সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°মেঘলাআর্দ্রতা ৯৪%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

বন টিকিয়ে রাখলে টাকা দেবে যে তহবিল, এক বছরেও জোগাড় হয়নি লক্ষ্যের অর্থ

দাঁড়িয়ে থাকা প্রতি হেক্টর উষ্ণমণ্ডলীয় বনের জন্য বছরে ৪ ডলার পর্যন্ত দিতে কপ৩০-এ চালু হয় ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফ্যাসিলিটি। ১২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের পরিকল্পনার বিপরীতে আটটি দেশ দিয়েছে ৭৮০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি, প্রথম অর্থ মিলবে ২০২৮ সালের আগে নয়।

বন টিকিয়ে রাখলে টাকা দেবে যে তহবিল, এক বছরেও জোগাড় হয়নি লক্ষ্যের অর্থ
পরিবেশ

ব্রাজিলের বেলেমে কপ৩০ জলবায়ু সম্মেলনে উন্মোচনের এক বছর পরও উষ্ণমণ্ডলীয় বন টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে দেশগুলোকে অর্থ দেওয়ার তহবিল ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ফরএভার ফ্যাসিলিটি (টিএফএফএফ) লক্ষ্যের চেয়ে শত শত কোটি ডলার পিছিয়ে, জানিয়েছে ডায়ালগ আর্থ। ৬৫টির বেশি দেশ এতে সমর্থন দিলেও অর্থের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মাত্র আটটি: ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, জার্মানি, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডস। সর্বশেষ নেদারল্যান্ডস দিয়েছে ৫০ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে প্রতিশ্রুতি ৭৮০ কোটি ডলার।

চলতি বছরের মধ্যে ১,০০০ কোটি ডলার তোলার লক্ষ্য তহবিলটির, আর নরওয়ের ৩০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি এই লক্ষ্য পূরণের শর্তে বাঁধা। অন্তর্বর্তী সনদ, পরিচালনা পর্ষদ আর ট্রাস্টি ও আয়োজক হিসেবে বিশ্বব্যাংক, এই কাঠামো তৈরি হয়ে গেছে। ২০২৭ সালে তহবিলের কার্যক্রম শুরুর কথা, তবে প্রথম অর্থ মিলবে ২০২৮ সালের আগে নয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এটি হবে ১২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ তহবিল। সরকার ও দাতব্য সংস্থাগুলো কয়েক দশক মেয়াদে ২,৫০০ কোটি ডলার ঋণ দেবে, আর বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা তহবিলের নির্দিষ্ট মুনাফার বন্ড কিনে দেবে ১০ হাজার কোটি ডলার। এই অর্থ উদীয়মান বাজারের বন্ডের মতো অন্য স্থির আয়ের সম্পদে খাটানো হবে, আর দেনা মেটানোর পর যে উদ্বৃত্ত থাকবে তা প্রতিবছর বনসমৃদ্ধ দেশগুলো পাবে। বিনিয়োগ দেখবে লুক্সেমবার্গভিত্তিক ট্রপিক্যাল ফরেস্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড।

যোগ্য দেশ স্যাটেলাইটে মাপা প্রতি হেক্টর দাঁড়িয়ে থাকা বনের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৪ ডলার পাবে, যার অন্তত ২০ শতাংশ যাবে আদিবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে। প্রতি হেক্টর বন হারালে ১০০ হেক্টরের অর্থ কাটা যাবে, অর্থাৎ কার্যত ৪০০ ডলার জরিমানা; বছরে বন উজাড়ের হার ০.৩ শতাংশ ছাড়ালে জরিমানা দ্বিগুণ। প্ল্যান্ট-ফর-দ্য-প্ল্যানেট সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ফেলিক্স ফিঙ্কবাইনার বলেন, "৪ ডলারের জন্য কেউ বন উজাড় থামাবে না, কিন্তু জরিমানার ভয়ে অনেকে থামাবে।"

কৃষির দিক থেকে প্রশ্ন হলো, এই অর্থ জমির অন্য ব্যবহারের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে কি না। ডব্লিউডব্লিউএফ-ব্রাজিলের নির্বাহী পরিচালক মাউরিসিও ভোইভোদিচ স্বীকার করেন, গবাদিপশুর খামার বা সয়াবিন চাষের মুনাফার সঙ্গে এই অর্থ পাল্লা দিতে পারবে না, তবে একটি দেশ মোট যা পাবে তা উপেক্ষা করার মতো নয়। ডব্লিউডব্লিউএফের হিসাবে, তহবিল পূর্ণ আকার পেলে সুরিনাম বছরে ৪ কোটি ২০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেতে পারে, যেখানে এখন জীববৈচিত্র্যের জন্য দ্বিপক্ষীয় সহায়তা পায় বছরে প্রায় ২০ লাখ ডলার। ভোইভোদিচের ভাষায়, "এটি একেবারে নিখুঁত হয়ে চালু হয়নি", তাই চলতে চলতে নিয়ম ঠিক করে নিতে হবে।

কিছু নিয়ম নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে: বনের অবক্ষয় কীভাবে মাপা হবে, তহবিল কোথায় বিনিয়োগ করতে পারবে, আদিবাসীরা তাদের ভাগ কীভাবে পাবে। বর্তমান নকশায় শুধু আগুনে বনের অবক্ষয়ের জন্য জরিমানা আছে, অথচ ফিঙ্কবাইনারের মতে বন হারানোর মাত্র এক-তৃতীয়াংশের পেছনে আগুন দায়ী। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির হিসাবে, ২০৩০ সালের মধ্যে উষ্ণমণ্ডলীয় বনের দেশগুলোর বছরে ৬,৭০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ লাগবে, যার মধ্যে কৃষিবনায়নে ১,৮০০ কোটি, পুনর্বনায়নে ৩,৩০০ কোটি এবং সংরক্ষণে ১,৬০০ কোটি ডলার। বিশ্লেষণটি লিখেছেন ফেরমিন কোপ।

ছবি: মহাকাশযান থেকে তোলা ব্রাজিলের পশ্চিম পারার অ্যামাজন নদী, NASA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: Dialogue Earth

Dialogue Earthসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

টেংরাগিরি ইকোপার্কের ১৪ হরিণের ১১টি নেই, কারণ জানে না বন বিভাগ

বরগুনার তালতলীর টেংরাগিরি ইকোপার্কে শুরুতে থাকা ১৪টি হরিণের এখন আছে মাত্র তিনটি। হরিণের বেষ্টনী ভাঙা, আর বাকি ১১টির কী হয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বন বিভাগ।

ইত্তেফাক৩০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
জৈব

জীবননগরের করিমপুরে অনুমোদনহীন জৈব সার কারখানা নিয়ে এলাকাবাসীর আপত্তি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের করিমপুর গ্রামে পরিবেশ ছাড়পত্র ও কৃষি বিভাগের অনুমোদন ছাড়া জৈব সার কারখানা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। মালিক বলছেন অনুমোদন লাগে না; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলছেন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক বাংলা৩০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দেয়ালের কোণের শেওলা: পানি ধরে রাখে, ক্ষুদ্র প্রাণীর আবাস গড়ে

ভেজা দেয়াল বা পুরোনো ইটে জন্মানো শেওলা পানি ধরে রাখে, মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখে, ক্ষুদ্র প্রাণীর আবাস তৈরি করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। তবে বাড়ির দেয়ালে শেওলা জমলে আর্দ্রতার উৎস খোঁজাও জরুরি।

বাংলা ট্রিবিউন৩০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)