ধানের আবাদ কমা এবং বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে কম বৃষ্টির কারণে সোনা মাসুরি, পোন্নি ও স্বর্ণার মতো প্রিমিয়াম নন-বাসমতী চালের দাম গত বছরের চেয়ে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস।
ব্যবসায়ীদের তথ্যে, দক্ষিণে বহুল প্রচলিত সোনা মাসুরির গড় বাজারদর ২৫ শতাংশ বেড়ে কেজিপ্রতি ৪৪ থেকে ৫৮ রুপি হয়েছে, আর পূর্বাঞ্চলে জনপ্রিয় সেদ্ধ স্বর্ণা চাল প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৩৫ রুপি। ভোক্তা বিষয়ক বিভাগের হিসাবে সার্বিকভাবে চালের খুচরা দাম বছরে ৭ শতাংশ বেড়ে কেজিপ্রতি ৪৬.৪৪ রুপি।
চলতি খরিফ মৌসুমে ধানের আবাদ ৩.৭ শতাংশ কমে ৪ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার হেক্টর হয়েছে; সবচেয়ে বেশি কমেছে কর্ণাটকে (৪ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর), তেলেঙ্গানায় (৪ লাখ ৩০ হাজার), অন্ধ্র প্রদেশে (১ লাখ ৮০ হাজার) ও তামিলনাড়ুতে (১ লাখ ৫০ হাজার)। দক্ষিণ ভারতে এবার বর্ষার বৃষ্টিঘাটতি প্রায় ২৬ শতাংশ। রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বি ভি কৃষ্ণ রাও বলেন, উৎপাদন কমার আশঙ্কায় দাম দ্রুত বেড়েছে।
রাইস ভিলার সুরজ আগরওয়াল দক্ষিণে বাঁধের পানি কমা, বিহারের কিছু এলাকায় বন্যা ও উত্তরে কম বৃষ্টির কথা বলেন; তাঁর মতে, সামনে দাম নির্ভর করবে রবি মৌসুমের ফসলের সম্ভাবনার ওপর। বাসমতী ধান বাজারে আসা শুরু হয়েছে কুইন্টালপ্রতি প্রায় ৪ হাজার রুপিতে, যা গত বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি; তবে পাঞ্জাবের রপ্তানিকারক রঞ্জিত সিং জোসান মনে করেন, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মান্ডিগুলোতে ব্যাপক হারে ধান এলে দাম কমবে।
সার্বিক সরবরাহ অবশ্য যথেষ্ট: ২০২৫-২৬ সালে চাল উৎপাদন রেকর্ড ১৫ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার টন, আর ভারতীয় খাদ্য করপোরেশনের গুদামে ১ অক্টোবরের জন্য নির্ধারিত ১ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টনের বিপরীতে ৩ কোটি ৯০ লাখ টন চাল মজুত আছে, মিলারদের কাছ থেকে পাওনা ২ কোটি ৬ লাখ টন বাদেই। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সন্দীপ দাস।
ছবি: Sanjay Acharya / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Financial Express Agriculture





মন্তব্য
(০)