দক্ষিণ আফ্রিকায় ছাগল পালন ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত, আর ছাগলের মাংসের বেশির ভাগ বেচাকেনা এখনো অনানুষ্ঠানিক বাজারে। বুহলেবেনকোসি এমবাথা একে মূলধারার বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করার চেষ্টা করছেন, জানিয়েছে ফুড ফর মজানসি।
কৃষি পটভূমি ছাড়াই প্রিটোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এমবাথা ২০১৮ সালে বেকার অবস্থায় কোয়াজুলু-নাতালের উলুন্ডিতে নিজের বাড়িতে পাঁচটি দেশি ছাগল কেনেন, এক সম্মেলনে ড. বান্দিলে এমখিজের বক্তব্য শুনে আগ্রহী হয়ে। পরে সরকারি সহায়তার এক কর্মসূচিতে কালাহারি রেড জাতের ছাগল পালন শেখেন, অন্য খামারিদের প্রশিক্ষণ দেন, এবং ২০২২ সালে ইনকোসো গোট মিট শুরু করেন।
এখন তিনি নিজে পালনের চেয়ে মূল্যশৃঙ্খল সমন্বয়ে বেশি মন দেন। ইনকোসো কাখাজা গোট ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বয়স ও জাত দেখে প্রজননের জন্য নয় বরং খাওয়ার জন্য রাখা ছাগল কেনে, নিজেদের নিয়মে বাণিজ্যিক ও ছোট কসাইখানায় জবাই করায়, আর মাংস কাটা ও প্যাকেট করে নিজেরা। পুরো দেহ, স্টু, চপ, কিমা, সসেজ ও কলিজাসহ নানা পণ্য বিক্রি করে, ছাগলের মাংসের সালামি ও শুঁটকি মাংস নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে, চামড়া বিক্রি করে ট্যানারিতে।
গাউতেংয়ের জ্যাকসন্স রিয়েল ফুড মার্কেট ও ফুড লাভার্স মার্কেট, রেস্তোরাঁ, কসাইয়ের দোকান, হোটেল ও ক্যাটারাররা এর ক্রেতা; কোয়াজুলু-নাতাল ও এমপুমালাঙ্গায় বিক্রেতা নেটওয়ার্ক আছে, আরও প্রদেশে হচ্ছে। এমবাথা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক আমদানিকারকের মাধ্যমে দুবাইয়ে রপ্তানির চুক্তিও হয়েছে, যার নাম গোপনীয়তার চুক্তির কারণে প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাঁর লক্ষ্য, ছাগলচাষিরা যেন বাণিজ্যিক সরবরাহকারী হিসেবে গুরুত্ব পান।
ছবি: Grace789 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Food for Mzansi





মন্তব্য
(০)