সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৭ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৭%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

২০২৬-২৭ বিপণন বছরে চাল উৎপাদন কমতে পারে সাড়ে ৭ লাখ টন: তিন মৌসুমেই হ্রাসের পূর্বাভাস

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে করা হিসাবে ২০২৫-২৬ বিপণন বছরের ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টন থেকে আগামী বছর চাল উৎপাদন ৩ কোটি ৬৯ লাখ টনে নামতে পারে; আউশের আবাদ ১ লাখ হেক্টর কমার পূর্বাভাস, আর ডিএইর মহাপরিচালক বলছেন, প্রায় ৫৯ লাখ হেক্টরের আমন ভালো অবস্থায় আছে।

দেশে ২০২৬-২৭ বিপণন বছরে বোরো, আউশ ও আমন মিলিয়ে চাল উৎপাদন কমতে পারে বলে পূর্বাভাস উঠে এসেছে। ঢাকা মেইলের প্রতিবেদক আব্দুল হাকিমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্যের ভিত্তিতে করা হিসাবে ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে তিন মৌসুমে মোট ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয়েছে, যা আগামী বছর কমে ৩ কোটি ৬৯ লাখ টনে দাঁড়াতে পারে, এক বছরে ৭ লাখ ৫০ হাজার টনের হ্রাস।

ধানের মোট আবাদি এলাকাও ১ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর থেকে ১ লাখ হেক্টর কমে ১ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে নামতে পারে। বোরো ও আমনে আবাদি এলাকা অপরিবর্তিত থাকলেও উৎপাদন কমার পূর্বাভাস, আর আউশে আবাদ ও উৎপাদন দুটিই কমতে পারে।

প্রধান মৌসুম বোরোতে ৪৯ লাখ হেক্টরে উৎপাদন ২ কোটি ৫ লাখ টন থেকে ২ কোটি ৩ লাখ টনে (প্রায় ১ শতাংশ কম) নামতে পারে। আউশের আবাদি এলাকা ১০ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৯ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে এবং উৎপাদন ২৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২১ লাখ টনে, প্রায় ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ, কমার পূর্বাভাস। আমনে ৫৮ লাখ হেক্টরে উৎপাদন ১ কোটি ৪৮ লাখ থেকে ১ কোটি ৪৫ লাখ টনে (প্রায় ২ শতাংশ কম) নামতে পারে। তবে ২০২৪-২৫ বিপণন বছরের ৩ কোটি ৬৬ লাখ টনের তুলনায় আগামী বছরের সম্ভাব্য উৎপাদন ৩ লাখ টন বেশি।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সম্ভাব্য এল নিনো, উৎপাদক পর্যায়ে ধানের দাম কমা ও উপকরণ ব্যয় বাড়ার কারণে ২০২৬-২৭ মৌসুমে বৈশ্বিক চাল উৎপাদন ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমার পূর্বাভাস দিয়েছে, যার বড় অংশ এশিয়ায়। সংস্থাটির হিসাবে বাংলাদেশে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৪ কোটি ১৫ লাখ টন থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে উৎপাদন ৪ কোটি ১৩ লাখ টনে, দশমিক ৫ শতাংশ, কমতে পারে।

ডিএইর মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম ঢাকা মেইলকে বলেন, নিয়মিত বৃষ্টিতে আমনে সেচের প্রয়োজন কম হয়েছে; প্রায় ৫৯ লাখ হেক্টরের আমন ভালো অবস্থায় আছে এবং বাম্পার উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে, এবার আমন থেকে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টন চাল। আগামী বোরোতে ৫০ লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে আবাদ হবে এবং জ্বালানি ও গ্যাস সংকট থাকলেও ধান উৎপাদনে বড় প্রভাবের আশঙ্কা নেই বলে তিনি জানান; তাঁর হিসাবে বোরো, আমন ও আউশ মিলিয়ে চাল উৎপাদন প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ টনের কাছাকাছি।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বোরো শুরুর আগেই সেচ নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে; সেচের প্রায় ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও ৫০ শতাংশ জ্বালানি তেলচালিত নলকূপনির্ভর হওয়ায় জ্বালানি সংকট চললে বোরোসহ পরের মৌসুমের উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে; সমাধান হিসেবে সৌরশক্তিচালিত সেচে জোর দেন তিনি।

বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব প্রফেসর এএসএম গোলাম হাফিজ কেনেডি বলেন, সেচ, যান্ত্রিকীকরণ ও সার উৎপাদন, সবখানেই জ্বালানির সঙ্গে কৃষির সরাসরি সম্পর্ক; গ্যাস সংকটে সার কারখানা ব্যাহত হলে সরকারকে আমদানির ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সারের দাম যেন কৃষকের নাগালের বাইরে না যায়। আবহাওয়া, বন্যা, খরা ও রোগবালাই বিবেচনায় পূর্বাভাসের কারণ স্পষ্ট করা দরকার বলেও তিনি মত দেন।

সূত্র: ঢাকা মেইল, প্রতিবেদন: আব্দুল হাকিম

ঢাকা মেইলসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

উদ্বৃত্ত আলু থেকে স্টার্চ: উত্তরাঞ্চলে হবে ৮ থেকে ১০টি কারখানাএগ্রোবিজ

উদ্বৃত্ত আলু থেকে স্টার্চ: উত্তরাঞ্চলে হবে ৮ থেকে ১০টি কারখানা

উদ্বৃত্ত আলুর বিকল্প বাজার তৈরি ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে উত্তরাঞ্চলে শিগগিরই ৮ থেকে ১০টি স্টার্চ কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। উৎপাদিত স্টার্চ রপ্তানিরও পরিকল্পনা আছে।

এগ্রিকেয়ার২৪৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
দুই বছর বন্যা নেই, বকশীগঞ্জের চরে বাড়ছে মরিচের আবাদফসল

দুই বছর বন্যা নেই, বকশীগঞ্জের চরে বাড়ছে মরিচের আবাদ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মরিচ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ২৮০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ হেক্টর করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রায় ৬ হাজার টন মরিচ উৎপাদনের আশা কৃষি বিভাগের, তবে অতিবৃষ্টির শঙ্কায় কৃষক।

এগ্রিকেয়ার২৪৮ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

চাল রাখার জায়গা নেই, আমন কেনা নিয়ে সংশয়

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত ধারণক্ষমতার প্রায় ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে, আসছে আমদানির চালও। ৮ নভেম্বর এফপিএমসির সভায় আমন মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও দাম ঠিক হবে।

জাগো নিউজ ২৪৮ নভেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)