সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কেশবপুরের বাজারে দিনে ৫-৬ কোটি টাকার মাছ, যাচ্ছে ২৫ জেলায়

যশোরের কেশবপুরে দিনে প্রায় ৩৩৩ টন মাছ বেচাকেনা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার ৩৭,৬৩১ টন উৎপাদনের ৩০,৩৮১ টন গেছে বাইরে; তবু রাস্তা, পানি ও ডিজিটাল ওজনের অভাবে ভুগছেন ব্যবসায়ী-শ্রমিকেরা।

কেশবপুরের বাজারে দিনে ৫-৬ কোটি টাকার মাছ, যাচ্ছে ২৫ জেলায়
মৎস্য

যশোরের কেশবপুরে প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার মাছ কেনাবেচা হয়। দৈনিক প্রায় ৩৩৩ টন মাছের এই বাজার দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বড় মৎস্য বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে উঠেছে, যেখান থেকে দেশের প্রায় ২৫টি জেলায় মাছ যায়, ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে ভারতেও যায়। বাজারকে ঘিরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় এক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাসের দেওয়া তথ্যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কেশবপুরে ৩৭ হাজার ৬৩১ টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা ৭ হাজার ২৫০ টন মেটানোর পর প্রায় ৩০ হাজার ৩৮১ টন মাছ বিভিন্ন জেলা ও দেশের বাইরে গেছে। তিনি বলেন, কেশবপুরের অর্থনীতি অনেকাংশে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল, আড়তের শ্রমিক পরিবারগুলোও।

ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে ২৭টি আড়ত ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে, যা প্রায় ৬০ জন অংশীদার চালান; প্রতিদিন মাছ পরিবহনে লাগে প্রায় ১৫টি ট্রাক। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় সিলভার কার্প, তেলাপিয়া, মৃগেল, রুই, ব্ল্যাক কার্প ও গ্রাস কার্প। দেশের নানা জায়গায় সরবরাহের পাশাপাশি মৌলভীবাজারের মাছের মেলাতেও অংশ নেন কেশবপুরের ব্যবসায়ীরা।

এত বড় বাণিজ্যের মধ্যেও অবকাঠামোর সংকটে ক্ষোভ আছে। শ্রমিক আলআমিন ও ইমরান জানান, আড়তের আশপাশের রাস্তা দীর্ঘদিন ব্যবহারে বেহাল, মাছ ওঠানো-নামানো ও পরিবহনে সমস্যা হয়, বৃষ্টিতে ভোগান্তি বাড়ে। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা না থাকায় তাঁদের ট্যাংকির পানি খেতে হয়।

কেশবপুর মাছ বাজারের সেক্রেটারি আব্দুল হান্নান বিশ্বাস বলেন, বাজারের গুরুত্ব অনেক বাড়লেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। রাস্তা সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা, শ্রমিকদের জন্য বিশুদ্ধ পানি আর ডিজিটাল ওজনব্যবস্থা চালু হলে বেচাকেনায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং মাছচাষি, ক্রেতা, বিক্রেতা ও শ্রমিক সবাই উপকৃত হবেন বলে তিনি মনে করেন।

ঘেরমালিক কিরামত গাজী বলেন, এখানকার মাছ দেশের নানা অঞ্চলে যাচ্ছে, আর উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে আরও উন্নত ব্যবস্থা হলে খাতটির সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়বে। প্রতিবেদনটি ঢাকা মেইলের যশোর জেলা প্রতিনিধির।

ছবি: Rmrony / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: ঢাকা মেইল

ঢাকা মেইলসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

মাছ ও প্রাণিসম্পদে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার ঠেকানোর তাগিদ মন্ত্রীর

খাবারের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ মানবদেহে ঢুকে এএমআরের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে ৪৫তম বিসিএসের নবীন মৎস্য ও পশুসম্পদ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছেন মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

ডেইলি বাংলাদেশ২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

মেঘনায় ধরা পড়া সাড়ে ১২ কেজির পাঙ্গাস নিলামে বিক্রি ৯,১০০ টাকায়

ভোলা সদরের কাচিয়ার জেলে মাকসুদ মাঝির জালে ওঠা প্রায় ১২ কেজি ৭০০ গ্রামের পাঙ্গাসটি তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে নিলামে কিনেছেন আড়তদার কামাল ব্যাপারী।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

নিষেধাজ্ঞার পরদিনই বাজারে শত মণ পচা ইলিশ: দায় খোঁজার আহ্বান অধ্যাপক ফখরুল ইসলামের

জাগো নিউজে প্রফেসর ড. মো. ফখরুল ইসলাম লিখেছেন, ফেনীর বাজারে পচা ইলিশের উৎস, মজুতের জায়গা আর পচনের কারণ তথ্য দিয়ে যাচাই করতে হবে, অনুমাননির্ভর দোষারোপ নয়।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)