সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় পূর্ণ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বাজারে সারের দাম মোটের ওপর বেড়েছে; ডিটিএনের হিসাবে আট ধরনের সারের ছয়টিই এক মাস আগের চেয়ে সামান্য দামি। টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে কোনোটির দাম ৫ শতাংশ বা তার বেশি ওঠানামা করেনি, যাকে ডিটিএন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ধরে।
ডিএপির গড় দাম টনপ্রতি ৯২৫ ডলার, এমএপি ৯৬৭, পটাশ ৪৯৫, ১০-৩৪-০ তরল সার ৭১৮, অ্যানহাইড্রাস অ্যামোনিয়া ৯৪৫ এবং ইউএএন৩২ ৪৫৮ ডলার। ইউরিয়া (৬৫৯ ডলার) ও ইউএএন২৮ (৪২১ ডলার) এক মাস আগের চেয়ে সামান্য সস্তা। প্রতি পাউন্ড নাইট্রোজেনের হিসাবে ইউরিয়ার দাম ০.৭২ ডলার, অ্যানহাইড্রাস ০.৫৮, ইউএএন২৮ ০.৭৬ ও ইউএএন৩২ ০.৭২ ডলার।
এক বছর আগের তুলনায় আটটির সাতটির দামই বেশি: ইউএএন২৮ ১ শতাংশ, ডিএপি ও পটাশ ২ শতাংশ, এমএপি ৫ শতাংশ, ইউরিয়া ৬ শতাংশ, ১০-৩৪-০ ৮ শতাংশ এবং অ্যানহাইড্রাস ২২ শতাংশ বেশি। কেবল ইউএএন৩২ ৩ শতাংশ সস্তা।
স্টোনএক্সের সার বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জশ লিনভিল লিখেছেন, বেলারুশ থেকে সস্তায় পটাশ আনার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা নিয়ে সার শিল্পে উৎসাহ কম। বেলারুশ লিথুয়ানিয়ার পথ ব্যবহার করতে পারে না, লাটভিয়া ও পোল্যান্ডও পথ দেবে বলে মনে হয় না, আর রাশিয়া দিয়ে সীমিত পরিমাণই পাঠানো যায়। তাঁর মতে, ২০২২ সালের পর পটাশের দাম স্থিতিশীল; সহায়তা দরকার ফসফেট ও নাইট্রোজেনে।
খুচরা বিক্রেতাদের সাপ্তাহিক দরপ্রস্তাব থেকে ডিটিএন এই সূচক তৈরি করে, যা ২০০৮ সালের নভেম্বর থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। প্রতিবেদনটি ডিটিএনের নিজস্ব।
ছবি: Michael Trolove / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: DTN / Progressive Farmer





মন্তব্য
(০)