সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

সাপ কেন খোলস বদলায় জানেন?

মাঝে মাঝেই বাড়ির আনাচে কানাচে সাপের খোলস পরে থাকতে হয়তো দেখবেন। কিংবা ছোটবেলায় দেখেছেন অনেকে। শহরে এই দৃশ্যের সাক্ষী না হলেও গ্রামে যাদের বসবাস তারা এখনো সাপের খোলস দেখতে পান। কিন্তু সাপ কেন খোলস বদলায় জানেন কি? এ নিয়ে অনেক ধরনের গল্পকথা ছড়িয়ে আছে আমাদের গ্রামবাংলার মানুষের মুখে মুখে।

মাঝে মাঝেই বাড়ির আনাচে কানাচে সাপের খোলস পরে থাকতে হয়তো দেখবেন। কিংবা ছোটবেলায় দেখেছেন অনেকে। শহরে এই দৃশ্যের সাক্ষী না হলেও গ্রামে যাদের বসবাস তারা এখনো সাপের খোলস দেখতে পান। কিন্তু সাপ কেন খোলস বদলায় জানেন কি? এ নিয়ে অনেক ধরনের গল্পকথা ছড়িয়ে আছে আমাদের গ্রামবাংলার মানুষের মুখে মুখে।

সাপ জীবনের বিভিন্ন সময় তাদের পুরোনো চামড়া ঝরিয়ে নতুন চামড়া গড়ে তোলে যাতে তারা আরও স্বস্তিতে থাকতে পারে। বছরে ২ থেকে ৪ বার তাদের চামড়া ঝরায় সাপ। এই প্রক্রিয়াকে একডাইসিস বলা হয়। এতে শরীর বৃদ্ধি পায়, পরজীবী দূর হয় এবং কোনো ব্যথাও হয় না। অনেক প্রাণীও এই একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।

আসলে সব প্রাণীর মতো সাপের হাড়, পেশি ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জীবনের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়, কিন্তু তাদের চামড়া সেই হারে বাড়ে না। ফলে সাপ ধীরে ধীরে তাদের পুরোনো চামড়া ছোট মনে করতে শুরু করে, এবং তার নিচে একটি নতুন চামড়া গড়ে ওঠে। এরপর পুরোনো চামড়াটি তারা ঝরিয়ে ফেলে। এই প্রক্রিয়াকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় বলা হয় একডাইসিস। এই প্রক্রিয়ার আরও একটি উপকারিতা হলো এতে চামড়ায় লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকর পরজীবীও দূর হয়।

সাপ কীভাবে চামড়া ছাড়ায় জানেন? চামড়া ঝরানোর কিছুদিন আগে সাপের গায়ের রং মলিন হয়ে আসে এবং চোখ ঘোলা বা ধূসর দেখায়। তখন তাদের দৃষ্টিশক্তি আরও কমে যায়। এই সময় সাপ সাধারণত কোনো পাথরের গায়ে মাথা ঘষে পুরোনো চামড়ায় ফাটল ধরিয়ে দেয় এবং সেখান থেকেই চামড়া ছাড়ানো শুরু হয়।

চামড়া ছাড়ানোর সময় সাপ অত্যন্ত দুর্বল অনুভব করে, তাই তারা সাধারণত গর্ত বা নিরাপদ জায়গায় নিজেকে আড়াল করে রাখে। সেই কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশে সাপের চামড়া ছাড়ানোর দৃশ্য দেখা খুবই কঠিন।

তবে এই প্রক্রিয়াটি সাপের জন্য বেদনাদায়ক নয়। পুরোনো এবং নতুন চামড়ার মাঝে এক ধরনের প্রাকৃতিক তরল তৈরি হয়, যা সাপকে সহজে এবং স্বস্তিতে চামড়া ছাড়াতে সাহায্য করে। সাধারণত বছরে ২ থেকে ৪ বার সাপরা এই কাজটি করে।

সাপ অনেক সময় উজ্জ্বল রঙের হলেও পুরোনো চামড়ায় তেমন রং দেখা যায় না। কারণ সাপ শুধু উপরিভাগের কেরাটিনযুক্ত স্তরটি (যা আমাদের নখ তৈরি করে) ঝরায়, ভেতরের রঙিন স্তরটি থেকে যায়। সাপের রং এবং নকশা পরিবেশের সঙ্গে মিশে থাকার জন্য, শিকার টানার জন্য বা শত্রুকে ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার হয়।

সাপ ছাড়াও অন্য অনেক প্রাণী আছে যারা শরীরের চামড়া ছাড়ায়। অনেক প্রাণীই তাদের বাইরের স্তর পরিবর্তন করে। যেমন-মাকড়সা, কীটপতঙ্গ এবং কাঁকড়া। ট্যারান্টুলা প্রজাতির মাকড়সা প্রতি বছর তাদের এক্সোস্কেলেটন ঝরায় যাতে তাদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত না হয়। ঘাসফড়িং কেবল তাদের নিম্ফ অবস্থায় এই কাজ করে, বড় হলে আর করে না। কাঁকড়ারাও সাপের মতো চামড়া ঝরিয়ে পরজীবী ও পুরোনো আবরণ ত্যাগ করে।

খোলস বা চামড়া ঝরানো শুধু একটি শারীরিক প্রক্রিয়া নয়। এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক, পরজীবী মুক্তিকর এবং নতুন বৃদ্ধির সূচক। প্রকৃতিতে এই চক্রে রয়েছে প্রাণীদের নিজস্ব নিরাপত্তা ও টিকে থাকার কৌশল। যা প্রকৃতিতে টিকে থাকতে অনেক প্রাণীই করে থাকে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)