পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট, দেউলটি ও কেশাপাটসহ জেলার ফুলবাজারগুলোতে এবার ফুলের জোগান ভালো, দামও মধ্যবিত্তের নাগালে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন বাজারে ভিড় থাকলেও ক্রেতাদের পকেটে খুব বেশি টান পড়ছে না, আর উৎপাদিত ফুল বিক্রি হয়ে যাওয়ায় খুশি চাষিরাও।
সারা বাংলা ফুলচাষি ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণচন্দ্র নায়েক বলেন, চলতি বছরে ফুলচাষের জেলাগুলোতে তেমন বন্যা হয়নি, তাই মৌসুমে উৎপাদন ভালো হয়েছে; বাজারে জোগান থাকায় দামও নিয়ন্ত্রণে। দুর্গাপুজোর সময় পদ্ম ছাড়া অন্য ফুলের দাম কিছুটা বেশি ছিল, এখন সেই চাপ অনেকটা কমেছে।
ব্যবসায়ীদের হিসাবে, একটি টাটকা পদ্ম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১২ রুপিতে। রজনীগন্ধার ঝুরো ফুল কেজি প্রায় ৪০০ রুপি, ২৪টি স্টিকের বান্ডিল ২৫০ রুপি। একটি গোলাপ সাড়ে ৩ রুপি, অপরাজিতা কেজি ৬০ থেকে ৭০ এবং দোপাটি ৪০ থেকে ৫০ রুপি।
লাল গাঁদার ঝুরো ফুল কেজি ৬০ থেকে ৭০ রুপি, বাসন্তী গাঁদা ১০০ থেকে ১২০ রুপি। তিন ফুটের একটি লাল গাঁদার মালা ১০ থেকে ১২ রুপি, একই মাপের বাসন্তী গাঁদার মালা ১৫ থেকে ১৮ রুপি।
দেউলটি বাজারের ব্যবসায়ী গণেশ মাইতি এবং কোলাঘাট ফুলবাজারের বিশ্বজিৎ নায়েক ও আনন্দ সামন্ত জানান, জোগান ভালো থাকায় বিক্রিও সন্তোষজনক; ফুল ফেলে দিতে হচ্ছে না। বাজারে এনে ফুল বিক্রি না হলে চাষির লোকসানের ঝুঁকি থাকে, এবার সেই দুশ্চিন্তা অনেক কম। ক্রেতা বিমল সামন্ত বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা কম।
প্রতিবেদনটি এই সময়ের রহিত পরামানিকের।
ছবি: হাওড়া সেতুর পাশের ফুলবাজার, Goutam1962 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); প্রতীকী ছবি
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)