তানজানিয়ার বিতুরানা ওয়ার্ডের তরুণ কৃষক মারুদিও অ্যান্ডারসন (Marudio Anderson) অ্যালবিনিজম নিয়ে বেঁচে আছেন। শুরু করেছিলেন বিতুরানা অববাহিকায় এক টুকরো জমি ভাড়া নিয়ে পেঁয়াজ চাষ দিয়ে। এখন তাঁর জমি পাঁচ খণ্ড, খুলেছেন একটি স্টেশনারি দোকান, শুরু করছেন মুরগি পালন। খবরটি দিয়েছে এজিআরএ।
শুরুর সুযোগ আসে ওয়ার্ডের কৃষি কর্মকর্তা মার্টিন মসাবিলার মাধ্যমে। তিনি মারুদিওকে খাদ্য ও কৃষির ভবিষ্যতের জন্য তরুণ উদ্যোক্তা কর্মসূচি ইয়েফার (YEFFA) সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেখানে উদ্যোক্তা হওয়া, হিসাব রাখা, জমি তৈরি ও উত্তম কৃষি চর্চার প্রশিক্ষণ পান, সঙ্গে শুরুর সহায়তা হিসেবে উন্নত বীজ ও সার।
মারুদিও বলেন, শুরুতে সহজ ছিল না, তবে লাভ নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে গেছেন। এখন তাঁর খামারে পাঁচজন অস্থায়ী শ্রমিক কাজ করেন। তাঁর কথায়, খামার এখনো ছোট মনে হয়, কিন্তু পাঁচজন সেখানে কাজ করছেন; কৃষি শুধু তাঁর নিজের নয়, আরও তরুণের কর্মসংস্থান।
মসাবিলা বলেন, ইয়েফায় প্রশিক্ষণ পাওয়া এই তরুণেরা এলাকায় আদর্শ হয়ে উঠেছেন। সরকার তাঁদের যুব দলে সংগঠিত করতে সাহায্য করছে, যাতে তাঁরা স্থানীয় সরকারের ঋণ পেয়ে ব্যবসা আরও বাড়াতে পারেন।
ছবি: Duniasikuzote / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এজিআরএ





মন্তব্য
(০)