সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৮ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ডিজেল লিটারে ১৩৫ টাকা: সিরাজগঞ্জে বিঘাপ্রতি ধান চাষে বাড়তি ৬৬০ টাকা

ডিজেলের দাম লিটারে ১১৫ থেকে ১৩৫ টাকা হওয়ায় সিরাজগঞ্জে এক বিঘা ধান চাষে জ্বালানি খরচ বেড়েছে প্রায় ৬৬০ টাকা। জেলার আমনের প্রায় ২৭ শতাংশ জমি ডিজেলচালিত সেচে চলে, তাই কৃষকেরা আমনে লোকসান আর বোরোতে আরও খরচের শঙ্কায়।

ডিজেল লিটারে ১৩৫ টাকা: সিরাজগঞ্জে বিঘাপ্রতি ধান চাষে বাড়তি ৬৬০ টাকা
ফসল

ডিজেলের দাম বাড়ায় সিরাজগঞ্জের ধানচাষিদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। জমি প্রস্তুত, সেচ, ধান কাটা, মাড়াই আর পরিবহন, প্রায় প্রতিটি কাজেই ডিজেলচালিত যন্ত্র লাগে। কৃষকেরা বলছেন, খরচ বাড়লেও ধানের দাম সে হারে বাড়েনি, ফলে আমনে লাভের বদলে লোকসানের আশঙ্কা।

কৃষকদের হিসাবে, রোপণ থেকে কাটা পর্যন্ত এক বিঘা ধানে গড়ে ৩৩ লিটার ডিজেল লাগে। লিটার ১১৫ টাকা থাকার সময় এতে খরচ হতো প্রায় ৩ হাজার ৮০০ টাকা; এখন লিটার ১৩৫ টাকায় তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৪৬০ টাকা। অর্থাৎ বিঘাপ্রতি শুধু জ্বালানিতেই বাড়তি প্রায় ৬৬০ টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার সিরাজগঞ্জে ১ লাখ ৯২ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে, যার ৫২ হাজার ৭০৮ হেক্টরে সেচ দেওয়া হয়েছে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনে। মোট আমন জমির প্রায় ২৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ তাই ডিজেলনির্ভর।

উল্লাপাড়ার তেলকুপি এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম ১০ বিঘা জমিতে ডিজেলচালিত মেশিনে সেচ দেন। তাঁর হিসাবে আগে এতে প্রায় ৩৮ হাজার টাকা লাগত, এখন লাগছে প্রায় ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা। কৃষক আব্দুর রহমান শেখ জানান, সেচ পাম্পের মালিকেরা পানির দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন, আর হারভেস্টার ও ট্রলিতে ধান কাটা, মাড়াই ও বাড়ি আনার খরচও বাড়বে।

উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসের হিসাবে এক মণ ধান ঘরে তুলতে খরচ প্রায় ৮০০ টাকা, কিন্তু কৃষকদের দাবি বাস্তবে তা ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা। রায়গঞ্জের হাটপাঙ্গাসী গ্রামের কৃষক সুজাবত আলী বলেন, মৌসুমে ধানের সর্বোচ্চ দামও প্রায় ১ হাজার টাকা, তাই খরচের তুলনায় বিক্রির দাম কম। কৃষক তাজিমুদ্দিনের কথায়, সার ও সেচের খরচ আগেই বেড়েছিল, আমনেই এত খরচ হলে বোরোতে কী হবে, তা নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায়।

নভেম্বরের শেষ দিকে বোরোর বীজতলা তৈরির কাজ শুরু হওয়ার কথা, আর বোরো মৌসুমজুড়েই সেচ লাগে। সবজি, ভুট্টা, সরিষা ও গমের চাষ ও বাজারজাতেও ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র ও কৃষিযন্ত্রের ওপর নির্ভরতা আছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর এ মওলা বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধিতে কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়েছে, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাঁর মতে, সরকার সব বিবেচনা করে ধানের দাম বাড়ালে কৃষকেরা কিছুটা লাভবান হতে পারবেন। প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনের তথ্যের ভিত্তিতে এগ্রিকেয়ার২৪ প্রকাশ করেছে।

ছবি: Ayman Nakib Badhan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪

এগ্রিকেয়ার২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি কমেছে ২৯ শতাংশ, কৃষ্ণসাগর-হরমুজের সংকটে মধ্যপ্রাচ্যে খাদ্য উদ্বেগএগ্রোবিজ

ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি কমেছে ২৯ শতাংশ, কৃষ্ণসাগর-হরমুজের সংকটে মধ্যপ্রাচ্যে খাদ্য উদ্বেগ

কৃষ্ণসাগরে জাহাজে হামলা চার গুণ বাড়ায় ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি আগের মৌসুমের চেয়ে ২৯ শতাংশ কমেছে, নভেম্বরের মধ্যে ৯০ লাখ টনের বেশি শস্য রাখার জায়গা না-ও মিলতে পারে। হরমুজে সার ও জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নের সঙ্গে মিলে মিসর থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকিতে।

আজকের পত্রিকা৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
তামাক ছেড়ে পেঁপে: কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিঘায় খরচ ৬০ হাজার, প্রথম চালানেই ১ লাখ ৭ হাজার টাকাফল

তামাক ছেড়ে পেঁপে: কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিঘায় খরচ ৬০ হাজার, প্রথম চালানেই ১ লাখ ৭ হাজার টাকা

যশোর অঞ্চল টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণ নিয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুরের মশান গ্রামের জামিরুল ইসলাম তামাক ছেড়ে এক বিঘায় পেঁপে করেছেন; প্রথম চালানেই কেজি ১৫ টাকায় ১ লাখ ৭ হাজার টাকা বিক্রি। কৃষি বিভাগের হিসাবে বিকল্প ফসলে আয় তামাকের অন্তত চার গুণ।

বাসস৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
কানসাটের স্লুইচ গেট বন্ধ, খিরির বিলে ৩৫ হাজার বিঘায় সরিষা আবাদ অনিশ্চিতফসল

কানসাটের স্লুইচ গেট বন্ধ, খিরির বিলে ৩৫ হাজার বিঘায় সরিষা আবাদ অনিশ্চিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পাগলা নদীর মুখে পাউবোর স্লুইচ গেট খোলার এক ঘণ্টার মধ্যে আবার বন্ধ হওয়ায় খিরির বিলের ৩৩ থেকে ৩৫ হাজার বিঘা দুই ফসলি জমি এখনো পানির নিচে; প্রায় চার হাজার কৃষক সরিষাসহ রবি শস্য নিয়ে দুশ্চিন্তায়।

একাত্তর টিভি৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)