সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে সরকার। এতে সারা দেশের ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন প্রান্তিক কৃষক উপকৃত হয়েছেন; তাঁদের মোট ১ হাজার ৩৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার ঋণ সরকার পরিশোধ করেছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন কৃষকের ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা মওকুফ হয়েছে। বাকি ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮০৩ জন সুবিধা পেয়েছেন রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানায়, পুরোনো ঋণের বোঝা ও খেলাপি হওয়ায় অনেক কৃষক নতুন ব্যাংকঋণ পেতে সমস্যায় পড়ছিলেন। মওকুফের ফলে সেই চাপ থেকে মুক্ত হয়ে তাঁরা আবার চাষে মন দিতে পারছেন।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ উদ্যোগটিকে প্রান্তিক কৃষকের জন্য বড় উপহার বলেছেন। তবে তাঁর মতে, উৎপাদন বাড়াতে ঋণ মওকুফের পাশাপাশি কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করা, উৎপাদন খরচ কমানো ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্য ধরেছে ৬০ হাজার কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় ৫৩.৮৫ শতাংশ বেশি।
সংশ্লিষ্টদের আশা, মওকুফে প্রান্তিক কৃষকের আর্থিক চাপ কমবে এবং ব্যাংকিং খাতে তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়বে। এগ্রিকেয়ার২৪ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে বাসসের বরাতে।
ছবি: ধানের চারা রোপণে কৃষক, Balaram Mahalder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এগ্রিকেয়ার২৪



মন্তব্য
(০)