সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

গত ৩০ বছরে দ্রুত কমেছে সাপগলা পাখি

বর্তমানে এরা প্রায়-বিপদগ্রস্ত। বাংলাদেশে সংকটাপন্ন। একসময় প্রচুর দেখা গেলেও বর্তমানে এদের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। পাখিরাজ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। গত ৩০ বছরে দ্রুত কমে এ পাখি এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। বলছিলাম গয়ার পাখির (সাপগলা) কথা।

বর্তমানে এরা প্রায়-বিপদগ্রস্ত। বাংলাদেশে সংকটাপন্ন। একসময় প্রচুর দেখা গেলেও বর্তমানে এদের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। পাখিরাজ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। গত ৩০ বছরে দ্রুত কমে এ পাখি এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। বলছিলাম গয়ার পাখির (সাপগলা) কথা।

এরা পাখি হলেও পানির নিচে একটানা কয়েক মিনিট থাকতে পারে। এদের প্রিয় খাবার মাছ, সাপ ও ব্যাঙ। ক্ষিপ্র গতিতে ঝাপিয়ে পড়ে মাছ শিকার করে। মাছ শিকারের জন্য যখন পানির গভীরে সারা শরীর নিয়ে যায়; তখন দেখতে অনেকটা সাপের মত মনে হয়। এদের দেহের এক তৃতীয়াংশ গলা আর ঠোঁট।

পানির মধ্যে সাঁতার কাটার সময় এদের লম্বা গলা ও মাথা এমনভাবে রাখে, যা দেখতে অনেকটা সাপের মতো লাগে। তাই হয়তো এদেরকে 'সাপ পাখি' বা 'সাপগলা পাখি' নামেও ডাকা হয়। পাখিটির বাংলা নাম গয়ার (ডার্টার বা ওরিয়েন্টাল ডার্টার), বৈজ্ঞানিক নাম Anhinga melanogaster।

আকারে একটু বড় হওয়ার কারণে শিকারিদের নজরে পড়ে বেশি। প্রাপ্তবয়স্ক একটি পাখির ওজন প্রায় দেড় কেজি। দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার। সাধারণত পানির আশেপাশে এরা বাসা বাঁধে। গাছের ওপর শুকনো সরু ডালপালা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে বাসা বানায়।

জুন-ডিসেম্বর এদের প্রজনন মৌসুম। স্ত্রী পাখি সাধারণ পাঁচ-ছয়টি ডিম পাড়ে। ডিম ফুটতে ২৪-২৬ দিনের প্রয়োজন হয়। বাচ্চাদের লোম ১২ দিনের মধ্যে গজিয়ে যায়। উড়তে শেখে ৪৫ দিনে। এদের প্রিয় খাবার মাছ হলেও ব্যাঙ, শামুক, ফড়িং ও জলজ উদ্ভিদের নরম ডগা খায়। এমনকি বাগে পেলে ঢোঁড়া সাপের বাচ্চাও খায়।

বিলুপ্তির কারণে এদের আগের মত দেখা না গেলেও বর্তমানে দেশের বড় বড় হাওর, বিল, নদী ও হ্রদে মাঝেমাঝে দেখা মেলে। সচরাচর একা, জোড়ায় বা ছোট দলে থাকে। পানিতে ডুব দিয়ে ঠোঁট দিয়ে মাছ শিকার করে। 'চিগি-চিগি-চিগি' স্বরে ডাকে। পানিতে পুঁতে রাখা বাঁশে, গাছের শাখায় বা মাটিতে সুন্দর ভঙ্গিমায় ডানা মেলে রোদ পোহায়।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক বলেন, 'একসময়ে দেশের সব জলাশয়ে এমনকি পুকুরেও এদের দেখা যেত। আমি নিজেও পুকুরে গয়ার পাখি দেখেছি। বর্তমানে এদের বড় বড় হাওর ছাড়া দেখা যায় না। একেকটি হাওরে গড়ে ৫-১০টার মত দেখা যায়।'

তিনি আরও বলেন, 'সাধারণত অবৈধ শিকার, বাসস্থানের অভাব, খাবার সংকটের কারণে এ পাখি কমে যাচ্ছে। এরা বাসা করত বড় বড় বাঁশঝাড়ে। এদের প্রিয় খাবার মাছ, সাপ ও ব্যাঙ। কিন্তু সব কিছুই দিনদিন কমে যাচ্ছে। খাদ্য ও বাসস্থান ছাড়া বংশ বাড়াবে কী করে?'

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০ লাখ পোকা ধরেও থামেনি শাল বোরার, বৃক্ষনিধন নিয়ে প্রশ্ন মধ্যপ্রদেশে

প্রায় ৪০ লাখ রুপি খরচে পোকা ধরার পরও ডিন্ডোরির শাল বনে আক্রমণ চলছে। বর্ষায় গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডাউন টু আর্থ৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

এল নিনোতে ২০২৭ সালে ১০ লাখ টন ধানের ক্ষতির শঙ্কা ফিলিপাইনে

আগামী বছরের প্রথমার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শুকনো মৌসুম ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দামও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির কৃষি বিভাগ।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

কৃষি প্রকল্পে লুকানো সংঘাতের ঝুঁকি ধরতে সিজিআইএআরের নতুন পদ্ধতি

মালি ও ঘানার দুটি জলবায়ু-সহনশীল গ্রামে পরীক্ষায় দেখা গেছে, ভূমি অধিকারের ফাঁক সাফল্য নষ্ট করতে পারে এবং বৈশ্বিক তথ্য স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

CGIAR৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)