চলতি বছর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর কিছু ফিডলট (গরু মোটাতাজাকরণ খামার) জ্বালানি পাবে না বলে জানানো হয়েছিল; সেই অভিজ্ঞতা থেকে জ্বালানি পাওয়াকে জাতীয় ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছে অস্ট্রেলিয়ার ফিডলট শিল্প, তাদের বিফএক্স ২০২৬ সম্মেলনে। খবর বিফ সেন্ট্রালের।
জেবিএস নর্দার্নের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ব্রেন্ডান ট্যাট বলেন, "আমাদের এক বড় জ্বালানি সরবরাহকারী জানাল, রিভারিনা ও প্রাইম সিটিতে আর জ্বালানি দেবে না। সেখানে আমাদের প্রায় ৮০ হাজার গরু খাদ্যে ছিল।" তাঁর অভিযোগ, সম্ভাব্য বড় প্রাণিকল্যাণ ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে সরকারি দপ্তরগুলো থেকে পরস্পরবিরোধী বার্তা পেয়েছে জেবিএস।
অস্ট্রেলিয়ান লট ফিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গ্রান্ট গ্যারি বলেন, সংকট দেখিয়েছে জ্বালানির বিকল্প নেই: "আমাদের খুব বেশি জ্বালানি লাগে না, কিন্তু গরুকে খাওয়াতে সেটুকু লাগবেই।" তিনি সংকটের মাঝখানে নয়, শান্তিকালেই সরকার ও শিল্পের মধ্যে পরিকল্পনা চান। প্রধান নির্বাহী ক্রিশ্চিয়ান মুল্ডার্স সতর্ক করেন, ফিডলটে জ্বালানি ফুরোলে কী হয়, রাজনীতিক ও কর্মকর্তারা তা বোঝেন বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
অ্যাগসিকিউরের অ্যান্ড্রু হেন্ডারসন সরকারের জ্বালানি সরবরাহ টাস্কফোর্স গুটিয়ে ফেলা এবং সার সরবরাহ কার্যদলকে ‘প্রয়োজনে বৈঠক’ পদ্ধতিতে নেওয়ার সমালোচনা করে বলেন, কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েই গেছে। তাঁর ভাষায়, "পরের বিপর্যয় হয়তো আরও কম সতর্কতা আর কম বিকল্প নিয়ে আসবে।"
অর্থনীতিবিদ সল ইস্টলেক জানান, কয়েকটি বড় দেশ জ্বালানি মজুত কমিয়ে ফেলেছে এবং শিগগির তা পূরণ করতে চাইবে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন এরিক বার্কার।
সূত্র: Beef Central



মন্তব্য
(০)