সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মেঘলাআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

বাজারে গ্রীষ্মের ফলের সমাহার বাড়ছে, দাম বেশি

গ্রীষ্মকাল মানেই বাহারি সুস্বাদু ফলের সমাহার। এসময়ে আম, জাম, লিচু, কাঁঠালের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করে চারপাশ। এসব ফল স্বাদে যেমন অতুলনীয় তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি তীব্র এ দাবদাহে ক্লান্ত নগরবাসীর জন্য স্বস্তিও নিয়ে আসে নানা জাতের মৌসুমি ফল। রাজধানীর বাজারগুলো এখন ভরপুর গ্রীষ্মকালীন

গ্রীষ্মকাল মানেই বাহারি সুস্বাদু ফলের সমাহার। এসময়ে আম, জাম, লিচু, কাঁঠালের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করে চারপাশ। এসব ফল স্বাদে যেমন অতুলনীয় তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি তীব্র এ দাবদাহে ক্লান্ত নগরবাসীর জন্য স্বস্তিও নিয়ে আসে নানা জাতের মৌসুমি ফল। রাজধানীর বাজারগুলো এখন ভরপুর গ্রীষ্মকালীন ফলে। তবে বাজারে ফলের সমাহার থাকলেও দাম বেশ চড়া।

শনিবার (১৩ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ থেকে বাজারে আসছে বিভিন্ন মৌসুমি ফল। এর মধ্যে গত বুধবারের পর থেকে হিমসাগর ও গোবিন্দভোগ আম আসতে শুরু করেছে। দিনাজপুর ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা সোনারগাঁ থেকে আসছে লিচুও। এছাড়া এখন বাজারে কাঁঠাল, জাম, তরমুজ, জামরুল, গাব ও তালের শাসের মতো নানা ধরনের গ্রীষ্মকালীন ফলের সমারোহ দেখা গেছে।

তবে ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুমের শুরুতে এসব নতুন ফলের দাম দেশ চড়া। সময় গড়িয়ে কিছুদিন পর ভরপুর ফলের মৌসুম শুরু হলে দাম কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন তারা।

আরও পড়ুন>> ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' আতঙ্কে পেড়ে ফেলা হচ্ছে আধাপাকা লিচু

রামপুরা বাজারের ফল বিক্রেতা এনামুল হক বলেন, 'জৈষ্ঠ্য মাসের দুই/এক সপ্তাহ গেলে ফলের দাম কমবে। এখন মাত্র বৈশাখের শেষ। সব ফল নতুন বলে দাম বেশি।'

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আমের মধ্যে এখন বেশি পাওয়া যাচ্ছে হিমসাগর। সাতক্ষীরা অঞ্চলের এ আম আগেভাগে পাকে। গত বুধবার (১০ মে) এ জাতের আম সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার গোবিন্দভোগ আমও বাজারে এসেছে। পাশাপাশি রয়েছে রাজশাহী অঞ্চলের গুটি আম।

বাজারে হিমসাগরের দাম এখন প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা। গোবিন্দভোগ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে। এছাড়া রাজশাহীর গুটি আম ৬০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে পাড়া-মহল্লার ভ্রাম্যমাণ ফলের দোকানগুলোতে আমের দাম কিছুটা কম। সেখানে বাজারের তুলনায় কেজিপ্রতি ১০-২০ টাকা কম দামে আম বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন>> ঈশ্বরদীর বাজারে দেশি লিচু, দাম চড়া

অন্যদিকে বাজারে এখন দিনাজপুরের আগাম বেলোয়ারী জাতের লিচু পাওয়া যাচ্ছে। আবার ক'দিন ধরে ঢাকার পাশে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকেও কদমি জাতের কিছু ভালো মানের লিচু এসেছে বাজারে। কারওয়ানবাজারে দিনাজপুরের ১০০ লিচু বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায়। তবে সোনারগাঁয়ের লিচুর দাম ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা।

লিচু বিক্রেতা কুমিল্লা ফল ভান্ডারের তারেক হোসেন বলেন, 'মাত্র লিচু এসেছে। আমদানি অনেক কম, দাম বেশি। দিনাজপুরের অন্যান্য জাতের লিচু এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে আসা শুরু হবে। তখন দাম কমে আসবে।'

অন্যদিকে জাতীয় ফল কাঁঠাল এখনো বাজারে খুব বেশি আসতে শুরু করেনি। যা এসেছে, তার দামও বেশি। ছোট আকারের একটি কাঁঠাল কারওয়ান বাজারের বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, আর মাঝারি আকারের একটি কাঁঠাল মিলছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

আরও পড়ুন>> গুরুদাসপুরে শতকোটি টাকার লিচু বিক্রির সম্ভাবনা

এছাড়া বাজারে বিভিন্ন ফলের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে গ্রীষ্মের আরেক ফল জাম। প্রতি কেজি জাম পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকায়। এছাড়া রয়েছে রসালো জামরুল, যা প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সঙ্গে গাবও এসেছে, বিক্রি হচ্ছে জামরুলের মতো দামে। পাশাপাশি প্রতি পিস আনারস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা।

তাল গ্রীষ্মের আরেকটি ফল। আকারে বড় শাঁসসহ তাল বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিটি শাঁসের দাম পড়ছে প্রায় ১৫ টাকার মতো। আর আকারে ছোট তাল ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এনএইচ/ইএ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

অরুণাচলের জিরো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ১.৫ টন কিউই গেল দুবাইয়ে

আল কুসাইসের লুলু হাইপারমার্কেটে প্রদর্শিত হয়েছে এই ফল; বিদেশি ক্রেতার সাড়া যাচাই করাই উদ্দেশ্য।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

কুল্লুর সিন্দুরি ডালিম গেল দুবাইয়ে, যুক্ত প্রায় ৬০০ কৃষকের সংগঠন

৬৫০ বাক্সে ১ দশমিক ৩ টন ডালিম রপ্তানিতে সহায়তা করেছে ভারতের অ্যাপেডা; সরাসরি কেনা হয়েছে স্থানীয় কৃষক ও ভুন্টার এফপিও থেকে।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

প্রোটিনভিত্তিক জৈব ছত্রাকনাশক প্রযুক্তি: নেদারল্যান্ডসে ৩৫০ হেক্টরে পরীক্ষার অনুমতি

বায়োটালিসের ইভোকা এনজি টমেটো, শসা ও স্ট্রবেরিতে কৃষকের মাঠে পরীক্ষা হবে; ফসল বিক্রিও করা যাবে, ইউরোপে বাজারে আসার লক্ষ্য ২০২৯।

অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবাল৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)