সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৮%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

রবি মৌসুমের ভর্তুকি হার ঘোষণায় দেরি, বিশ্ববাজারে ডিএপির দাম টনপ্রতি ৯০০ ডলারের কাছে

ডিএপি সারের সবচেয়ে বেশি চাহিদার সময় ঘনিয়ে এলেও ভারত এখনো রবি মৌসুমের পুষ্টিভিত্তিক ভর্তুকি হার ঘোষণা করেনি। শিল্প সূত্র বলছে, এতে আমদানি থমকে আছে, আর সালফার সংকটে কারখানাগুলো পুরো ক্ষমতায় চলছে না।

রবি মৌসুমের ভর্তুকি হার ঘোষণায় দেরি, বিশ্ববাজারে ডিএপির দাম টনপ্রতি ৯০০ ডলারের কাছে
এগ্রোবিজ

অক্টোবর ২০২৬ থেকে মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত চলা রবি মৌসুমের জন্য ভারত এখনো পুষ্টিভিত্তিক ভর্তুকি (এনবিএস) হার ঘোষণা করেনি, অথচ ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট বা ডিএপি সারের সবচেয়ে বেশি ব্যবহারের সময় দরজায়। সার শিল্পের সূত্রগুলোর দাবি, প্রতি মৌসুমে আলাদা করে হার ঠিক করার এই চর্চাই বিশ্ববাজারে ডিএপির দাম চড়া রাখতে ভূমিকা রাখছে।

ডিএপির বেশির ভাগ ব্যবহার হয় ১৫ নভেম্বরের মধ্যে, আর গম, আলু ও সরিষার মতো প্রধান রবি ফসলের বপন নভেম্বরের শেষ নাগাদ মূলত শেষ হয়ে যায়। ভর্তুকির হার না জানায় আমদানিকারকেরা বুঝতে পারছেন না সরকার তাঁদের খরচের কতটা দেবে, তাই কেনাকাটার সিদ্ধান্ত আটকে আছে। কয়েক মাস ধরে বিশ্ববাজারে ডিএপির দাম টনপ্রতি প্রায় ৯০০ ডলারে স্থির।

চার বছর ধরে সরকার ৫০ কেজির এক বস্তা ডিএপির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১,৩৫০ রুপিতে বেঁধে রেখেছে, তাই আমদানিকারকেরা পুরো খরচ সরকার পুষিয়ে দেবে, এই ভরসায় থাকেন। শিল্প সূত্র জানায়, সহায়তার পরিমাণ নিয়ে অনিশ্চয়তায় কোম্পানিগুলোকে কখনো কখনো লোকসান গুনতে হয়েছে। বছরে একবার হার ঘোষণা হলে তারা আগেভাগে কেনার পরিকল্পনা করতে পারত, বিশ্ববাজারে ভারতের দর-কষাকষির অবস্থানও শক্ত হতে পারত।

ভারত বছরে প্রায় এক কোটি টন ডিএপি ব্যবহার করে। এর প্রায় ৪০ শতাংশ দেশে তৈরি হয়, তবে দেশি কারখানাও আমদানি করা কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল; বাকিটা আসে তৈরি ডিএপি হিসেবে। রবি মৌসুমেই লাগে প্রায় ৫৫ লাখ টন। হার ঘোষণায় দেরিতে বেসরকারি আমদানিকারকেরা পিছিয়ে আছেন, এখন পর্যন্ত বেশির ভাগ আমদানি করেছে ন্যাশনাল ফার্টিলাইজার্স লিমিটেড ও হিন্দুস্তান উর্বরক অ্যান্ড রসায়ন লিমিটেডের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সার সমবায়গুলো।

ডিএপি ও মিশ্র সার তৈরির মূল কাঁচামাল সালফারের ঘাটতিও উৎপাদন সীমিত করছে। সালফারের দাম সামান্য কমে টনপ্রতি ৯০০ ডলারের নিচে নামলেও সরবরাহের টান কাটেনি; কয়েকটি কারখানা স্থাপিত ক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশে চলছে বলে জানা গেছে। শিল্প সূত্র এই ঘাটতির জন্য উপসাগরীয় অঞ্চল ও রাশিয়ার শোধনাগারের ক্ষতিকে দায়ী করছে, যেগুলো ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বের সালফারের বড় অংশ জোগায়।

দুর্বল বর্ষা আর দীর্ঘ শুষ্ক সময়ে এ বছর ডিএপি, ইউরিয়া ও মিশ্র সার মিলিয়ে ব্যবহার প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে, তাই আপাতত ডিএপির সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাবে জোগান বাড়াতে পূর্ব উপকূলের কাকিনাড়া বন্দর থেকে রেলে ডিএপি পাঠানো হচ্ছে। শিল্প সূত্রের মতে, সার বিক্রি নিয়ন্ত্রণে রাজ্যগুলোর অনলাইন ব্যবস্থায় কৃষকেরা সময়মতো সার পেতে ভুগছেন। আর এনপিকে মিশ্র সারের বস্তা এখন ২,৪০০ থেকে ২,৪৫০ রুপি, ডিএপির ১,৩৫০ রুপি; দামের এই ফারাক সার ব্যবহারে ভারসাম্য নষ্ট করছে।

রুরাল ভয়েসের পক্ষে প্রতিবেদনটি লিখেছেন অজিত সিং।

ছবি: Suyash Dwivedi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: Rural Voice

Rural Voiceসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

জৈব সারে লাউয়ের বাম্পার ফলন, তবু আড়তে ৭-৮ টাকায় বিক্রি নীলফামারীর কৃষকের

লক্ষ্মীচাপের দুবাছুরী মিয়াপাড়ায় ২৪ শতক জমিতে চার জাতের লাউ চাষ করে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টি তুলছেন সুধীর চন্দ্র রায়; ঢাকায় যে লাউয়ের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা, স্থানীয় আড়তে তা বিকোচ্ছে সাত-আট টাকায়।

দিনাজপুর টিভি২৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ভারতের উৎপাদন শঙ্কা আর চাহিদায় এশিয়ার বাজারে বাড়ছে চালের দাম

ভারতে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সেদ্ধ চাল টনপ্রতি ৩৮৭ থেকে ৩৯২ ডলার, ভিয়েতনামে দুই মাসের সর্বোচ্চ ৪৪০ থেকে ৪৫০ ডলার আর থাইল্যান্ডে ৪৮০ ডলারে উঠেছে; ভারতে প্রায় এক দশকে প্রথমবার উৎপাদন কমার আশঙ্কা।

নিউজবাংলা ২৪২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রের লাল মাটিতে মিয়াওয়াকি পদ্ধতির বন, সাপাহারে ৫৫ শতাংশ জমিতে ২,৭০০ গাছ

নওগাঁর সাপাহারে জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানা তাঁর বরেন্দ্র এগ্রো পার্কে জাপানি উদ্ভিদবিদ আকিরা মিয়াওয়াকির পদ্ধতিতে দেশি গাছের ঘন বন গড়েছেন; উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় এটিই প্রথম বলে তাঁর দাবি।

বাংলা ট্রিবিউন২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)