সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৪%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.২ মিমি

যশোরে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে লন্ডভন্ড ধানক্ষেত

যশোরে কালবৈশাখী ও আধাঘণ্টার শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলের এই ঝড়-বৃষ্টিতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। মাঠে কেটে রাখা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যে ক্ষেতের ধান কাটা হয়নি তার বেশিরভাগই ঝরে পড়েছে শিলার আঘাতে।

যশোরে কালবৈশাখী ও আধাঘণ্টার শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলের এই ঝড়-বৃষ্টিতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। মাঠে কেটে রাখা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যে ক্ষেতের ধান কাটা হয়নি তার বেশিরভাগই ঝরে পড়েছে শিলার আঘাতে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত দুই সপ্তাহের তীব্র ও মাঝারি তাপপ্রবাহের পর সোমবার বিকেল ৩টার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢাকা পড়ে। এরপর শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া। কিছুক্ষণের মধ্যেই ১৮০ কিলোমিটারের কালবৈশাখীর সঙ্গে শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। একপর্যায়ে বৃষ্টি কমে এলেও প্রচুর পরিমাণে শিলা পড়তে থাকে। দীর্ঘসময় ধরে শিলাবৃষ্টি কারণে যশোরে বোরো মৌসুমে উঠতি ধানের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সবেচেয়ে বেশি ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে চৌগাছা, সদর ও বাঘারপাড়া উপজেলাতে। শেষ সময়ে ধানে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় হাজারও কৃষকের মাথায় হাত উঠেছে। তবে শিলাবৃষ্টিতে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চৌগাছার সিংহঝুলী মাঠপাড়াতে গ্রামের কৃষক টনিরাজ জানান, তার জমির খেতে ধানগাছ শুধু দাঁড়িয়ে আছে। শীষ থেকে সব ধান ঝরে মাটিতে পড়ে রয়েছে।

টনিরাজ বলেন, 'দুই বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছিলাম। ১৫ কাঠা কেটেছি। ২৫ কাঠা এখনো কাটা হয়নি। শিলাবৃষ্টির পর মাঠে গিয়ে দেখি একটি ধানও নেই।'

একই গ্রামের কৃষক শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, এবার ১১ বিঘা ধান আবাদ করেছি। চার বিঘা কাটা হয়নি, দেড় বিঘা কেটে ক্ষেতেই রেখেছিলাম। সব ধান শেষ হয়ে গেছে। যেগুলো কাটা হয়নি সব ঝরে গেছে। এতে সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, সিংহঝুলী, বলিদাপাড়া, ঝাউতলা, জামালতা, জগন্নাথপুর, কয়ারপাড়া মাঠের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসব এলাকার ২-৩ হাজার হেক্টর জমির বাসমতি ধানের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেতেই বাসমতি ও মিনিকেট ধান সব ঝরে গেছে।

পৌর এলাকার পাঁচনামনা, ইছাপুর, তারিনিবাস, কংশারীপুর, স্বরূপদাহ, চৌগাছা সদর ইউনিয়নের লস্কারপুর, পিতম্বরপুর, মন্মথপুর মাঠের ধানেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুধু ধানেরই না; এসব মাঠের পটোল, কচুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি, আম-লিচুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে যশোরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চৌগাছায়। মাঠে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ধানের ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এবছর এক লাখ ৫৭ হজার ৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত কাটা হয়েছে ৫১ শতাংশ জমির ধান। কেটে রাখা ধানক্ষেত থেকে পানি বের করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামীকাল থেকে আবহাওয়ার উন্নতি ঘটবে। দ্রুত পাকা ধান কেটে ফেলার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

মিলন রহমান/এসআর

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
জৈব

প্রাকৃতিক কৃষিচর্চায় পাবনায় আট কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে অবদানের জন্য পাবনার আমিনপুরে বিকে ফাউন্ডেশন আটজন কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট দিয়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)