সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৪%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.২ মিমি

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিনে ঢামেক প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ব্যাচ কে-৪৩)-এর কৃতি শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ব্যাচ কে-৪৩)-এর কৃতি শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বাদ আছর কলেজ হাসপাতালের কেন্দ্রীয় মসজিদে পবিত্র কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনও করা হয় তার জন্মদিন উপলক্ষে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম।

এসময় সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান এই মেডিকেল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। এই কলেজ, আলিম হল সবকিছুই তার পদচারণার স্মৃতিবহন করে। তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য)-এ প্রথম স্থান অর্জন করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেছিলেন, কিন্তু ফ্যাসিবাদী সরকার তাকে সে চাকরিতে থাকতে দেয়নি। তবুও তার একাডেমিক উৎকর্ষ থেমে থাকেনি। তিনি ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে হৃদরোগ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি এমএসসি অর্জন করেন সর্বোচ্চ নম্বর এবং স্বর্ণপদকসহ। ৫ আগস্টের পর, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের মাধ্যমে তার চাকরি পুনর্বহালের একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা আশাবাদী, তিনি ভবিষ্যতে আবার বাংলাদেশের মানুষের জন্য তার মেধা ও দক্ষতা দিয়ে চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখবেন।

জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে বিশ্বাসী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করে। আপনারা জানেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কেবল গাছ উপহার দিয়ে কীভাবে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছিলেন। আজও সেই নিম গাছ সৌদি আরবে 'জিয়া ট্রি' নামে পরিচিত। তারই ধারাবাহিকতায় জিয়া পরিবারের একজন সদস্যের জন্মদিনে, তার প্রিয় এই ক্যাম্পাসে নিমসহ বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

এসময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ছাত্রী হোস্টেল, মিলন অডিটোরিয়াম ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলজ ও ওষুধি বৃক্ষরোপণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ, অর্থোপেডিক্স বিভাগের প্রধান ডা. সৈয়দ জাকির হোসেন, নাক কান গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র, প্ল্যাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসনীম পামী, বিএমডিসির কোষাধ্যক্ষ সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খান খসরু, সহযোগী অধ্যাপক জাকারিয়া আজিজ, কিডনি রোগের বিশেষজ্ঞ ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান, গাইনি অনকোলজিস্ট ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের বর্তমান ও সাবেক নেতাসহ আরও অনেকে।

কেএইচ/এসএনআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)