সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

‘ইলিশের বাড়িতেও’ বৈশাখের দাপট, কেজি সাড়ে ৩ হাজার টাকা

পহেলা বৈশাখকে পুঁজি করে 'ইলিশের বাড়ি' খ্যাত ভোলায় রুপালি ইলিশের দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। উৎসবের অজুহাতে রাতারাতি দর বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে বাজারে এক কেজি ওজনের একটি ইলিশের দাম ঠেকেছে সাড়ে তিন হাজার টাকায়, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

পহেলা বৈশাখকে পুঁজি করে 'ইলিশের বাড়ি' খ্যাত ভোলায় রুপালি ইলিশের দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। উৎসবের অজুহাতে রাতারাতি দর বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে বাজারে এক কেজি ওজনের একটি ইলিশের দাম ঠেকেছে সাড়ে তিন হাজার টাকায়, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোলার শহরের কিচেন মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশ কিনতে বাজারে ভিড় করছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে অতিরিক্ত দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সাধ থাকলেও সাধ্যের অভাবে ইলিশ না কিনেই বাড়ি ফিরছেন।

শহরের মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোলার বাজারে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার টাকা, ৭০০-৯৫০ গ্রামের ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫শ থেকে ৩ হাজার, ৫০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ২ হাজার, ৩০০-৪০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ৪শ টাকা এবং জাটকার কেজিও ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতা মো. ফয়েজ উদ্দিন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাজারে ইলিশ কিনতে আসছিলাম। কিন্তু সর্বনিম্ন জাটকার দামও ১ হাজার টাকা কেজি। আর ৫০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ২ হাজার টাকা দেখে অবাক হয়েছি। আমার তো এমন আয় নেই। তাই ইলিশ না কিনে রুই মাছ কিনে বাড়ি চলে যাচ্ছি।

আরেক ক্রেতা স্বপন চন্দ্র বলেন, বাজারে এসে ইলিশের দাম দেখে আর কেনা হলো না। পহেলা বৈশাখের অজুহাত দিয়ে মাছ বিক্রেতারা ইলিশের দাম আমার ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে নিয়ে গেছে।

আরেক ক্রেতা তাসলিমা বেগম জানান, ৪/৫ দিন আগেও ৫শ গ্রামের ইলিশের কেজি ছিলো ১৫শ থেকে ১৬শ টাকা। আজ বাজারে দাম আড়াই হাজার টাকা। এত দাম দিয়ে আমরা কীভাবে ইলিশ কিনবো।

বাজারের ইলিশ বিক্রেতা মো. নিরব, বিল্লাল ও মহিউদ্দিন জানান, নদীতে ইলিশ ধরায় ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা। সব জেলেরা নদীতে যায় না। আবার পহেলা বৈশাখের কারণে ঢাকায় ইলিশের চাহিদা বেশি। এজন্য ভোলার মাছঘাটগুলোতে ইলিশের দাম চড়া। আমরাও দাম বেশি দিয়ে কিনে বাজারের ১০০-২০০ টাকার বেশি লাভ করতে পারি না। তবে পহেলা বৈশাখ ও ইলিশের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে আবারও ইলিশের দাম অর্ধেক কমে যাবে।

ভোলার তুলাতুলি মৎস্য ঘাটের আড়তদার মো. কামাল ব্যাপারী জানান, ইলিশের নিষেধাজ্ঞার কারণে বেশি ভাগ জেলেই নদীতে যায় না। পহেলা বৈশাখের কারণে ঢাকার পাইকারি আড়তে ইলিশের পাঠানোর চাপ রয়েছে। এ কারণে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইলিশ বেচা-বিক্রি হচ্ছে। ঘাটে পাইকারি, ব্যাপারী ও ক্রেতা বেশি হওয়ায় নিলামে ইলিশের দাম বেশি উঠে যায়। এ কারণে ইলিশের দাম বেশি।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কেউ যদি ইলিশ মাছ ধরে বা ঘাট-বাজারের বেচা-বিক্রি করে, তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জুয়লে সাহা বিকাশ/কেএইচকে/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মেঘনায় ধরা পড়া সাড়ে ১২ কেজির পাঙ্গাস নিলামে বিক্রি ৯,১০০ টাকায়

ভোলা সদরের কাচিয়ার জেলে মাকসুদ মাঝির জালে ওঠা প্রায় ১২ কেজি ৭০০ গ্রামের পাঙ্গাসটি তুলাতুলি মৎস্য ঘাটে নিলামে কিনেছেন আড়তদার কামাল ব্যাপারী।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

নিষেধাজ্ঞার পরদিনই বাজারে শত মণ পচা ইলিশ: দায় খোঁজার আহ্বান অধ্যাপক ফখরুল ইসলামের

জাগো নিউজে প্রফেসর ড. মো. ফখরুল ইসলাম লিখেছেন, ফেনীর বাজারে পচা ইলিশের উৎস, মজুতের জায়গা আর পচনের কারণ তথ্য দিয়ে যাচাই করতে হবে, অনুমাননির্ভর দোষারোপ নয়।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় মুরাসুতে পরিণত হয়েছে; এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হয়ে ২ নভেম্বর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে, উত্তর বঙ্গোপসাগরের মাছ ধরার নৌকাকে উপকূলের কাছে থাকতে বলা হয়েছে।

বাংলা নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)