প্রয়োজনের সময় দোকানে গিয়ে সার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন কৃষকেরা, অথচ সোমবার বন্ধ দোকান থেকেই ১১ বস্তা সার গেছে অন্য ইউনিয়নের গ্রামে। দেশ রূপান্তরের শিবালয় প্রতিনিধির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানিকগঞ্জের শিবালয়ের তেওতা ইউনিয়নের জমদুয়ারা বাজারের খুচরা সার ডিলার মারুফ হোসেনের দোকান নিয়মিত খোলা থাকে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের তথ্যে, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে অটোরিকশায় চার বস্তা পটাশ ও সাত বস্তা টিএসপি শিমুলিয়া ইউনিয়নের শাকরাইল গ্রামের আব্দুস সালামের কাছে পাঠানো হয়। আব্দুস সালাম মুঠোফোনে জানান, ফুফাতো ভাই মারুফ হোসেনের কাছ থেকে ১১ বস্তা সার নিয়েছেন; তবে দর এবং অন্য এলাকায় সার নেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসের অনুমতি আছে কি না, সে বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি।
স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকানটি প্রায়ই বন্ধ থাকে, খুললেও কিছুক্ষণ পর বন্ধ হয়, তাই কৃষকদের ফিরে যেতে হয়। সোমবার দুপুরে সরেজমিনে দোকানটি বন্ধ পাওয়া যায়; পাশের ব্যবসায়ীরা বলেন, দোকানে সার মজুত আছে। তেওতা ইউনিয়নের বিএডিসি ডিলার আনন্দ কুমার ঘোষ জানান, গত মাসের ১৯ তারিখে মারুফ হোসেন তাঁর কাছ থেকে ২০ বস্তা ইউরিয়া, ২০ বস্তা টিএসপি ও ২৫ বস্তা পটাশ—মোট ৬৫ বস্তা—নেন এবং চলতি মাসে কিছু নেননি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, গত মাসের ৬৫ বস্তার কতটা বিক্রি হয়েছে, কতটা মজুত আছে, সোমবারের ১১ বস্তা কীভাবে অন্য এলাকায় গেল এবং কৃষকের কাছে বিক্রির রসিদ ও রেজিস্টারে হিসাব আছে কি না—তা যাচাই করা দরকার।
তেওতা ইউনিয়নের ব্লক অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিরাজ আহমেদ জানান, এক মাস আগে শিবালয়ে যোগ দিয়ে কৃষি কার্ডের তালিকার কাজে ব্যস্ত থাকায় আগে খোঁজ নিতে পারেননি; মঙ্গলবার দোকান পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রানী কর্মকার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর — প্রতিবেদন: শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি





মন্তব্য
(০)