সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

গুটি ইউরিয়ার সঠিক ব্যবহার : প্রথম পর্ব

ধান চাষে সার একটি অত্যাবশকীয় বস্তু। সার ছাড়া ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনকী ধান চাষে সারের সুষম, পরিমিত, সময়মত ও নিয়মমাফিক ব্যবহারও অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ধান চাষে গুট

ধান চাষে সার একটি অত্যাবশকীয় বস্তু। সার ছাড়া ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমনকী ধান চাষে সারের সুষম, পরিমিত, সময়মত ও নিয়মমাফিক ব্যবহারও অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ধান চাষে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করে সুষম মাত্রায় জমিতে সার ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। জেনে নিন গুটি ইউরিয়ার সঠিক ব্যবহার। আজ পড়ুন প্রথম পর্ব-

গুটি ইউরিয়াবাজারে পাওয়া সাধারণ ইউরিয়া থেকে ব্রিকেট মেশিনের সাহায্যে গুটি ইউরিয়া তৈরি করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে তিন ধরনের গুটি ইউরিয়া তৈরি করা হয়।• ০.৯ গ্রাম ওজনের ইউরিয়ার ৩টি গুটি ইউরিয়া বোরো ধান এবং ২টি গুটি ইউরিয়া আউশ-আমন ধানের চার গোছার মধ্যবর্তী স্থানে পুঁতে দিতে হয়। • ১.৮ গ্রাম ওজনের ইউরিয়ার ১টি গুটি আউশ-আমন ধানের চার গোছার মধ্যবর্তী স্থানে পুঁতে দিতে হয়।• ২.৭ গ্রাম ওজনের ইউরিয়ার ১টি গুটি বোরো ধানের চারা গোছার মধ্যবর্তী স্থানে পুঁতে দিতে হয়।

গুটি ইউরিয়া ব্যবহারধান চাষে ইউরিয়া সাধারণত ছিটিয়ে প্রয়োগ করা হয়। এভাবে প্রয়োগের ফলে ইউরিয়ার কার্যকারিতা অনেকখানি কমে যায় এবং শতকরা ৭০ ভাগ পর্যন্ত অপচয় হয়ে থাকে। ফলে ধান গাছ খাদ্য হিসেবে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ইউরিয়া গ্রহণ করতে পারে না। কিন্তু মাটির ৭-১০ সেন্টিমিটার (৩-৪ ইঞ্চি) নিচে গুটি ইউরিয়া পুঁতে দেওয়া হলে ইউরিয়ার কার্যকারিতা দিগুণেরও বেশি বেড়ে যায়। এছাড়াও ধানের ফলন শতকরা ২০-২৫ ভাগ বৃদ্ধি পায়।

গুটি ইউরিয়া কেন লাভজনক• গাছে নাইট্রোজেন প্রাপ্তি দীর্ঘায়িত হয় এবং বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়।• ইউরিয়া কম লাগে।• ফলন ও কৃষকের আয় বাড়ে।• জমি উন্নত হয়।

গুটি ইউরিয়া ব্যবহার পদ্ধতি১. গুটি ইউরিয়া ব্যবহারের পাঁচ-সাত দিন আগে ২০×২০ সেন্টিমিটার (৮×৮ ইঞ্চি), ব্রি-ধান ২৯ এর ক্ষেত্রে (৯×৬ ইঞ্চি) লাইন থেকে লাইন এবং চারা থেকে চারার দূরত্বে ধানের চারা রোপণ করুন।২. ধানের চারা রোপণের ১০-১২ দিনের মধ্যে মাটি শক্ত হওয়ার আগে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করুন।৩. জমিতে যখন ২-৩ সেন্টিমিটার (১ ইঞ্চি) পরিমাণ পানি থাকে; সে সময় গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করা সহজ।৪. প্রয়োগের সময় প্রয়োজনীয় পরিমাণ গুটি ইউরিয়া নিন যাতে লাইনের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যাওয়া যায়।৫. জমির ডান দিক থেকে গুটি প্রয়োগ শুরু করুন। ৬. এক এবং দুই লাইনের প্রতি চার গোছার মাঝখানে মাটির ৩-৪ ইঞ্চি নিচে গুটি ইউরিয়া পুঁতে দিন।৭. জমির শেষপ্রান্তে এসে আবার গুটি নিন এবং পরবর্তী ৩-৪ লাইনে প্রতি চার গোছার মাঝখানে প্রয়োগ করুন।৮. জমির শেষপ্রান্তে এসে ৫-৬ লাইনের মাঝখানে একই নিয়মে গুটি প্রয়োগ করুন।৯. লক্ষ্য রাখবেন যেন গুটি প্রয়োগকৃত স্থানে পা না পড়ে।১০. কোন কোন সময় দেখা যায় কৃষক একবারে ২, ৪ বা ৬ লাইনে গুটি প্রয়োগ করতে সুবিধা বোধ করেন।১১. গুটি প্রয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে জমিতে নামা উচিত নয়। ১২. যদি নামতেই হয়, তবে যেখানে পা রেখেছিলেন; সেখানে পা রেখেই জমিতে নামতে পারেন।১৩. গুটি প্রয়োগের পর জমিতে প্রয়োজনীয় পানি রাখতে হবে যাতে জমির মাটি ফেটে না যায়।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়বে পার্টনার প্রকল্প, ৬০ শতাংশই নারী

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার প্রকল্পে ৬৪ জেলার ২০৮ উপজেলায় ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির কাজ চলছে; এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬,৮৭৫ জন, প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র কিনতে মিলবে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি।

বাসস১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

বাঁশখালী-আনোয়ারা-পটিয়ায় মাঠে নামার অপেক্ষায় ৮ হাজার লবণচাষি, আমদানিতে দামের শঙ্কা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ১০ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আট হাজার চাষি; আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী সপ্তাহেই মাঠে নামবেন তাঁরা, তবে আমদানির সিদ্ধান্তে ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা।

আমার দেশ১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ঠাকুরগাঁওয়ের হিমাগারে ৩২২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, মৌসুমের বাইরে যাবে জাতীয় গ্রিডে

ঠাকুরগাঁও সদরের লক্ষী কোল্ডস্টোরেজে নিজস্ব অর্থায়নে এক কোটি ২৫ লাখ টাকায় ৩২২ কিলোওয়াটের সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে; এতে হিমাগারের নিজের বিদ্যুতের চাহিদা মিটবে, আর মৌসুমের বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)