যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডে ২০২১ সালের পর এই প্রথম গরুর সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৬ সালের জুনের কৃষিশুমারির এই ফল কয়েক বছরের পতনের পর প্রাণিসম্পদ খাত স্থিতিশীল হওয়ার প্রাথমিক ইঙ্গিত দিচ্ছে।
শুমারিতে গরু পাওয়া গেছে ১৬ লাখ ৭০ হাজার, যা আগের বছরের চেয়ে ০.৭ শতাংশ বেশি, তবে পাঁচ বছরের গড়ের চেয়ে ১.৩ শতাংশ কম। ষাঁড়, মাংসের জাতের গাভি ও বাছুর বাড়ায় দুধের গাভির সংখ্যা কমার প্রভাব ঢাকা পড়েছে। ২০২২ সালের পর প্রথম শূকরও বেড়েছে, ৪.৯ শতাংশ বেড়ে ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭০০।
কোয়ালিটি মিট স্কটল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী সারাহ মিলার একে সতর্ক কিন্তু প্রকৃত আশাবাদের কারণ বলেছেন, কারণ টানা দ্বিতীয় বছর বাছুর বেড়েছে। তবে তিনি সতর্ক করেন, ২০২১ সালের তুলনায় এখনো ৪০ হাজার গাভি কম, উপকরণের খরচ ও লাভের চাপ খাতকে ভারী করে রেখেছে, আর গ্রীষ্মে মা শূকর জবাইয়ের হিড়িক সামনের বছরে শূকরের সংখ্যা কমার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কৃষিমন্ত্রী জিম ফেয়ারলি বলেন, নেট জিরোর পথ প্রাণিসম্পদ খাত ছোট করায় নয়, বরং একে সমৃদ্ধ রাখায়।
অন্য খাতে চিত্র মিশ্র। ভেড়া ০.৫ শতাংশ কমে ৬৫ লাখ এবং পোলট্রি ৪.৪ শতাংশ কমে ১ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজারে নেমেছে। স্ট্রবেরিসহ নরম ফলের আবাদ নেমেছে ১,৮০০ হেক্টরে, যা ২০১৫ সালের পর সর্বনিম্ন। শীতকালীন ফসল (গম, শীতকালীন বার্লি ও ওট) পাঁচ বছরের গড়ের চেয়ে ৬.৯ শতাংশ বেশি, আর বসন্তকালীন ফসল ১৬ শতাংশ কম, যার মূলে বসন্তকালীন বার্লির ১৭ শতাংশ পতন। কৃষি শ্রমশক্তি ১ শতাংশ কমে ৬৬ হাজার ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে।
ছবি: Andrew Gritt / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)