সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

অভিযানের ট্রলার চালকের নেতৃত্বে ইলিশ শিকার!

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে চলছে অবাধে মা ইলিশ নিধন। মৎস্য অধিদপ্তর যে ট্রলারের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে, সেই ট্রলারের চালকের নেতৃত্বে টাকার বিনিময়ে জেলেদের মাছ ধরতে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে চলছে অবাধে মা ইলিশ নিধন। মৎস্য অধিদপ্তর যে ট্রলারের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে, সেই ট্রলারের চালকের নেতৃত্বে টাকার বিনিময়ে জেলেদের মাছ ধরতে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে দেখা যায়, মাছ ধরার কয়েকশ ডিঙ্গি নৌকা ও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুরো নদী। অভিযোগ রয়েছে, ইলিশ রক্ষা অভিযান দলের মধ্যে থাকা কিছু অসাধু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করেই অবাধে ইলিশ শিকার করছেন জেলেরা। ওই অসাধু ব্যক্তিরা বিশেষ সুবিধা নিয়ে প্রশাসনের অভিযানে নামার খবর জেলেদের কাছে পৌঁছে দেন। এতে জেলেরা আগে থেকে সতর্ক হয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। অভিযানিক দল সরে গেলে পুনরায় নদীতে জাল নিয়ে নেমে পড়ছেন তারা। তবে নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যেসব জেলে মাছ শিকার করছেন, তাদের বেশিরভাগই মৌসুমি জেলে বলে দাবি করেছেন প্রকৃত জেলেরা।

ইলিশ মাছ ধরার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের একাধিক দল নদীতে অভিযান চালায়। এসব অভিযানে দ্রুতগতির ট্রলার ও স্পিডবোট ব্যবহার করা হয়। এসব ট্রলারের যারা মাঝি থাকেন তারাই জেলেদের কাছে অভিযানের সংবাদ পৌঁছে দেন। এমনকি অভিযানে থাকা মাঝিরা ইলিশ মাছ ধরা এবং বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

তাদেরই একজন নলছিটি মৎস্য অধিদপ্তরের ট্রলার চালক গৌতম ও ঝালকাঠি মৎস্য বিভাগের ট্রলারচালক সুমন মাঝি। তাদের ট্রলার নিয়ে মৎস্য কর্মকর্তা অভিযানে নামেন। অভিযোগ রয়েছে, গৌতম ও সুমন জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অভিযানে নামার সংবাদ জেলেদের কাছে আগাম ফাঁস করে দেন। গৌতম ইলিশ শিকার, বিক্রি ও পাচারের সঙ্গেও রয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রলারচালক গৌতম ও সুমন। তারা বলেন, 'আমাদের সঙ্গে মৎস্য কর্মকর্তারা থাকেন। আমরা কোনো জেলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে খবর দেই না। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।'

এ বিষয়ে নলছিটি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রমনী কুমার মিস্ত্রি বলেন, অভিযানে নামলে কারোর মোবাইল করার সুযোগ থাকে না।

দীর্ঘ ৫ বছর ধরে অভিযানে একই ট্রলারচালক রাখা হয়েছে কেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'গৌতমের ট্রলারের গতি বেশি হওয়ার কারণে তাকেই নেওয়া হয়।'

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ট্রলার চালকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়া হবে।

আতিকুর রহমান/এসআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন সাগরে থেকে ইলিশ ধরার অভিযোগ, চরফ্যাশনের ঘাটে পচা মাছের দুর্গন্ধ

নিষেধাজ্ঞা শেষে চরফ্যাশনের সামরাজ মৎস্যঘাটে ফেরা কিছু ট্রলারের ইলিশের বড় অংশ পচা; এক জেলে বলেন, ৮ অক্টোবরের আগেই সাগরে গিয়ে ২২ দিন মাছ ধরেছেন তাঁরা।

আজকের পত্রিকা১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

গাপ্পির চেয়ে বেশি মশার লার্ভা খায় দেশি তিন মাছ, গবেষণাগারের পরীক্ষায় ফল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরীক্ষায় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স দূষিত পানিতেও বিদেশি গাপ্পির চেয়ে অনেক বেশি কিউলেক্স ও এডিস মশার লার্ভা খেয়েছে।

প্রথম আলো১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)