সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬১%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

দেশের ৫০০ কেজি রূপবান শিম যাচ্ছে ইতালি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় উৎপাদিত রূপবান শিম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের দেশ ইতালিতে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা ও সম্মান বৃদ্ধির কাজ করছেন সীতাকুণ্ডের কৃষকেরা। এ উপজেলায় আগাম রূপবান শিমে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় উৎপাদিত রূপবান শিম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের দেশ ইতালিতে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা ও সম্মান বৃদ্ধির কাজ করছেন সীতাকুণ্ডের কৃষকেরা। এ উপজেলায় আগাম রূপবান শিমে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

উপজেলার চাষিরা বলছেন, 'কষ্টের ফসল আকাশপথ হয়ে ইউরোপের দেশ ইতালির মাটিতে যাচ্ছে, এটি আমাদের জন্য অনেক আনন্দের এবং গর্বের।'

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, প্রথমবারের মতো সীতাকুণ্ডের রূপবান শিম ইতালির মাটিতে। এটি কৃষকের বড় সফলতা। চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে এবার শীতকালীন শিম চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে আগাম রূপবান শিম।

উপজেলার পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শুরু করে সাগরের বেড়িবাঁধসহ মহাসড়কের দুপাশ ও জমির আইলের মধ্যে শিম চাষ হয়েছে। যদিও কৃষকদের দাবি, রূপবান শিম বেশি উৎপাদন হয় পাহাড়ি এলাকায়। উপজেলার বারৈয়ারঢালা, পৌরসভা, বারবকুণ্ড, কুমিরা, বাঁশবাড়িয়ায় রূপবান শিমের ফলন বেশি। এ ছাড়া কার্তিকোটা, বাটা, পুঁটি, লইট্টা, ছুরি শিমও উল্লেখযোগ্য।

আরও পড়ুন: ভালো ফলনের আশায় দিন গুনছেন কৃষকেরা

বাঁশবাড়িয়ার কৃষক মহিউদ্দিন বলেন, 'প্রায় ২৫০ শতক জমিতে রূপবান শিমের চাষ করেছি। এতে মোট খরচ হয়েছে ৭ লাখ টাকা। ধারণা করছি, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকার শিম বিক্রি করতে পারবো।'

চাষি মো. সোলেমান বলেন, 'আমি অনেক বছর ধরে পাহাড়ে শিম চাষ করে আসছি। এবার ২৫০ শতক পাহাড়ি জায়গায় শিম চাষ করেছি। এ পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ টাকার শিম বিক্রি করেছি। পাশাপাশি লাউ, বরবটি, ঝিঙাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি।'

কৃষকেরা জানান, রূপবান শিম ওঠার শুরুতে তারা প্রতি কেজি পাইকারি বিক্রি করেছেন ১৬০-১৭০ টাকা দরে। এখনো ১৩০-১৪০ টাকা দরে শিম বিক্রি করছেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হাওয়ায় এর উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি। চাষিদের অনেক কষ্ট করতে হয়। কোথাও ছড়া, কোথাও পিচ্ছিল পথ ও অনেক উঁচু টিলা বেয়ে শিমের ক্ষেতে যেতে হয়।

পৌরসভার ইদিলপুর গ্রামের কৃষক হাসান শিশির বলেন, 'রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে লা' আমরে ইমপেক্স নামে একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আছে। তারা আমার কাছ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে ৫০০ কেজি শিম নিয়েছেন। শুনেছি ইতালিতে রপ্তানি করতে প্রথমবারের মতো তারা এই শিম নিয়ে যাচ্ছেন।'

আরও পড়ুন: আগাম শিম চাষে লাভবান শার্শার কৃষক আতাউর

রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহামুদুল হোসাইন বলেন, 'প্রথমবারের মতো সীতাকুণ্ড থেকে ৫০০ কেজি শিম ইতালিতে পাঠাচ্ছি। আমরা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের সবজি রপ্তানি করে থাকি।'

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বলেন, 'উপজেলায় এ বছর প্রায় ৪৭ হাজার টন শিম উৎপাদন হবে। এর মধ্যে ৩০০ টন চাষ হয়েছে আগাম রূপবান শীম। শিম রপ্তানি করে দেশ লাখ লাখ ডলার আয় করে সমৃদ্ধ হবে। এলাকার কৃষকদের ভাগ্য বদলে যাবে।'

এম মাঈন উদ্দিন/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

গ্যালারি

একঝলকে ৪ নভেম্বর: ঢ্যাঁড়সের খেত, কলাবতী ফুল আর বিলের শাপলা

প্রথম আলোর ‘একঝলক’ আয়োজনের কৃষি ও প্রকৃতির ছবিগুলো নিয়ে এই ছবির গল্প: ফরিদপুরের ঢ্যাঁড়সচাষি, সিরাজগঞ্জের কলাবতী, ডুমুরিয়ার শাপলা ও পানকৌড়ি।

প্রথম আলো৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

নওগাঁয় ৩ হাজার ৩৫০ হেক্টরে আগাম শীতের সবজি, এক সপ্তাহে দাম নেমেছে অনেকটা

বাজার ধরতে আগাম চাষে নেমেছেন নওগাঁর কৃষকেরা; এক বিঘা বাঁধাকপিতে ৪৫ হাজার টাকা খরচে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আশা এক চাষির, সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে দাম।

দৈনিক বাংলা৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

প্রোটিনভিত্তিক জৈব ছত্রাকনাশক প্রযুক্তি: নেদারল্যান্ডসে ৩৫০ হেক্টরে পরীক্ষার অনুমতি

বায়োটালিসের ইভোকা এনজি টমেটো, শসা ও স্ট্রবেরিতে কৃষকের মাঠে পরীক্ষা হবে; ফসল বিক্রিও করা যাবে, ইউরোপে বাজারে আসার লক্ষ্য ২০২৯।

অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবাল৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)