সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

দার্জিলিংয়ের কমলা চাষে সফল রফিকুল

ঝিনাইদহে কমলা চাষে সফল হয়েছেন রফিকুল ইসলাম নামের এক কৃষক। এবছরই প্রথম তার বাগানে এ কমলা ধরেছে। চাষ হওয়া কমলাটি দার্জিলিংয়ের বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি অফিস। দেশের সমতল ভূমির মধ

ঝিনাইদহে কমলা চাষে সফল হয়েছেন রফিকুল ইসলাম নামের এক কৃষক। এবছরই প্রথম তার বাগানে এ কমলা ধরেছে। চাষ হওয়া কমলাটি দার্জিলিংয়ের বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি অফিস। দেশের সমতল ভূমির মধ্যে এবারই প্রথম এ কমলা চাষের সুসংবাদ পাওয়া গেল।

জানা যায়, রফিকুল ইসলামের বাগান পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি অধিদফতরসহ প্রশাসনের নানা পর্যায়ের ঊধ্বর্তন কর্তারা। বাগানটির অবস্থান ঝিনাইদহ শহর থেকে ৬৪ কিলোমিটার দূরে মহেশপুর উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের চাপাতলা গ্রামে। রফিকুলের এ কমলা বাগান থেকে ভারতীয় সীমান্ত মাত্র ৪০০ গজ দূরে। ইতোমধ্যে সম্ভাবনাময় এ ফলের চাষ সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ কৃষি অধিদফতর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রফিকুল চাপাতলা গ্রামের আইনুদ্দীন মন্ডলের ছেলে। তিন ভাই, পাঁচ বোনের মধ্যে মেজ রফিকুল। তিনি অনেক আগে থেকেই নার্সারি ব্যবসার সাথে জড়িত। মাঠে চাষযোগ্য জমি না থাকলেও সম্প্রতি কমলা বিক্রির টাকায় ১০ কাঠা জমি কিনেছেন। বর্গা নিয়ে চাষ করা ৪ বিঘা জমিতে দার্জিলিং জাতের কমলার গাছ রয়েছে ১২০টি। এছাড়া ৩০টি চায়না জাতের কমলা ও ৫০০টি মাল্টা লেবুর গাছ রয়েছে। আশাতীত সফলতা পেয়ে চলতি বছর আরও ৫ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে এ কমলা চাষ করেছেন।

বাগানে কমলা কিনতে আসা ফারুক হোসেন বলেন, ‘রফিকুল ইসলামের বাগানের কমলার আকার, স্বাদ, রং দার্জিলিং বা অন্য দেশের কমলার মতো। এ কমলা অন্য দেশের কমলার থেকেও ভালো। এখান থেকে কমলা নিয়ে গেলে আমাদের লাভ বেশি হয়। ফল ভালো রাখতে কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয় না। এখান থেকে কমলা নিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠাই।’

রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘তিন বছর আগে ভারত থেকে ২০০ টাকা করে কমলা ও ১৪০ টাকা করে মাল্টার চারা কিনে আনি। গত তিন বছরে চারা, রোপণ এবং বেড়া তৈরিসহ প্রায় ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এবছরই প্রথম ফল আসার পর তা বিক্রি করেছি। কেজি প্রতি ১২০ টাকা দরে বিক্রি করছি। এ পর্যন্ত সাড়ে ৭ লাখ টাকার কমলা ও মাল্টা বিক্রি করেছি। এখনো ২ লাখ টাকার কমলা গাছে আছে। এছাড়া কলম পদ্ধতিতে করা চারা বিক্রি করেছি প্রায় ৫ লাখ টাকা।’

বাগান পরিচর্যার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কমলার বাগান করতে তেমন কোনো কষ্ট করতে হয় না। তবে জমির চারপাশে ভালো করে বেড়া তৈরি করতে হয়। ৫ বছর পর একটি গাছ ফল ধরার জন্য পরিপূর্ণতা লাভ করে। প্রতিটি গাছ থেকে ১২-১৫ বছর পর্যন্ত ভালোভাবে ফল পাওয়া যাবে। এছাড়া অনাবৃষ্টির সময়ে গাছে সেচের ব্যবস্থা করতে হয়। আগাছা পরিষ্কার রাখতে হয়। গাছে ফল এলে ভোমরা ও মাছিসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে গেলে বাড়তি নজরদারি করতে হয়।’

মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসান আলী ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার অমিত বাগচী বলেন, ‘রফিকুলের চাষ করা কমলার স্বাদ ভালো। আমরা চেষ্টা করছি সম্ভাবনাময় এ চাষকে সম্প্রসারণ করতে। ইতোমধ্যে অনেকেই কমলা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরা তাদের সাধ্যমত সহযোগিতার চেষ্টা করছি। নিয়মিত তাদের সাথে যোগাযোগ করছি।’

বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ উইংয়ের পরিচালক ড. আলহাজ উদ্দীন আহাম্মেদ বলেন, ‘রফিকুলের বাগানে উৎপাদিত কমলা খেতে বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। ফলের আকারও তুলনামূলক বড়। তাছাড়া প্রতিটি গাছে অনেক কমলা ধরেছে। এ কমলার চাষ বাণিজ্যিকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে দেশের কৃষক। অন্যদিকে পুষ্টি চাহিদা পূরণে বিরাট ভূমিকা রাখবে।’

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়বে পার্টনার প্রকল্প, ৬০ শতাংশই নারী

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার প্রকল্পে ৬৪ জেলার ২০৮ উপজেলায় ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির কাজ চলছে; এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬,৮৭৫ জন, প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র কিনতে মিলবে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি।

বাসস১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

বাঁশখালী-আনোয়ারা-পটিয়ায় মাঠে নামার অপেক্ষায় ৮ হাজার লবণচাষি, আমদানিতে দামের শঙ্কা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ১০ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আট হাজার চাষি; আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী সপ্তাহেই মাঠে নামবেন তাঁরা, তবে আমদানির সিদ্ধান্তে ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা।

আমার দেশ১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ঠাকুরগাঁওয়ের হিমাগারে ৩২২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, মৌসুমের বাইরে যাবে জাতীয় গ্রিডে

ঠাকুরগাঁও সদরের লক্ষী কোল্ডস্টোরেজে নিজস্ব অর্থায়নে এক কোটি ২৫ লাখ টাকায় ৩২২ কিলোওয়াটের সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে; এতে হিমাগারের নিজের বিদ্যুতের চাহিদা মিটবে, আর মৌসুমের বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)