সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৯১%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

৩০ টাকার বীজে ৪৫ হাজার টাকা আয়

বর্গাচাষী হিসেবে কৃষি উদ্যোক্তায় ২০১৭ সালে তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কারও পেয়েছেন। তার দেখাদেখি এ উপজেলার অনেকেই স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন

বর্গাচাষী হিসেবে কৃষি উদ্যোক্তায় ২০১৭ সালে তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কারও পেয়েছেন। তার দেখাদেখি এ উপজেলার অনেকেই স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন

খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার বর্গাচাষী সুরশ্বের মল্লিক। তিনি ৩০ টাকার পালং শাকের বীজ ক্রয় করে বর্গা জমিতে চাষ করেন। সেই ৩০ টাকার বীজে উৎপাদিত ফসল (শাক) বিক্রি করেছেন ৪৫ হাজার টাকা। তার এই সাফল্যে হতবাক স্থানীয়রা।

এভাবেই নিরলস প্রচেষ্টায় অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ফসল ফলিয়ে হতদরিদ্র এই কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এক সময় নিজের বসতভিটাটুকুই ছিল তার। কয়েক বছর আগেও সে অন্যের জমিতে কামলা (দিনমজুর) দিয়ে সংসার চালাতো। এখন গড়েছেন নিজের পাকা বাড়ি। পেয়েছেন জাতীয় বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কারও।

ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দকাঠি গ্রামের কৃষক সুরেশ্বর মল্লিক। বাড়ির পাশের একখন্ড (৫০ শতক) পতিত জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। এরপর থেকে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ওই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলিয়ে এলাকায় চমক সৃষ্টি করছেন এই কৃষক।

এক বছরের জন্য ওই জমি বর্গা নেয় কৃষক মল্লিক। জমির মালিককে বছরে দিতে হয় ২৫ হাজার টাকা। এ জমিতে মাত্র ৩০ টাকার পালং শাকের বীজ বপন করেন তিনি। বীজ বপনের ৪৫ দিনের মাথায় স্থানীয় পাইকারদের কাছে ৪৫ হাজার টাকায় ক্ষেতের সব শাক বিক্রি করেছেন।

একজন বর্গাচাষী হিসেবে কৃষি উদ্যোক্তায় ২০১৭ সালে তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কারও পেয়েছেন। তার দেখাদেখি এ উপজেলার অনেকেই স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষক সুরেশ্বর মল্লিক জানান, আমি আগে অন্যের জমিতে কাজ করতাম। এখন অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করি। আমি এলাকার গরিব বেকার মহিলাদের আমার ক্ষেতে কাজে লাগাই। যাতে তারা কিছু আয় করতে পারে।

তিনি ইউএনবিকে বলনে, ৪৫ দিনের মাথায় এই আয় হয়েছে। বছরের বাকী দিনে আরও ফসল ফলাতে পারবো এবং আয় করতে পারবো।

ডুমুরিয়া উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ইকতিয়ার হোসেন জানান, এটি একটি লাভজনক চাষ। পালং শাক চাষে তেমন কোনো খরচ নেই বললেই চলে। বীজ বপনের পর কয়েকদিন ঠিকমতো পানি দিতে হয় এবং আগাছা পরিষ্কার রাখতে হয়। তাকে এলাকার অনেকেই অনুসরণ করে।

একই এলাকার চাষী মো. ইমরান হোসেন মোড়ল জানান, তাকে দেখে এলাকার অনেকেই চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছে। সুরেশ্বরের নিজের কোনো জমি নেই। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে সে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিয়েছেন। সে আমাদের অনেকের কাছে অনুসরণীয় একজন কৃষক।

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, কৃষকরা যাতে অল্প জমিতে বেশি লাভ করতে পারে এবং কীটনাশক ব্যবহার না করে আমরা সে ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকি। সুরেশ্বর একজন বর্গা চাষী। সে প্রথমদিকে জমিতে রাসায়নিক সার ব্যবহার করতো। আমাদের পরামর্শে সে এখন জৈব সার (ভার্মি কম্পোস্ট) ব্যবহার করে। তার বাড়িতেই আমরা কৃষক স্কুল মাঠ (স্থানীয় কৃষকদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) তৈরি করেছি।

‘উপজেলা কৃষি অফিসের নিবীড় তত্ত্বাবধানে উপজেলার অনেক কৃষকই সাফল্য অর্জন করছে। যাদের মধ্যে সুরেশ্বর অন্যতম, বলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়বে পার্টনার প্রকল্প, ৬০ শতাংশই নারী

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার প্রকল্পে ৬৪ জেলার ২০৮ উপজেলায় ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির কাজ চলছে; এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬,৮৭৫ জন, প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র কিনতে মিলবে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি।

বাসস১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

বাঁশখালী-আনোয়ারা-পটিয়ায় মাঠে নামার অপেক্ষায় ৮ হাজার লবণচাষি, আমদানিতে দামের শঙ্কা

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ১০ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আট হাজার চাষি; আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী সপ্তাহেই মাঠে নামবেন তাঁরা, তবে আমদানির সিদ্ধান্তে ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা।

আমার দেশ১০ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ঠাকুরগাঁওয়ের হিমাগারে ৩২২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, মৌসুমের বাইরে যাবে জাতীয় গ্রিডে

ঠাকুরগাঁও সদরের লক্ষী কোল্ডস্টোরেজে নিজস্ব অর্থায়নে এক কোটি ২৫ লাখ টাকায় ৩২২ কিলোওয়াটের সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে; এতে হিমাগারের নিজের বিদ্যুতের চাহিদা মিটবে, আর মৌসুমের বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে।

জাগো নিউজ ২৪১০ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)