যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ঋণদাতারা বলছেন, খামারের মুনাফায় চাপ চলছেই। আমেরিকান ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ফার্মার ম্যাকের বার্ষিক জরিপে টানা চতুর্থ বছর তাঁদের প্রধান উদ্বেগ ঋণগ্রহীতাদের চলতি মূলধন। খবরটি জানিয়েছে ডিটিএন।
জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ বলেছেন, ২০২৬ সালে ঋণগ্রহীতাদের মুনাফা কমেছে। ব্যাংকারদের হিসাবে এ বছর ৫৯ শতাংশ ঋণগ্রহীতা লাভে থাকবেন; ২০২৫ সালে এই হার ছিল ৫২, আর ২০২২ সালে ৮১ শতাংশ। ২০২৭ সালে তা ৫৬ শতাংশে নামতে পারে। আগামী বছর সার্বিক মুনাফা বাড়বে বলে মনে করেন মাত্র ৫ শতাংশ।
ফসলের চেয়ে পশুসম্পদের অবস্থা ভালো। পশুনির্ভর ঋণদাতাদের হিসাবে ৬৬ শতাংশ ঋণগ্রহীতা লাভে থাকবেন, ফসলনির্ভরদের হিসাবে ৫৭ শতাংশ।
পণ্য হিসেবে দুশ্চিন্তার শীর্ষে এখন শস্য নয়, তুলা। তুলায় ঋণ আছে এমন ব্যাংকারদের ৫৫ শতাংশ উচ্চ উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন, শস্যে ৫৩ শতাংশ। গত বছর শস্য নিয়ে এই হার ছিল ৬৯ শতাংশ।
সরকারি অর্থের ভূমিকা বাড়ছে। প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের রেকর্ড সম্ভাব্য অর্থ সরু মুনাফা কিছুটা সামলে দিচ্ছে। প্রায় অর্ধেক ঋণদাতা জানান, তাঁদের ঋণগ্রহীতাদের নিট আয়ের অন্তত ২৫ শতাংশ আসছে সরকারি অর্থ থেকে; গত বছর এমন ঋণদাতা ছিলেন ৩০ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মনে করেন, ২০২৭ সালে এই নির্ভরতা আরও বাড়বে।
ফার্মার ম্যাকের প্রধান অর্থনীতিবিদ জ্যাকসন তাকাচ (Jackson Takach) বলেন, ঋণের চাহিদা এমন সময়ে বাড়ছে, যখন বাজারের অস্থিরতা, তহবিল খরচ ও প্রতিযোগিতার চাপও বাড়ছে।
সূত্র: DTN / Progressive Farmer




মন্তব্য
(০)