সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭১%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

হাট কাঁপাতে প্রস্তুত ১৮ মণের ‘লাল বাদশা’

আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পশু বেচার হাট। আর এ সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা মেলে বড় আকার ও বাহারি নামের গরুর। ঈদ এলেই ভালো দামের আশায় সযত্নে লালন-পালন করা এসব গরু জনসম্মুখে নিয়ে আসেন খামারিরা। এসব বিশালাকৃতির গরু ও দাম নিয়ে বেশ আগ্রহ থাকে সাধারণ মানুষের। এবার মানুষের আগ্রহের ম

আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পশু বেচার হাট। আর এ সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা মেলে বড় আকার ও বাহারি নামের গরুর। ঈদ এলেই ভালো দামের আশায় সযত্নে লালন-পালন করা এসব গরু জনসম্মুখে নিয়ে আসেন খামারিরা। এসব বিশালাকৃতির গরু ও দাম নিয়ে বেশ আগ্রহ থাকে সাধারণ মানুষের। এবার মানুষের আগ্রহের মধ্যে থাকছেন গাইবান্ধার 'লাল বাদশা'।

'লাল বাদশা'র ঠিকানা গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া (কটিয়ার ভিটা) গ্রামের কটিয়ার ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সুশীল মহুরির বাড়ি। মালিক নিশি চন্দ্র দাস পরম যত্নে বড় করে তুলেছেন তাকে। জানা গেছে, ১৮ মণ ওজনের 'লাল বাদশা' সাড়ে সাত লাখ টাকায় বিক্রি করা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, 'লাল বাদশা'র দৈহিক উচ্চতা ও গড়নে যেমন, তেমনি তার চলাফেরা। শান্ত স্বভাবের এই লাল বাদশা প্রায় ৯ ফুট ২ ইঞ্চি লম্বা ও প্রস্থ ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতা। তাকে নিয়ে এরই মধ্যে এলাকায় হইচই পড়ে গেছে। শাহীওয়াল জাতের ১৮ মণের বেশি ওজনের এই গরু নিয়ে মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি নেই। লাল বাদশার দাম হাঁকছেন সাড়ে ৭ লাখ টাকা। তবে এখন পর্যন্ত খামারে আসা ক্রেতারা সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা দাম বলেছেন। ন্যায্যমূল্য পেলেই গরুটি বিক্রি করবেন নিশি চন্দ্র।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় চাহিদার চেয়ে বেশি ২১ হাজার কোরবানির পশু

খামারি নিশি চন্দ্র জানান, বিশালাকৃতির গরু 'লাল বাদশা' মোটাতাজাকরণে কোনো ওষুধ, ইনজেকশন কিছু ব্যবহার করা হয়নি। প্রাকৃতিক উপায়েই তাকে বড় করা হয়েছে। দিনে দু'বার গোসল করানো হয় লাল বাদশাকে। সার্বক্ষণিক চলে ফ্যান। খাবারের তালিকায় রয়েছে- ঘাস, খড়, ভুট্টা ভাঙা, বিভিন্ন ভুসি, সরিষার খৈল, ধানের কুড়া, আপেল, কলা, কমলাসহ সব দেশীয় খাদ্য। লাল বাদশার প্রতিদিনের খাবারে ব্যয় হয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

খামারি নিশি চন্দ্র দাসের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা লিপি রানী জাগো নিউজকে বলেন, ১ বছর ২ মাস ধরে লাল বাদশাকে নিজের সন্তানের মতো করে লালন-পালন করেছি। মানুষ সন্তানকে যেমন আগলে রাখে, তেমনিভাবে লাল বাদশাকে রেখেছি। নিজের হাতে খাইয়েছি, গোসল করিয়েছি, যত্ন করেছি। এখন বিক্রি করে দিতে হবে ভেবে সন্তান হারানোর মতো কষ্ট পাচ্ছি।

লাল বাদশা মালিক নিশি চন্দ্র জাগো নিউজকে বলেন, গরুটি শান্ত মেজাজের। অনেকটাই সন্তানের মতো তাকে লালনপালন করেছি। ওজন প্রায় ১৮ মণ। আর লাল বাদশার দাম চাওয়া হচ্ছে সাড়ে সাত লাখ টাকা। ন্যায্যমূল্যে পেলে বাড়ি থেকে বিক্রি করে দেবো। যদি বাড়িতে বিক্রি না হয় তাহলে হাঁটে তুলতে হবে। আমার স্বপ্ন কোরবানিতে লাল বাদশাকে বিক্রি করে বড় আকারের একটা গরুর খামার দেব।

আরও পড়ুন: 'বুধু-রবি' একসঙ্গে কিনলেই পালসার ফ্রি

ফুলছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, চাহিদার তুলনায় এ উপজেলায় কোরবানির পশু বেশি প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে খামারি নিশি চন্দ্র ১৮ মণ ওজনের বেশি লাল বাদশাকে কোরবানি উপলক্ষে বিক্রির জন্য লালন-পালন করেছেন। আমরা খামারিদের সবসময় পরামর্শ দিয়ে আসছি। 'লাল বাদশা'র মালিক যেন ন্যায্যমূল্য পায়, সেজন্য সবধরনের সহযোগিতা করা হবে।

শামীম সরকার শাহীন/জেএস/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

অস্ট্রেলিয়ার ফিডলটে স্থায়ী ছাদের নিচে এখন প্রায় ৫০ হাজার গবাদিপশু

২০ থেকে ৩০টি বড় ফিডলট স্থায়ী ছাউনিতে বিনিয়োগ করেছে; কয়েক দশক আগে এমন ফিডলট ছিল মাত্র দুই-তিনটি।

Beef Central৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

পাঁচ দফা সুদ বৃদ্ধিতে কুইন্সল্যান্ডের গরু খামারির বছরে বাড়তি ৪০ হাজার ডলার

২০২৬ সালে ১.২৫ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধিতে ৩২ লাখ ডলার ঋণে বার্ষিক সুদ বেড়েছে প্রায় ২২.৫ শতাংশ, যদিও গরুর দাম ২০ বছরের উঁচু স্তরের কাছে।

Beef Central৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

ডিম ও মাংস দুটোর মুরগিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ছোট খামারিদের নতুন সুযোগ

আফ্রিকাজুড়ে প্রথম জরিপে ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ সাড়ে ২২ কোটি এক দিনের বাচ্চা বিক্রির হিসাব মিলেছে, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের ভাগ মাত্র ২.৩ শতাংশ।

ফার্মার্স উইকলি সাউথ আফ্রিকা৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)