সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ল্যাবের মাংস, জিন সম্পাদিত ফসল: সম্ভাবনা দেখলেও সন্দিহান ইউরোপের বেশির ভাগ ভোক্তা

ইউরোপীয় কমিশনের ইউরোব্যারোমিটার জরিপে মাত্র ১৯ শতাংশ মানুষ উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি খাদ্যকে ইতিবাচকভাবে দেখেন, তবে যাঁরা ভালো জানেন এবং তরুণেরা অনেক বেশি আগ্রহী।

ল্যাবের মাংস, জিন সম্পাদিত ফসল: সম্ভাবনা দেখলেও সন্দিহান ইউরোপের বেশির ভাগ ভোক্তা
দৈনন্দিন

কোষ চাষে তৈরি মাংস, অণুজীবের গাঁজনে তৈরি খাদ্য কিংবা জিন সম্পাদিত ফসলের মতো উন্নত প্রযুক্তির "উদ্ভাবনী" খাদ্যে সম্ভাবনা দেখেন ইউরোপের মানুষ, কিন্তু বেশির ভাগই এখনো সন্দিহান। ইউরোপীয় কমিশনের প্রকাশিত নতুন ইউরোব্যারোমিটার জরিপের বরাতে এ খবর দিয়েছে ফুডনেভিগেটর।

জরিপে অংশ নেওয়া ৫১ শতাংশ মানুষ এসব খাদ্যকে নেতিবাচকভাবে দেখেন, ইতিবাচকভাবে মাত্র ১৯ শতাংশ। অণুজীব দিয়ে তৈরি, স্পষ্ট লেবেল দেওয়া পণ্য কিনতে রাজি ৪২ শতাংশ, রাজি নন ৫৪ শতাংশ। তবে প্রায় ২৭ শতাংশ মনে করেন এসব খাদ্য প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ কমাতে পারে, এক-চতুর্থাংশ খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেছেন, আর এক-পঞ্চমাংশ বলেছেন কৃষক ও খাদ্য উৎপাদকেরা নতুন সরঞ্জাম পাবেন। প্রায় ৭০ শতাংশের মতে এতে ইউরোপে গবেষণা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান বাড়বে।

জানাশোনার প্রভাব বড়। যাঁরা নিজেদের ভালোভাবে অবহিত মনে করেন, তাঁদের ৭২ শতাংশ ইতিবাচক, অন্যদের মধ্যে মাত্র ২৭ শতাংশ। তরুণ, বেশি শিক্ষিত ও শহুরে মানুষ এসব খাদ্যে বেশি স্বচ্ছন্দ।

ঐতিহ্যের টান প্রবল। প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মনে করেন, ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছ লেবেল না থাকলে এসব খাদ্য রান্নার ঐতিহ্য ও গ্রামীণ সংস্কৃতির জন্য হুমকি হতে পারে। ৮৫ শতাংশ চান স্পষ্ট ও আলাদা নাম, সঙ্গে উৎপাদন, উপাদান ও উৎস নিয়ে পরিষ্কার তথ্য। অর্ধেকের কিছু বেশি বলেছেন বাধ্যতামূলক লেবেল তাঁদের আস্থা বাড়াবে, ৩৮ শতাংশ স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং ৩৬ শতাংশ ইউরোপীয় খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের কথা বলেছেন।

পরিবেশের সুফল মত বদলাতে পারে। ৩৫ শতাংশ বলেছেন, বালাইনাশক, সার বা অ্যান্টিবায়োটিক কম লাগলে তাঁরা নিয়মিত এসব খাদ্য খেতে বেশি আগ্রহী হবেন। সবচেয়ে ইতিবাচক নেদারল্যান্ডস, ৬৯ শতাংশ, এরপর সুইডেন, ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। সবচেয়ে কম ফ্রান্স, সাইপ্রাস ও গ্রিস, যথাক্রমে ২৩, ২১ ও ১৭ শতাংশ। প্রতিবেদনটি লিখেছেন অগাস্টাস ব্যামব্রিজ-সাটন।

ছবি: World Economic Forum / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)

সূত্র: FoodNavigator

FoodNavigatorসূত্র

দৈনন্দিন

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

জাপানের ‘ওসোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ স্কুলে রোজ ১৫-২০ মিনিট পরিচ্ছন্নতা

ঢাকা জেলা প্রশাসনের ‘ক্লিন স্কুল টিম’ পাইলট প্রকল্পে ২১টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা রোজ ক্লাসরুম পরিষ্কার করবে, সাপ্তাহিক ডেঙ্গু ঝুঁকি যাচাই করবে এবং বর্জ্য আলাদা করে ফেলবে; বাড়ির জন্যও থাকছে চেকলিস্ট।

ইত্তেফাক২৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

কম্বোডিয়ার নারী সমবায় নেত্রী সেত হাচ পেলেন এফএওর কৃষি খাদ্য ব্যবস্থার নায়িকা সম্মাননা

সিয়েম রিয়েপের যে কৃষি সমবায়ের সদস্য তাঁর নেতৃত্বে ৮২ থেকে ৫৪০ জনে পৌঁছেছে, তার সভাপতি রোমে বিশ্ব খাদ্য ফোরামে সম্মাননা গ্রহণ করেন।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার২৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখার পরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়নি কোনো সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সারা বছর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুম বদলালেই সবজি ও পেঁয়াজের দাম ওঠানামা করে। কোল্ড স্টোরেজ আর মৌসুমের বাইরে উৎপাদনই সমাধান বলে মনে করেন তিনি।

বাংলা নিউজ ২৪২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)