সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

বিঘায় খরচ ২৪ হাজার, ধান বেচে সর্বোচ্চ ২১,৬০০: সাতক্ষীরার আমনচাষির লোকসান

সাতক্ষীরায় প্রতি বিঘা আমনে খরচ ২৩ থেকে ২৪ হাজার টাকা, অথচ ৬০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়।

বিঘায় খরচ ২৪ হাজার, ধান বেচে সর্বোচ্চ ২১,৬০০: সাতক্ষীরার আমনচাষির লোকসান
ফসল

সাতক্ষীরার মাঠে পাকা আমন কাটা চলছে, কিন্তু ধান বেচে খরচ উঠছে না চাষিদের। প্রতি বিঘায় ব্যয় হচ্ছে ২৩ থেকে ২৪ হাজার টাকা। ফলন ১০ থেকে ১২ বস্তা, আর ৬০ কেজির প্রতি বস্তার দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। হিসাবে এক বিঘার ধান থেকে সর্বোচ্চ আয় ২১ হাজার ৬০০ টাকা।

সদর উপজেলার নারানজোল গ্রামের কৃষক আজারুল ইসলাম বলেন, এবার বিঘায় প্রায় ২৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘তাহলে সারা বছর খাব কী, সংসার চালাব কীভাবে?’ এমন চললে চাষ বন্ধ করে দিতে হবে বলে জানান তিনি।

খরচ বাড়াচ্ছে শ্রমিকের মজুরিও। কৃষক পলাশ হোসেন জানান, এক বিঘার ধান কেটে বাঁধতে প্রায় ৩ হাজার টাকা লাগছে। আট ঘণ্টার জন্য পুরুষ শ্রমিক নেন ৮০০ টাকা, সাত ঘণ্টার জন্য নারী শ্রমিক ৭০০ টাকা। কলারোয়ার কৃষক আতাউর রহমানের দাবি, গত বছরের তুলনায় উৎপাদন খরচ প্রায় দ্বিগুণ হলেও ধানের দাম বেড়েছে মাত্র ১০০ টাকা। ঋণ শোধ করতে কাটার পরপরই ধান বিক্রি করতে হয় তাঁদের।

ঝাউডাঙ্গা ধানবাজারে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রিপন হোসেন এক বস্তা বিক্রি করেছেন ১ হাজার ৬৩০ টাকায়। তাঁর অভিযোগ, ডিলারের কাছে সার কিনতে গেলে সার নেই বলে জানানো হয়। ব্যবসায়ী অশিষ ঘোষ বলেন, ধান-চাল বিক্রি হচ্ছে না, চাতালে চাহিদা কম এবং গুদামে পর্যাপ্ত মজুত আছে, তাই নতুন করে কেনার আগ্রহ নেই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ জানান, এবার ৯৯ হাজার ১৬০ হেক্টরে আমন হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। হেক্টরে ৪ দশমিক ৪৭ টন ধরে প্রায় ৪ লাখ ৩ হাজার টন ধান আশা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, কেজিপ্রতি ৩৫ টাকার কমে বিক্রি করলে কৃষকের লোকসানের আশঙ্কা আছে, তবে খড় বিক্রি করে কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কৃষকদের দাবি, সরকারি ধান সংগ্রহ জোরদার করতে হবে, প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি কিনতে হবে এবং উপকরণ সহজলভ্য করতে হবে। না হলে আগামীতে অনেকে ধান চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন বলে তাঁদের আশঙ্কা। প্রতিবেদনের তথ্য ঢাকা পোস্টের।

ছবি: Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪

এগ্রিকেয়ার২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

কেজিতে খরচ ৩০০, বিক্রি ১২৫: লোকসান মাথায় ১৩ নভেম্বর মাড়াইয়ে রাজশাহী চিনিকল

১ হাজার ৬৪ কোটি টাকার পুঞ্জীভূত লোকসান ও আখ সংকটের মধ্যে ৬০ দিনে ৩ হাজার টন চিনির লক্ষ্য নিয়ে মাড়াই শুরু করছে রাজশাহী চিনিকল।

কৃষি সময়৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

পাহাড়ের হলুদ শুকিয়ে সারা দেশে: রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালীতে মৌসুমের ব্যস্ততা

তিন পার্বত্য জেলার হলুদ রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালীতে শুকিয়ে ও বাছাই করে ঢাকা, কুমিল্লা ও খাতুনগঞ্জে যাচ্ছে; চাষিরা বলছেন, এবার ফলন ভালো, দামও ভালো।

বাংলা নিউজ ২৪৬ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

আবুজার কাছে কয়েক সপ্তাহ আগেই থেমেছে বৃষ্টি, শুকাচ্ছে ধান ও শিম

নাইজেরিয়ার রাজধানী অঞ্চলের চাষিরা বলছেন, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই শেষ বৃষ্টি হয়েছে, অথচ সাধারণত মাসের শেষ পর্যন্ত হয়। দেরিতে বোনা শিম ও উঁচু জমির ধান ক্ষতির মুখে।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৬ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)