রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) এলাকার লেকগুলোতে পয়োবর্জ্য পড়া ঠেকাতে ১ হাজার ২৬৯টি ভবনের মালিককে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল ও পয়োনিষ্কাশন শোধনাগার (এসটিপি) বানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের অনুমোদিত নকশায় সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েলের সংস্থান আছে, তাঁদের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে; না হলে আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট বসবে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে লেক দূষণমুক্ত করা ও পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনার জন্য গঠিত কারিগরি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর।
সভায় ঠিক হয়, যে ১ হাজার ২৬৯টি ভবনকে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সোসাইটিগুলোকে দেওয়া হবে। সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েলের কাঠামোগত নকশা রাজউক থেকে অনুমোদন নিতে হবে, আর আবেদন পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে রাজউককে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ ও ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী।
লেকগুলোর বর্তমান দূষণ, দূষণের উৎস শনাক্ত, পানির মান উন্নয়ন, বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
সভায় রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রফিকুল হাসান ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কে এম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং গুলশান, বারিধারা, বনানী ও নিকেতন সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: ঢাকার গুলশান-বারিধারা লেক, Aashaa / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)