সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ভরা বর্ষায় গাছ লাগানোর মৌসুম: কোথায় কোন চারা, কীভাবে যত্ন

২০২৬ সালের জুলাইয়ের মাঝামাঝি, আষাঢ়-শ্রাবণের ভরা বর্ষায় চারা রোপণের উপযুক্ত সময় নিয়ে জাগো নিউজ ২৪ প্রতিবেদন প্রকাশ করে; একই সময়ে দেশজুড়ে চলছিল জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা।

ভরা বর্ষায় গাছ লাগানোর মৌসুম: কোথায় কোন চারা, কীভাবে যত্ন
পরিবেশ

২০২৬ সালের ১৬ জুলাই জাগো নিউজ ২৪ একটি প্রতিবেদনে মনে করিয়ে দেয়, আষাঢ়-শ্রাবণের ভরা বর্ষাই বাংলাদেশে গাছ লাগানোর সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। সংশোধিত বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী আষাঢ় শুরু হয় ১৫ জুন আর শ্রাবণ ১৬ জুলাই। প্রতিবেদনে বলা হয়, আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র, এই কয়েক মাস চারা রোপণের জন্য ভালো; উঠোন, বাড়ির সীমানা, ছাদ কিংবা বারান্দায় পছন্দের ফল, ফুল বা বনজ গাছ লাগানো যায়।

বর্ষায় চারা লাগানো কেন সহজ


প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্ষায় রোপণের সবচেয়ে বড় সুবিধা প্রকৃতির নিজস্ব সেচ। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে এবং মাটির নিচের স্তর পর্যন্ত পানি পৌঁছায়, ফলে নতুন চারার শিকড় সহজে মাটির গভীরে ছড়াতে পারে। হাতে পানি দেওয়ার ঝামেলা কমে, কড়া রোদে চারা শুকিয়ে মারা যাওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে। থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট রেস্টোরেশন রিসার্চ ইউনিটের (ফরু) নির্দেশিকাও বলে, বর্ষার শুরুতে বৃষ্টি নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য হয়ে এলে গাছ লাগানো উচিত, কারণ কচি চারা বাতাস ও রোদে খুবই নাজুক থাকে।

কোথায় কোন গাছ মানায়


প্রতিবেদনে সঠিক জায়গায় সঠিক চারা বেছে নেওয়াকে সবচেয়ে জরুরি বলা হয়। বসতবাড়ির আঙিনায় বা বাড়ির পেছনে আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, মাল্টা বা লেবুর মতো ফলের গাছ পরিবারের পুষ্টি জোগায়, ছায়াও দেয়। আমলকী, অর্জুন বা নিমের মতো ঔষধি গাছও আঙিনায় জায়গা পেতে পারে। বাড়ির সীমানা, পতিত জমি বা রাস্তার পাশে দেবদারু, রেইনট্রি বা মেহগনির মতো দীর্ঘমেয়াদি কাঠের গাছ লাগানো যায়, তবে ঘর বা ভবনের মূল কাঠামোর খুব কাছে নয়।

বনজ গাছের মধ্যে গর্জন, মেহগনি, কড়ই, সেগুন, শিশু, শিরীষ ও গামারির নাম আসে প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, একটি বনজ চারার দাম আনুমানিক ২০ থেকে ৫০ টাকা এবং সাধারণত ১০ থেকে ১৫ বছর পর উল্লেখযোগ্য দামের কাঠ পাওয়া যেতে পারে।

বরিশালের বানারীপাড়ার মলুহারে একটি নার্সারিতে রেইনট্রির চারা। ছবি: Nazmulhuqrussell / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বরিশালের বানারীপাড়ার মলুহারে একটি নার্সারিতে রেইনট্রির চারা। ছবি: Nazmulhuqrussell / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

শহরে যাঁদের আঙিনা নেই, তাঁদের জন্য ছাদ ও বারান্দা। ছাদে ড্রামে বারোমাসি আম, পেয়ারা, ডালিম লাগানো যায়; বারান্দার আলো-ছায়ায় মানিপ্ল্যান্ট বা ক্যালাথিয়ার মতো ইনডোর গাছ। মিরপুরের জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানের প্রধান মালী নজরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, 'বর্ষাকালে মৌসুমি এবং বারোমাসি ফুল গাছ লাগানো যেতে পারে।' মৌসুমি ফুলের মধ্যে কসমস, জিনিয়া, দোপাটি, নয়নতারা, মোরগকদম ও অ্যামারেন্থাস, আর বারোমাসি ফুলের মধ্যে কামিনী, গাঁদা, মুসান্ডা, অ্যালামান্ডা, রজনীগন্ধা, কাঠগোলাপ, দোলনচাঁপা ও গ্লাডিওলাসের কথা বলা হয়।

ঢাকার মিরপুরে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান। ছবি: Mmh Jihadi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
ঢাকার মিরপুরে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান। ছবি: Mmh Jihadi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

রোপণের পর চারার যত্ন


শুধু লাগালেই হবে না। বর্ষার বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা; গোড়ায় পানি জমলে শিকড় পচে চারা মারা যেতে পারে। তাই গোড়ার মাটি চারপাশের চেয়ে কিছুটা উঁচু ও ঢালু করে দিতে হয়, যাতে পানি সরে যায়। ঝোড়ো হাওয়া বা টানা বৃষ্টিতে কচি চারা হেলে পড়তে পারে, তাই লাগানোর পরপরই শক্ত কাঠি বা বাঁশের খুঁটিতে সোজা করে বেঁধে দেওয়া দরকার। গবাদিপশু থেকে বাঁচাতে চারপাশে খাঁচা বা বেড়াও দিতে হয়।

একই সময়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান


প্রতিবেদনটি যখন প্রকাশিত হয়, তখন দেশজুড়ে বৃক্ষমেলা চলছিল। ২০২৬ সালের ৯ জুলাই ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬ উদ্বোধন করেন। প্রতিপাদ্য ছিল "বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ঢাকায় মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলায় ১২০টি স্টল ছিল; বিভাগীয় সদরে ১৫ দিন, ৫৬টি জেলা সদরে ৭ দিন এবং ২৯টি উপজেলায় ৩ দিনের মেলার আয়োজন করা হয়। সরকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করে।

বাসসের খবরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন গাছ লাগানো জরুরি, তবে সেই গাছ যেন বেঁচে থাকে ও বেড়ে ওঠে, তা নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত বর্ধনশীল জাতের বদলে দেশি প্রজাতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও সেখানে বলা হয়।

২০২৫ সালের জুনে ঢাকায় পরিবেশ ও বৃক্ষমেলার স্টল। ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
২০২৫ সালের জুনে ঢাকায় পরিবেশ ও বৃক্ষমেলার স্টল। ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
বাংলাদেশে মেহগনি গাছের ফল ও পাতা। ছবি: AninditaBD / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বাংলাদেশে মেহগনি গাছের ফল ও পাতা। ছবি: AninditaBD / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ছবি: Biswarup Ganguly / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, ঢাকা ট্রিবিউন, বাসস, একুশে টেলিভিশন, চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট রেস্টোরেশন রিসার্চ ইউনিট (ফরু), উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

মতামত

তিমির ভাষা, সমুদ্রের কোলাহল: বিজ্ঞানবক্তা আসিফের কলাম

আজকের পত্রিকায় বিজ্ঞানবক্তা আসিফ লিখেছেন, প্রজেক্ট সেটির গবেষণায় স্পার্ম তিমির শব্দসংকেতে ব্যাকরণের মতো বিন্যাস ধরা পড়ছে, অথচ জাহাজ, সোনার ও বিস্ফোরণের শব্দে তিমিদের সমুদ্র ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে।

আজকের পত্রিকা৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুন্দরবনের লোনাপানির কুমির: দেশের একমাত্র আবাসে বিরল বৃহত্তম সরীসৃপ

পাখি ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. আ ন ম আমিনুর রহমান ২০১৩ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালপাড়ে বারবার দেখা লোনাপানির কুমিরের গল্প আর প্রাণীটির আকার, আবাস ও প্রজননের তথ্য তুলে ধরেছেন।

দেশ রূপান্তর৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দখলে কমছে বন, গাজীপুরের জন্য পৃথক বন বিভাগ চান পরিবেশবাদীরা

গাজীপুরের বন রক্ষার প্রশাসনিক কাজের একটি অংশ চলে ঢাকা থেকে; জবরদখল ও অবৈধ স্থাপনা বাড়ায় দুটি সংগঠন পৃথক গাজীপুর বন বিভাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।

সমকাল৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)