিতাহি আফ্রিকার কোভিড-১৯ মোকাবিলার সাবেক কমিশনার।

ছবি: Tech. Sgt. Daniel St. Pierre / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: SciDev.Net

SciDev.Netসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

ছয় ঋতুর চেনা রূপ ম্লান হচ্ছে, চাপে ধানের মাঠ থেকে মানুষের স্বাস্থ্য

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মো. ছানাউল্লাহ লিখেছেন, তাপ ও বৃষ্টির ছন্দ বদলে ঋতুর চেনা বৈশিষ্ট্য আর কৃষির সময়সূচি দুটোই বদলাচ্ছে; সমাধান শুরু করতে হবে বিজ্ঞানের তথ্যকে মাঠের সিদ্ধান্তে যুক্ত করে।

প্রথম আলো২৪ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: আমেরিকার প্রোটিনের ঝোঁকের লাভ যেন কৃষকের ঘরেও পৌঁছায়

নর্দার্ন অ্যাগ নেটওয়ার্কে লেখা কলামে অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতা র‍্যান্ডিন গ্রেগ বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রোটিনের বাড়তি চাহিদা খামারির আয় বাড়াবে তখনই, যখন গ্রামেই বেশি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন হবে।

নর্দার্ন এজি নেটওয়ার্ক২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: পাহাড়ি বন্যার জন্য প্রস্তুত নয় আসামের বন্যাকেন্দ্রিক দুর্যোগ ব্যবস্থা

চার বছরে ডিমা হাসাও ও উজান আসামে দুটি ধ্বংসাবশেষবাহী পাহাড়ি বন্যার পর অর্থনীতিবিদ মৃণাল শইকিয়া লিখেছেন, রাজ্যকে পাহাড়ি দুর্যোগের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং খনন ও বন উজাড়কে দুর্যোগ-ঝুঁকি হিসেবে গণ্য করতে হবে।

ডাউন টু আর্থ২৩ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)