উপকরণের দাম বেশি আর আবহাওয়া অনিশ্চিত, তাই প্রতিবছর একই সার পরিকল্পনা না দিয়ে ফসল তোলার পর প্রতিটি জমির ফল দেখে সিদ্ধান্ত নিলে সারের টাকা বেশি কাজে লাগে। ফার্মস ডটকম ২৯ অক্টোবর কৃষি উপকরণ প্রতিষ্ঠান উইলবার-এলিসের প্রধান বিক্রয় কৃষিবিদ Tyler Kidd (টাইলার কিড)-এর পরামর্শ তুলে ধরেছে।
প্রথম কাজ, জমিগুলো কেমন ফলন দিল তা দেখা: ফলনের মানচিত্র, ফসল মাটি থেকে কতটা পুষ্টি তুলে নিল তার হিসাব আর জমির ইতিহাস। খরা বা অসম বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত জমির চাহিদা ভালো ফলনের জমির চেয়ে আলাদা হতে পারে। কিড বলেন, "পরিকল্পনার আগে আমরা কোথায় আছি, সেটা বোঝাই প্রথম ধাপ। কী ফসল বুনবেন, কতটা ফলন আশা করেন, সেই অনুযায়ী সার দিতে হবে।"
মাটির নমুনা নিতে হবে সব ধরনের জমি থেকে, ভালো, দুর্বল আর চোখে পড়ার মতো সমস্যার জায়গা থেকেও, শুধু একই রকম জায়গা থেকে নয়। নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়ামের বাইরে সালফার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ ও বোরনের মতো অণুপুষ্টিও দেখতে হবে। মাটির পিএইচ ঠিক না থাকলে পুষ্টি থাকলেও ফসল তা নিতে পারে না। এসব সমস্যা মেটানো অনেক সময় শুধু সারের পরিমাণ বাড়ানোর চেয়ে বেশি লাভ দেয়।
বৃষ্টি, সেচের সুযোগ, মাটি ও ফসল দেখে বাস্তব ফলনের লক্ষ্য ধরতে হবে; যে ফলন আসবে না, তার জন্য সার দিলে শুধু খরচই বাড়ে। অনেক চাষি জরুরি পুষ্টি মৌসুমের শুরুতে দিয়ে পরে পরিস্থিতি বুঝে বাকিটা ঠিক করেন। নতুন কোনো পণ্য যোগ করার আগে দেখতে হবে তা জমির প্রমাণিত কোনো ঘাটতি মেটায় কি না; এর জন্য গবেষণার তথ্য, মাঠ পরীক্ষার ফল আর কৃষিবিদের পরামর্শ কাজে লাগে। সবচেয়ে সস্তা পণ্য সব সময় সেরা নয়, আবার দামি পণ্য মানেই ভালো ফল নয়। লক্ষ্য হলো সঠিক পুষ্টি, সঠিক মাত্রায়, সঠিক জায়গায়।
ছবি: Tim McCabe, USDA Natural Resources Conservation Service / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)