২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ভোলার চরফ্যাশনের সামরাজ মৎস্যঘাটে কিছু ট্রলার পচা ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। অভিযোগ উঠেছে, নিষেধাজ্ঞার সময় গভীর সাগরে থেকে এসব মাছ ধরা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন বরফে রাখায় বড় একটি অংশ পচে গেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর থেকে ঘাটে একে একে ইলিশবোঝাই ট্রলার নোঙর করে। ঝুড়িভর্তি মাছ আড়তে নেওয়া হয়, কিছু ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠাতে গাড়িতে তোলা হয়। এর মধ্যেই পুরো ঘাটে পচা মাছের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, নিষেধাজ্ঞার খবর পেয়ে ৮ অক্টোবরের আগেই বরফ, তেল ও খাবার নিয়ে তাঁরা গভীর সাগরে যান এবং নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন সেখানে থেকে মাছ ধরেন। দীর্ঘদিন বরফে রাখায় প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মাছ পচে গেছে। ঘাটের কয়েকজন আড়তদারও বলেন, এসব মাছ নিষেধাজ্ঞার সময়ে সাগরে ধরা।
সামরাজ মৎস্যঘাটের সভাপতি আজিজ বলেন, প্রশাসনের উদাসীনতায় কিছু জেলে সাগরে গিয়ে মাছ ধরেছেন, এ ব্যাপারে আরও কঠোর হওয়া দরকার ছিল। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, কিছু অসাধু জেলে গোপনে সাগরে যেতে পারেন; নিষেধাজ্ঞার সময় সাগরে নজরদারির দায়িত্ব কোস্টগার্ডের।
এদিকে চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছবাজারে পচা ইলিশ বিক্রির জন্য রাখায় এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জব্দ মাছ ধ্বংস করা হয়েছে। আর শনিবার মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে জাটকা ধরায় আট মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে, চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।
প্রতিবেদন: আজকের পত্রিকা, চরফ্যাশন (ভোলা) ও চাঁদপুর প্রতিনিধি।
ছবি: Gouriband / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: আজকের পত্রিকা





মন্তব্য
(০)