সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ফাতেমা জাতের ধানে বিঘায় ফলন ৫০ মণ

নওগাঁর মান্দায় ‘ফাতেমা’ জাতের ধান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এর প্রতিটি শীষে পাওয়া গেছে প্রায় ১ হাজার ধান। দেশে উৎপাদিত প্রচলিত জাতের ধানের চেয়ে এ ধানের ফলন প্রায় তিনগুণ।

নওগাঁর মান্দায় ‘ফাতেমা’ জাতের ধান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এর প্রতিটি শীষে পাওয়া গেছে প্রায় ১ হাজার ধান। দেশে উৎপাদিত প্রচলিত জাতের ধানের চেয়ে এ ধানের ফলন প্রায় তিনগুণ।

উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের দোশতীনা গ্রামের শৌখিন কৃষক অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম বশিরের ওই ধান দেখতে এবং কিনতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। নতুন জাতের এ ধান উৎপাদনে তিনি সাফল্য পেয়েছেন। লাভজনক হওয়ায় তার মতো এলাকার অনেকেই এ জাতের ধান চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এত অধিক ফলনশীল জাতের ধান দেশের আর কোথাও আছে বলে তাদের জানা নেই। ‘ফাতেমা’ জাতের এ ধান নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।

দেখতে ব্রি-২৮ ধানের মতো এর জাতের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বশির জানান, অন্য ধানের মতোই এ ধানের চাষ পদ্ধতি। আউশ, আমন ও বোরো তিন মৌসুমেই এ ধানের চাষ করা যায়। তবে বোরো মৌসুমে এর ফলন সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, গাছের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফিট। যা অন্য ধানের তুলনায় বেশি। গাছগুলো শক্ত হওয়ায় হেলে পড়ে না। আর একেকটি ধানের শীষে ৭৫০-১০০০টি করে ধান হয়। যা সাধারণ ধানের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি। ফলে এর উৎপাদনও অনেক বেশি। চলতি মৌসুমে তিনি দেড় বিঘা জমিতে প্রায় ৭৫ মণ ধান পেয়েছেন। এ ধানে রোগ ও পোকামাকড়ের হার তুলনামূলক কম। এ ছাড়া চাল খুব চিকন। ভাতও সুস্বাদু।

তিনি আরও জানান, বীজপাতা তৈরি করার পর ১৫০ থেকে ১৫৫ দিনের মধ্যে ধান কাটা যায়। এই ধান ঝড়, খড়া এবং লবণাক্ততা সহনীয়। ওই জাতের প্রতিটি ধান গাছের দৈর্ঘ্য ১১৫ থেকে ১৩০ সেন্টিমিটার, গুছি গড়ে আটটি, প্রতিটি ধানের ছড়ার দৈর্ঘ্য ৩৬ সেন্টিমিটার, গড়ে দানার সংখ্যা প্রায় ১ হাজার।

জানা গেছে, বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামে লেবুয়াত শেখ (৪০) নিজেদের জমিতে ২০১৬ সালে প্রথম ওই ধান চাষ করেন। ওই বছর বোরো মৌসুমে তার বাড়ির পাশে জমিতে হাইব্রিড আফতাব-৫ জাতের ধান কাটার সময় তিনটি ভিন্ন জাতের ধানের শীষ তিনি দেখতে পান। ওই তিনটি শীষ অন্যগুলোর চেয়ে অনেক বড় এবং শীষে ধানের দানার পরিমাণও অনেক বেশি ছিল। এরপর ওই ধানের শীষ তিনটি বাড়িতে এনে শুকিয়ে বীজ হিসেবে ব্যবহার করে এ ধান চাষ শুরু করেন। তিনি তার মায়ের নামানুসারে নাম না জানা এ ধানের নাম রাখেন ‘ফাতেমা ধান’।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কৃষক লিটন, রঞ্জু, মামুন, আতাব আলী জানান, অনেক ফলন হচ্ছে শুনে তারা কৃষক বশিরের এ ধান দেখতে এসেছেন এবং তার কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করেছেন। আগামীতে তারা এ ধান চাষ করবেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ছামসুল ওয়াদুদ বলেন, ওই ধানের ফলন শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্বকে তাক লাগাতে পারে। এত বেশি ফলন পাওয়া যায়, এমন কোনো জাতের ধান দেশে আছে বলে আমার জানা নেই। এ ধান খড়া ও লবণ সহ্যকারী এবং সারা দেশে চাষের উপযোগী। সারা দেশে ওই ধান চাষ করা যাবে। এ ধান যদি সারা দেশে চাষ করা যায় তাহলে বার্ষিক উৎপাদন ৫ কোটি টন ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বিষখালীর ভাঙনে নদীতে ঝালকাঠির পৌনে তিন কোটি টাকার সাইক্লোন শেল্টার, ঝুঁকিতে ফসলি জমি

ঝালকাঠি সদরের পশ্চিম দেউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারের বড় অংশ বিষখালী নদীতে বিলীন হয়েছে; বাকিটুকুও ঝুঁকিতে। নদীতীরের বসতভিটা ও ফসলি জমি নিয়ে আতঙ্কে আছেন বাসিন্দারা।

বার্তা২৪১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ঢাকায় সরু ও মাঝারি চাল কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং মোকামে ধানের চড়া দামের কারণে রাজধানীর খুচরা বাজারে দেড় সপ্তাহে সরু ও মাঝারি চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৩ টাকা বেড়েছে; মোটা চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল।

ডেইলি অবজারভার১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

ভারতে আগাছায় ফসলের ক্ষতি এক দশকে ২৫% থেকে নেমে ১৩.৪৩%: আইসিএআরের গবেষণা

২০১৪-২০২৪ সালের ১,৬২২টি মাঠ পরীক্ষার ভিত্তিতে আইসিএআরের আগাছা গবেষণা অধিদপ্তর বলছে, আগাছায় গড় ফলন ক্ষতি এখন ১৩.৪৩ শতাংশ, যা ২০১৮ সালের হিসাবে ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ। উন্নত আগাছা দমন পদ্ধতিই এর কারণ।

আইসিএআর১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)