দক্ষিণ আফ্রিকার প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষিপণ্য রেল ছেড়ে সড়কপথে চলে গেছে। এতে সড়কের ওপর চাপ বেড়েছে, কৃষকের পরিবহন খরচও বেড়েছে। গাউতেংয়ের বকসবার্গে কৃষি উন্নয়ন সংস্থা আগদার সম্মেলনে এ কথা বলেন এগবিজের প্রধান নির্বাহী থিও বোশফ (Theo Boshoff)। খবরটি জানিয়েছে ফুড ফর মজানসি।
বোশফের মতে, গত এক দশকে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চেয়ে কৃষি বেশি এগিয়েছে, তাই এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে রপ্তানি ও দক্ষ পরিবহন জরুরি। তিনি অপারেশন ভুলিন্দলেলার সংস্কারের কথা তোলেন, যার মধ্যে আছে স্বাধীন রেল অবকাঠামো ব্যবস্থাপক, রেলপথে উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার এবং বন্দরে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব। বেসরকারি হাতে দেওয়ার জন্য ৯৪টি রেললাইনও চিহ্নিত হয়েছে।
ইনফ্রাস্ট্রাকচার সাউথ আফ্রিকার ড. হুবার্ট জয়েন্ট (Hubert Joint) জানান, তাঁদের কাজ প্রকল্প প্রস্তুত ও অগ্রাধিকার ঠিক করা, অর্থ দেওয়া নয়। অ্যাগ্রিসা ও এগবিজের সঙ্গে মিলে ফ্রি স্টেটের ৫ হাজারের বেশি গ্রামীণ সড়ক মূল্যায়ন করা হয়েছে; সাইলো, কারখানা ও রপ্তানি বাজারে যাওয়ার পথ হিসেবে কোনটি কত গুরুত্বপূর্ণ, তা অর্থনৈতিক মডেলে দেখা হয়েছে।
পশুসম্পদ প্রসঙ্গে রেড মিট ইন্ডাস্ট্রি সার্ভিসেসের ড. ফিলিপ ওস্তহুইজেন (Philip Oosthuizen) বলেন, শুধু রাস্তা সারালে বাজার মিলবে না। এক-দুটি পশু বিক্রি করা খামারি স্থানীয় ক্রেতার বাইরে যেতে পারেন না, দর-কষাকষির শক্তিও কম। তাই দলবদ্ধভাবে বিক্রি করলে ফিডলট, কসাইখানা ও নিলাম ঘর বেশি পরিমাণে কিনতে আসবে।
পশুর উৎস শনাক্তের ওপরও জোর দেন তিনি, বিশেষত এখনকার রোগ পরিস্থিতিতে। পশুর পরিচয়, টিকা ও জাতের গুণাগুণের ডিজিটাল তথ্য থাকলে ক্রেতার আস্থা বাড়ে, পরিবহন সমন্বয়ও সহজ হয়।
বক্তাদের মূল কথা, সড়ক, রেল ও বাজারের সংস্কার একসঙ্গে হলে ছোট ও নতুন খামারিরা আনুষ্ঠানিক সরবরাহ চেইনে যুক্ত হতে পারবেন।
ছবি: Col André Kritzinger / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Food for Mzansi




মন্তব্য
(০)