চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট আমবাজার প্রতিবছর সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়ে যায়। এবার অক্টোবরের শেষেও বাজার বসছে, আম কেনাবেচা চলছে। চাষিরা নানা নাবি জাতের আম চাষ করায় পর্যায়ক্রমে বাজারে আম আসছে, আর তাতে বাজারটি বারোমাসি হয়ে উঠছে বলে চাষিদের ধারণা।
ভবানীপুর গ্রামের চাষি আব্দুল করিম ১০ ক্যারেট বা পাঁচ মণ আশ্বিনা আম নিয়ে এসেছেন। দাম চেয়েছেন মণপ্রতি ১০ হাজার ৫০০ টাকা, ক্রেতা বলেছেন ৯ হাজার; ১০ হাজারের নিচে বেচবেন না তিনি। তাঁর বাগানে আরও ৩০ ক্যারেট আশ্বিনা আছে, যা অন্তত ১৫ দিন চলবে। তাঁর বাগানে বছরে তিনবার আশ্বিনা ধরে, আর মৌসুমে যে দাম পান, এখন পান তার চেয়ে বেশি।
গোমস্তাপুরের চাষি আকবর আলী এনেছেন হিমসাগর ও কল্যাণভোগের সাত ক্যারেট আম। মণপ্রতি চেয়েছেন ২০ হাজার টাকা, ক্রেতা বলেছেন ১৬ হাজার; ১৮ হাজারের নিচে ছাড়বেন না। তাঁর ১৬ বিঘার বাগানে নানা জাতের আম মৌসুমের বাইরেও ধরছে, আরও এক মাস বিক্রি চলবে বলে জানান তিনি।
আগে এ সময় বাজারে থাকত নিরবতা; এখন চাষিরা অল্প অল্প করে নাবি আম আনছেন, ব্যাপারীরাও আসছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর অনেক চাষি এখন বারোমাসিসহ নানা জাতের আম চাষ করে অসময়ে বিক্রি করছেন; এসব আম বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন কৃষি সময়ের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা।
ছবি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর বাজারে ঝুড়িভর্তি আম, Ferdous / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: কৃষি সময়




মন্তব্য
(০)