খুলনার রূপসা উপজেলার খাজাডাঙ্গা গ্রামের উদ্যোক্তা নূর মোহাম্মদের শখের মাছ চাষ এখন লাভজনক বাণিজ্যিক উদ্যোগ। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, আধুনিক পরিচর্যা আর কার্পজাতীয় মাছের ফ্যাটেনিং, অর্থাৎ বিক্রির আগে দ্রুত ওজন বাড়ানোর পদ্ধতিতে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। মৎস্য কর্মকর্তাদের মতে, এ পদ্ধতিতে প্রচলিত মাছ চাষের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি লাভের সুযোগ আছে।
খামারের যাত্রা ২০১৯ সালে। ছোট ভাই এস এম নুরুজ্জামান বিপ্লবের কেনা প্রায় তিন একরের একটি বড় পুকুরে শখের বশে মিশ্র মাছ চাষ শুরু করেন দুই ভাই। অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে উদ্যোগটি বাণিজ্যিক রূপ নেয়।
এখন পুকুরে বিভিন্ন কার্পজাতীয় মাছের সঙ্গে ফ্যাটেনিংয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে: নির্দিষ্ট সময়ে উন্নত মানের খাবার, পানির গুণগত মান ঠিক রাখা, নিয়মিত পরিচর্যা ও রোগবালাই প্রতিরোধ।
নূর মোহাম্মদ বলেন, শুরুতে মাছ চাষকে শুধু শখ হিসেবে দেখলেও ধীরে ধীরে এর সম্ভাবনা বুঝেছেন; পরিকল্পিত চাষে উৎপাদন ও আয় দুটোই বেড়েছে, আর এটি এখন তাঁর নিয়মিত আয়ের বড় উৎস।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সঠিক পদ্ধতিতে কার্প ফ্যাটেনিং করলে তুলনামূলক কম সময়ে মাছকে বাজারজাতযোগ্য ওজনে আনা যায়, এতে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকে ও লাভ বাড়ে। স্থানীয়ভাবে বাণিজ্যিক মাছ চাষে আগ্রহীদের কাছে খামারটি এখন একটি উদাহরণ।
প্রতিবেদনটি এগ্রিকেয়ার২৪ ডেস্কের, দৈনিক সংবাদের সূত্রে।
ছবি: Bellayet / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪




মন্তব্য
(০)