ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের আন্নামায়া জেলার মদনপল্লে (Madanapalle) শহরে একটি গ্লোবাল হর্টিকালচার হাব (জিএইচএইচ) গড়ার কাজ শুরু হয়েছে। খরাপ্রবণ রায়ালাসীমা অঞ্চলে উদ্যান ফসলের প্রসার দ্রুত করাই এর লক্ষ্য। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু (N Chandrababu Naidu) এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ, রাজ্যের মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী নারা লোকেশ এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের নির্বাহী পরিচালক অনন্ত আম্বানি।
প্রকল্পে আনুমানিক এক লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ৪০ হাজার কোটি রুপি এবং বাকি ৬০ হাজার কোটি রুপি বেসরকারি বিনিয়োগ থেকে আসার কথা। রায়ালাসীমার আটটি জেলা এর আওতায় থাকবে, আর উদ্যান ফসলের মাধ্যমে অঞ্চলের মোট মূল্য সংযোজন বাড়ানো হবে।
রাজ্য সরকার উদ্যান ফসলের জমি বর্তমানের ৮.৪ লাখ হেক্টর থেকে বাড়িয়ে ১৪.৪ লাখ হেক্টরে নিতে চায়।
নাইডু বলেন, বীজ উন্নয়ন থেকে বাজার ও রপ্তানি পর্যন্ত পুরো কৃষি মূল্য শৃঙ্খলকে এই প্রকল্প শক্ত করবে। এতে কৃষকেরা আপেল, স্ট্রবেরি, খেজুর ও অ্যাভোকাডোর মতো ফসলে চাষ বৈচিত্র্য আনতে পারবেন এবং আয়ের টেকসই পথ পাবেন।
হাবের পাশাপাশি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ একটি ইন্ডিয়ান স্কুল অব এগ্রিকালচার (আইএসএ) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে। ইন্ডিয়ান স্কুল অব বিজনেসের আদলে প্রস্তাবিত এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কৃষি ও উদ্যান ফসলে সেগুলোর প্রয়োগ নিয়ে কাজ হবে। অনন্ত আম্বানি বলেন, অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে তাঁর প্রতিষ্ঠান আগ্রহী।
সীতারামন বলেন, অন্ধ্রপ্রদেশকে উদ্যান ফসলের বড় কেন্দ্র হিসেবে গড়তে কেন্দ্র ও রাজ্য একসঙ্গে কাজ করছে। তিনি কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ও পিএম-কিষাণের মাধ্যমে কৃষিতে বিনিয়োগ সহায়তার কথা তুলে ধরেন। জলবায়ু ঝুঁকি সামলাতে জলবায়ু সহনশীল জাত এবং পিএম-কুসুমের মতো প্রকল্পে সৌরচালিত সেচপাম্পের প্রসারের কথাও বলেন তিনি।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন রাজশ্রী সিং।
ছবি: rajaraman sundaram / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Rural Voice





মন্তব্য
(০)