সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৪°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

কত প্রজাতি নয়, কোন প্রজাতির গাছ: বনের টিকে থাকা নির্ভর করে বাছাইয়ে

অ্যাশ, ওক, স্কটস পাইন ও সিটকা স্প্রুস নিয়ে জেমস হাটন ইনস্টিটিউটের গবেষণা বলছে, সঠিক গাছের মিশ্রণে নির্ভরশীল প্রজাতির ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত টিকে থাকে, ভুল মিশ্রণে মাত্র ১ শতাংশ।

কত প্রজাতি নয়, কোন প্রজাতির গাছ: বনের টিকে থাকা নির্ভর করে বাছাইয়ে
পরিবেশ

জলবায়ু পরিবর্তন, পোকা ও রোগের বিরুদ্ধে বনকে টেকসই করতে বেশি প্রজাতির গাছ লাগানোর কথাই সাধারণত বলা হয়। কিন্তু স্কটল্যান্ডের জেমস হাটন ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বে নতুন এক গবেষণা বলছে, মিশ্রণে কতগুলো প্রজাতি আছে তার চেয়ে কোন প্রজাতি আছে, সেটাই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব বার্ডস (আরএসপিবি), রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন এডিনবার্গ ও একজন স্বাধীন পরামর্শকের সঙ্গে মিলে গবেষকেরা যুক্তরাজ্যের চারটি সাধারণ বনগাছ নিয়ে কাজ করেন: অ্যাশ, ওক, স্কটস পাইন ও সিটকা স্প্রুস। আগের গবেষণার তথ্য ব্যবহার করে তাঁরা প্রতিটি গাছের সঙ্গে যুক্ত প্রজাতিগুলোর তালিকা করেন এবং দেখেন, সেগুলো আশ্রয় বা খাবারের জন্য অন্য গাছও ব্যবহার করতে পারে কি না।

এরপর তাঁরা দুটি কাল্পনিক বনের মডেল তৈরি করেন। সেরা ক্ষেত্রে প্রতিটি নতুন গাছ সবচেয়ে বেশি বাড়তি প্রজাতিকে আশ্রয় দেয়, আর সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে প্রায় কাউকেই নয়। সেরা মিশ্রণে কোনো আশ্রয়দাতা গাছ কমে গেলেও একক গাছের ওপর পুরো নির্ভরশীল নয় এমন প্রজাতির ৭৭ থেকে ৯৪ শতাংশ টিকে থাকতে পারে। খারাপ মিশ্রণে এই হার নেমে আসে ১ থেকে ১১ শতাংশে।

গবেষণার প্রধান লেখক, বনভূমি পরিবেশবিদ রুথ মিচেল বলেন, "আমরা সাধারণত ধরে নিই, গাছের বৈচিত্র্য থাকলেই জীববৈচিত্র্য টিকে থাকবে। কিন্তু এই গবেষণা দেখাচ্ছে, তা সবসময় সত্য নয়।"

আরএসপিবির জ্যেষ্ঠ সংরক্ষণ বিজ্ঞানী পল বেলামি বলেন, রোগ, খরা বা ঝড়ে নষ্ট হওয়া গাছের জায়গায় কী লাগানো হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বন ব্যবস্থাপকদের বুঝতে হবে তাঁদের বাছাই বনের প্রাণবৈচিত্র্যে কী প্রভাব ফেলে। গবেষণাটি কোয়ার্টারলি জার্নাল অব ফরেস্ট্রিতে প্রকাশিত হয়েছে, বৃক্ষবৈচিত্র্য বাড়িয়ে বনকে টেকসই করার প্রকল্প ডাইভার্সিট্রির অংশ হিসেবে।

অ্যাশ গাছের রোগ বা ঝড়ের ক্ষতির পর যাঁরা নতুন করে গাছ লাগাচ্ছেন, তাঁদের জন্য শিক্ষাটি সরাসরি: শুধু গাছের সংখ্যা নয়, কোন গাছ লাগানো হচ্ছে তা-ই ঠিক করে পরের বিপর্যয়ে বনের কতটা প্রাণ টিকে থাকবে।

ছবি: Jonathan Kington / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: Global Agriculture

গ্লোবাল এগ্রিকালচারসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ছায়াগাছ লাগাতে কোকোচাষির চাই অর্থায়ন ও বাজার: কোত দিভোয়ার ও গিনির কর্মশালা

আবিদজান ও কোনাক্রিতে ৭১ জন অংশীজনকে নিয়ে সিজিআইএআর গবেষকদের দুটি জাতীয় কর্মশালা দেখিয়েছে, কোকোচাষি কৃষিবনায়ন গ্রহণ করতে পারবেন কি না, তা ঠিক করে অর্থায়ন, বাজার, পরামর্শ আর গাছের ওপর নিশ্চিত অধিকার।

CGIAR২৪ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফসল

হেমন্তেও তিস্তার ভাঙন, কাঁচা আমন কেটে গরুকে খাওয়াচ্ছেন কৃষক

লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা ও রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙনে এক সপ্তাহে ২৭ পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন, উঠতি আমনসহ অন্তত ৫০ একর ফসলি জমি নদীতে; জমি হারানোর আগে সাড়ে ১৭ বিঘার কাঁচা ধান কেটে গরুকে খাওয়াচ্ছেন কৃষকেরা।

বাংলা ট্রিবিউন২৪ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বিশ্বের ৯৬ শতাংশ অগভীর প্রবাল প্রাচীর চরম বিপন্ন, ২০৭৫ সালের মধ্যে ধসের ঝুঁকি

আইইউসিএনের নতুন বৈশ্বিক মূল্যায়নে ১২৭টি প্রবাল ব্যবস্থার ৯৬ শতাংশ চরম বিপন্ন; আগামী ৫০ বছরে প্রায় সব অগভীর প্রবাল প্রাচীর ধসে পড়তে পারে, বড় কারণ জলবায়ু পরিবর্তনে সাগরের উষ্ণতা ও ব্লিচিং।

বাংলা ট্রিবিউন২৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)