শীত আসার আগেই খেজুরের রস সংগ্রহের প্রস্তুতিতে নেমেছেন মাগুরার গাছিরা। গাছ পরিষ্কার করা, ডালপালা ছাঁটা আর গাছ চাঁছার কাজে এখন তাঁদের ব্যস্ত সময় কাটছে। শীত বাড়লে রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির কাজ পুরোদমে শুরু হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
খেজুরের রস ও পাটালি গুড়ের জন্য মাগুরার পরিচিতি পুরোনো। শীতের পিঠাপুলির সঙ্গে এ অঞ্চলের রস আর গুড়ের স্বাদ জড়িয়ে আছে।
বড়বিল এলাকার গাছি দাউদ মিয়া প্রায় ২০ বছর ধরে রস ও গুড় বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি বলেন, খেজুরগাছ কমে যাওয়ায় রস সংগ্রহের সুযোগ কমেছে, অথচ জ্বালানি ও অন্য উপকরণের দাম বেড়েছে। সাত সদস্যের পরিবার চালাতে তাই হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রযুক্তিগত সুবিধা পেলে কাজটা আরও সহজ হতো বলে মনে করেন তিনি।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মঞ্জু শেখের ভাষ্য, ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের কারণে খেজুরগাছ দিন দিন কমছে। একসময় শীতের সকালে গাছিরা গ্রামে গ্রামে রস বিক্রি করতেন। গুড় তৈরি ও বাজারজাত করেও অনেকে জীবিকা চালান।
স্থানীয়দের মতে, খেজুরগাছ রক্ষা এবং গাছিদের কাজ সহজ করার মতো সহায়তা পেলে এই পেশা টিকে থাকবে, গ্রামের অর্থনীতিতেও তার সুফল মিলবে।
ছবি: বাংলাদেশে খেজুরগাছ থেকে রস সংগ্রহ, Azaman666 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪





মন্তব্য
(০)