যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের উত্তর-পশ্চিমের নিউটন কাউন্টিতে কাজে পরস্পর যুক্ত দুটি দুগ্ধ খামারে এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু নিশ্চিত করেছেন রাজ্যের প্রাণিস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা, জানিয়েছেন মিশিগান এজি টুডের সি. জে. মিলার। ২০২৪ সালে ব্যাপক প্রাদুর্ভাব সামলানো পাশের মিশিগানের খামারিদের জন্য এটি নতুন সতর্কবার্তা।
গরু অসুস্থ হওয়ায় নয়, ভাইরাসটি ধরা পড়েছে নিয়মিত জাতীয় দুধ পরীক্ষা কর্মসূচিতে। অন্য এক রাজ্যের দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার যে ট্যাংকে ইন্ডিয়ানার দুধ যায়, সেখানে সংক্রমণ মেলে। এরপর ইন্ডিয়ানা স্টেট বোর্ড অব অ্যানিমেল হেলথ উৎস খামারে নমুনা নেয়। ইন্ডিয়ানার প্রাণিরোগ পরীক্ষাগার ফল নিশ্চিত করে, আর আইওয়ার এমসে মার্কিন কৃষি বিভাগের জাতীয় পরীক্ষাগার তা যাচাই করে। কারখানাটি কোন রাজ্যে, তা উৎস খোঁজার কাজ চলায় জানানো হয়নি।
এতে ইন্ডিয়ানা 'অপ্রভাবিত রাজ্য'-এর মর্যাদা হারিয়েছে। ফেডারেল আদেশে এখন রাজ্য ছেড়ে যাওয়া যেকোনো দুধেল গাভি বা দুধ-মাংসের সংকর গরুর আগে নেগেটিভ পরীক্ষার ফল লাগবে। বোর্ডের মুখপাত্র ডেনিস ডেরার স্পিয়ার্স বলেন, সাধারণ নিয়মে রাজ্যসীমা পেরোনোর আগে প্রতিটি গাভি পরীক্ষা করতে হয়, তবে যে খামার প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষা করায়, তারা প্রয়োজনমতো গরু সরাতে পারে।
খামার দুটি কোয়ারেন্টিনে আছে। পরপর দুবার ট্যাংকের দুধ নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষা চলবে। চারপাশে ১০ কিলোমিটারের নজরদারি এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে, যার ভেতরের সব দুগ্ধ খামার ও বাণিজ্যিক মুরগির খামারে ২৮ দিন পরপর পরীক্ষা হবে। বন্য পাখির ওপরও নজর রাখা হচ্ছে।
২০২৪ সালে মিশিগানের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, গরু কেনাবেচার চেয়ে খামার থেকে খামারে ভাইরাস বেশি ছড়িয়েছে একই কর্মী, দুধ পরিবহনের গাড়ি, খাদ্যের ট্রাক, গোবর পরিবহন ও মরা পশু সরানোর গাড়ির মাধ্যমে। স্পিয়ার্স বলেন, পরিষ্কার হাত, পরিষ্কার পা, পরিষ্কার গাড়ি, এই মৌলিক নিয়মগুলোই সবচেয়ে জরুরি, আর তা মানতে হবে বছরের ৩৬৫ দিন। কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, পাস্তুরিত দুধ ও দুগ্ধপণ্য নিরাপদ।
ছবি: Benny Mazur / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: মিশিগান এজি টুডে





মন্তব্য
(০)