সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

২০২৪ সালে মার্কিন ফুড ডলারের ১১.৮ সেন্ট পেয়েছে খামার, আগের বছর ১২.১

ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল জানায়, ২০২৪ সালে দেশে উৎপাদিত খাবারে ব্যয় করা প্রতি ডলারের ১১.৮ সেন্ট পেয়েছে মার্কিন খামার, ২০২৩ সালে যা ছিল ১২.১ সেন্ট; বাকি ৮৮.২ সেন্ট গেছে খামার-পরবর্তী বিপণন ব্যয়ে।

২০২৪ সালে মার্কিন ফুড ডলারের ১১.৮ সেন্ট পেয়েছে খামার, আগের বছর ১২.১
এগ্রোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রে খাবারের পেছনে ভোক্তার খরচ করা ডলারে কৃষকের অংশ ২০২৪ সালে আরও কমেছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ইআরএস) ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল প্রকাশিত এক চার্ট অব নোটে জানায়, ২০২৪ সালে মুদি দোকান ও রেস্তোরাঁর মতো জায়গায় বিক্রি হওয়া দেশে উৎপাদিত খাবারে ব্যয় করা প্রতি ডলারের ১১.৮ সেন্ট পেয়েছে দেশটির খামার প্রতিষ্ঠানগুলো। একই সংশোধিত হিসাবে ২০২৩ সালে খামারের অংশ ছিল ১২.১ সেন্ট। ইআরএসের ভাষায়, ভোক্তার খরচের মোটামুটি আট ভাগের এক ভাগ খামারে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালের ফুড ডলারের বাকি ৮৮.২ সেন্ট বিপণনের অংশ। এই অর্থ খামারের পরের ধাপগুলোর খরচ মেটায়: খাবার পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভোক্তার কাছে বিক্রি। চার্টটি তৈরি করেছেন ইআরএসের অর্থনীতিবিদ কুইন্টন বেকার ও জেমস চ্যান্ডলার জাকারি।

ফুড ডলার কী মাপে


ইআরএস ২০১১ সালে ফুড ডলার সিরিজ চালু করে, ভোক্তারা খাবারে যে অর্থ খরচ করেন তা সরবরাহ শৃঙ্খলের কোথায় যায় তা বিশ্লেষণের জন্য। সব মার্কিন খাদ্য ব্যয়কে একটি ডলারের এককে দেখানো হয়, ফলে ভিন্ন খাবার ও ভিন্ন বছরের তুলনা সহজ হয়। হিসাবটি ইনপুট-আউটপুট বিশ্লেষণের ওপর দাঁড়ানো এবং মূলত মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিসের (বিইএ) জাতীয় ইনপুট-আউটপুট সারণি থেকে তৈরি ইআরএসের অ্যাগ্রি-ফুড ইকোনমিক ডেটা সিস্টেম ব্যবহার করে।

এর একটি অংশ মার্কেটিং বিল, যা প্রতিটি খাদ্য ডলারকে দুই ভাগে ভাগ করে: খামারের অংশ, অর্থাৎ খামারের পণ্যের মূল্য; আর বিপণনের অংশ, যা ১০০ সেন্ট থেকে খামারের অংশ বাদ দিয়ে পাওয়া যায়। ইআরএসের আরও দুটি হিসাব আছে: ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ বিল, যা খরচকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পাইকারি, খুচরা ও খাদ্যসেবার মতো শিল্প গোষ্ঠীতে ভাগ করে; এবং প্রাইমারি ফ্যাক্টর বিল, যা দেখায় মূল্যের কতটা বেতন-ভাতা, সম্পত্তি থেকে আয়, কর ও আমদানিতে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মন্টগোমারি কাউন্টিতে ভুট্টা কাটা। ছবি: Tim McCabe, USDA Natural Resources Conservation Service / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের মন্টগোমারি কাউন্টিতে ভুট্টা কাটা। ছবি: Tim McCabe, USDA Natural Resources Conservation Service / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

বাইরে খাওয়া বাড়ায় খামারের অংশ কমছে


ইআরএস বলছে, খামারের অংশে দীর্ঘমেয়াদি নিম্নমুখী প্রবণতার একটি কারণ রেস্তোরাঁর খাবারের মতো বাইরে খাওয়ার খাবারে ব্যয়ের অনুপাত বাড়তে থাকা। এ ধরনের খাবারে খাবার তৈরি ও পরিবেশনের বাড়তি খরচ যুক্ত হয়, তাই এতে বিপণনের অংশ বেশি থাকে। ফুড ডলারে ঘরে খাওয়ার খাবার, যেমন বেকারি পণ্য, আর বাইরে খাওয়ার খাবার, যেমন রেস্তোরাঁর খাবার, আলাদা হিসাবে দেখানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডারহামে এলমো'স ডাইনার রেস্তোরাঁর মূল খাবার ঘর। ছবি: Ildar Sagdejev (Specious) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডারহামে এলমো'স ডাইনার রেস্তোরাঁর মূল খাবার ঘর। ছবি: Ildar Sagdejev (Specious) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

নতুন মডেলে নতুন ভিত্তিরেখা


চার্টের সব সংখ্যা, ২০২৩ সালের অংশসহ, ২০২৬ সালে সংশোধিত ফুড ডলার মডেল থেকে এসেছে। পদ্ধতি ও তথ্যসূত্র দুটিতেই পরিবর্তনের কারণে ইআরএস ২০০৭ সাল থেকে পুরো তথ্য নতুন করে হিসাব করেছে। সংশোধনের বিবরণ রয়েছে ২০২৬ সালের ৩ মার্চ প্রকাশিত ইআরএস প্রতিবেদন A More Detailed Food Dollar: Enhanced Accounting of U.S. Food Costs (ইআরআর-৩৫৭)-এ, আর তথ্য রয়েছে ১০ মার্চ হালনাগাদ করা ফুড ডলার ডেটা প্রোডাক্টে, যাতে ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের তথ্য আছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরোনো মডেলে ১৬টি সারণি ছিল, যার মাত্র ৬টি প্রতি বছর হালনাগাদ হতো; নতুন মডেলে খাদ্য ও পানীয়ের খরচ বণ্টনের ৪৭টি বার্ষিক সারণি আছে। নতুন পদ্ধতি খামার থেকে খামারে হওয়া লেনদেনের মূল্য সরাসরি বাদ দেয়, কারণ তা খামারের প্রাপ্তিকে বাড়িয়ে দেখায়। নতুন হিসাবে বাইরে খাওয়ার খাবারে খামারের অংশ বেড়েছে আর ঘরে খাওয়ার খাবারে কমেছে; পাইকারি অংশ প্রতি ডলারে প্রায় ৫ সেন্ট কমেছে। পুরোনো মডেলে ২০২৩ সালে খামারের অংশ ছিল ১৫.৯ সেন্ট, তাই আগের প্রকাশনার সংখ্যার সঙ্গে নতুন সংখ্যা সরাসরি তুলনীয় নয়।

একটি পাইকারি খাদ্য সরবরাহকারীর হয়ে কাজ করা রেফ্রিজারেটেড ট্রাক। ছবি: Mr.choppers / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
একটি পাইকারি খাদ্য সরবরাহকারীর হয়ে কাজ করা রেফ্রিজারেটেড ট্রাক। ছবি: Mr.choppers / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

চাষিদের কাছে খামারের অংশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ভোক্তারা খাবারের জন্য যা দেন, তার কতটা খামারের গেট পর্যন্ত পৌঁছায় তা এখানে দেখা যায়। এই প্রকাশনা সংশোধিত মডেলে সেই হিসাবের নতুন ভিত্তিরেখা দিল।

ছবি: Alabama Extension / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)

সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (চার্ট অব নোট), ইআরএস প্রতিবেদন ইআরআর-৩৫৭, ইআরএস ফুড ডলার ডেটা প্রোডাক্ট ও ডকুমেন্টেশন, ইআরএস অ্যাম্বার ওয়েভস

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কক্সবাজারের ১,৪৬৬ চিংড়ি মহাল সচল করতে উদ্যোগ, পুনর্গঠন হচ্ছে কমিটি

সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চিংড়ি মহাল কমিটি পুনর্গঠন, নতুন খাজনা নির্ধারণ, আগের অপরিশোধিত সুদ মওকুফ এবং বেলার রিটে ২০১২-১৩ থেকে স্থগিত কক্সবাজারের ১ হাজার ৪৬৬টি চিংড়ি মহাল সচল করতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রতিদিনের সংবাদ৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

সারে অনিয়মে ডিলারশিপ বাতিল, জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী

রবি মৌসুমের সার সরবরাহ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও ডিএইর উপপরিচালকদের সঙ্গে সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অনিয়ম বা কৃষক হয়রানিতে নতুন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল হবে; প্রতিটি দোকানে দাম ও মজুতের তালিকা টাঙাতে হবে এবং সীমান্তে পাচার ঠেকাতে কড়া নজরদারি লাগবে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

এক বাড়ির শিম চাষ এখন ২০ পরিবারের আয়, সুন্দরগঞ্জের জরমনদী গ্রামে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের জরমনদী গ্রামে প্রায় ১৬ বছর আগে নাটোর থেকে আনা পুঁটি জাতের বীজে শুরু হওয়া শিম চাষ এখন অন্তত ২০ পরিবারের প্রায় ৩৫ বিঘায়; পাইকারিতে কেজি ৫০ টাকা, তবে উপকরণের দাম বাড়ায় লাভ কমছে।

সমকাল৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)