সকাল সাতটায় বাজারে এসে প্রায় দুই ঘণ্টা ঘুরেও কিছু কেনেননি বেসরকারি চাকরিজীবী মোক্তার আলী (৪৮)। শ্বশুরবাড়ির লোকজন আসবেন, তাই মাছ, মুরগি ও সবজি কিনতে এসেছিলেন, কিন্তু পকেটে ১,৩৪০ টাকা নিয়ে হিসাব মিলছিল না। "বেলা বাড়লে দাম কমে, সেই অপেক্ষায় বাজারে ঘুরি," বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন তিনি।
রোববার পুরান ঢাকার রায় সাহেব বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সবজি বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায়। করলা ১২০, পটল ৮০, ঝিঙা ১২০, চিচিঙ্গা ৮০, কচু ৮০ ও ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, শিম ২২০ টাকা; ফুলকপি প্রতি পিস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। তুলনায় কম ছিল কাঁচা পেঁপে, কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। ডিমের ডজন দেড়শ টাকার বেশি।
মুরগির মধ্যে কক ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা ও ব্রয়লার ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা কেজি। মাছের বাজারে ছোট রুই ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ থেকে ২৫০, পাঙাশ ২৫০ থেকে ২৮০, পাবদা ৪৫০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা। ছোট ইলিশের কেজি ১,২০০ থেকে ১,৫০০ টাকা বলছিলেন বিক্রেতারা। গরুর মাংস ৮২০ ও খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজি।
মোক্তার আলীর মতো অনেকেই দাম শুনে বাজারে ঘোরাঘুরি করেন, কারণ শেষ মুহূর্তে মাছ ও সবজির দাম কিছুটা কমে। ক্রেতা শামসুল হক ও সানজিদা খানম বলেন, দৈনন্দিন কেনাকাটা সাধ্যের মধ্যে থাকাটাই তাঁদের চাওয়া; বাজারে এলে একশবার ভাবতে হয়।
প্রতিবেদনটি করেছেন বাংলা ট্রিবিউনের আতিক হাসান শুভ।
ছবি: Bellayet / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন





মন্তব্য
(০)