২০২৫ সালেও ইউরোপীয় ইউনিয়নে গবাদিপশুর সংখ্যা কমেছে, তবে ধীরে—এক বছরে কমেছে ১০ লাখ ৫০ হাজার, যেখানে ২০২৪ সালে কমেছিল ১৮ লাখ ৫০ হাজার। মার্কিন কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবার (এফএএস) প্রাণিসম্পদ প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর দিয়েছে দ্য ক্যাটল সাইট।
২০১৭ সাল থেকে ইইউতে বছরে গড়ে প্রায় ১০ লাখ গবাদিপশু কমছে; ২০২০ থেকে ২০২৪ সালে এ গতি বেড়েছিল, গত বছর কিছুটা কমেছে। ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ শুমারির ভিত্তিতে ২০২৫ সালের শেষ মজুত কিছুটা বাড়িয়ে ধরা হয়েছে; বাছুর বেশি জন্মেছে, জবাইও কম হয়েছে। গাভির অনুপাতে বাছুর বাড়া ২০২৪ সালের তীব্র ব্লুটাং প্রাদুর্ভাব থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ।
দুধের তুলনামূলক ভালো দামে খামারিরা ২০২৫ সালে গাভি রেখে দিয়েছেন, আর গরুর মাংসের উঁচু দামে বিশেষ করে মধ্য ইউরোপে মাংসের জন্য গাভির পাল বাড়ানো হয়েছে—দুটিই সংখ্যা কমার গতি ধীর করেছে।
তবে দীর্ঘমেয়াদি চাপ একই রয়ে গেছে। জ্বালানি, শ্রম ও জমির উঁচু খরচ, পরিবেশ ও প্রাণিকল্যাণের কড়া নিয়ম এবং পারিবারিক খামারে উত্তরসূরির অভাবে খামারিদের আয় কমছে; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইইউর নতুন নতুন বাধ্যবাধকতা বাড়তি বিনিয়োগ দাবি করছে এবং অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।
দুগ্ধ ও মাংস—দুই খাতেই রোগের চাপ বাড়ছে: ক্ষুরারোগ, বিটিভি-৩সহ ব্লুটাংয়ের কয়েকটি ধরন, এপিজুটিক হেমোরেজিক ডিজিজ ও লাম্পি স্কিন ডিজিজ সবই রয়েছে। এগুলোতে গণহারে পশু মারা না গেলেও বাছুর উৎপাদন, দুধ সরবরাহ ও পশু পরিবহন ব্যাহত হয়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন মেলানি এপ।
ছবি: Pline / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)