দুধে বাটারফ্যাট (ননি) ও প্রোটিন বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুগ্ধ খামারিরা আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারেন, বলছে কৃষি ঋণদাতা কোব্যাংকের নলেজ এক্সচেঞ্জের এক প্রতিবেদন। দেশটির দুধের বড় অংশ এখন পনির, দই, মাখনের মতো পণ্যে যায়, তাই দুধের উপাদানই আয়ের বড় নির্ধারক।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুধের উপাদানে শীর্ষ ১০ শতাংশ খামার দেশের গড় উৎপাদনে গাভীপ্রতি বছরে বাড়তি ১০১ থেকে ৩৫২ ডলার আয় করেছে; বেশি উৎপাদনের খামারে এই ব্যবধান ১৩৬ থেকে ৪৭৪ ডলার।
কোব্যাংকের প্রধান দুগ্ধ অর্থনীতিবিদ কোরি গাইগার বলেন, "এই অঙ্ক দ্রুত বড় হয়।" গাভীপ্রতি বছরে ২৪,৩৯০ পাউন্ড দুধ ধরলে আপার মিডওয়েস্ট অঞ্চলে বেশি উপাদানের খামার কম উপাদানের খামারের চেয়ে গাভীপ্রতি ২৫৬.৫৮ ডলার বেশি পেয়েছে; ৩৩,০০০ পাউন্ডে তা ৩৪৫.৫৮ ডলার, অর্থাৎ ১০০ গাভীর খামারে বছরে ৩৪,৫৫৮ ডলার এবং ১,০০০ গাভীর খামারে ৩,৪৫,৫৮২ ডলার।
প্রতিবেদনে উপাদানভিত্তিক দাম ব্যবস্থার সাতটি আঞ্চলিক ফেডারেল মিল্ক মার্কেটিং অর্ডার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আপার মিডওয়েস্টে ২০২৫ সালে গড় বাটারফ্যাট ছিল ৪.৩৭ শতাংশ, প্রোটিন ৩.৩৩ শতাংশ ও অন্যান্য কঠিন উপাদান ৫.৭৯ শতাংশ; সেরা ও দুর্বল খামারের মধ্যে ফারাক অনেক।
খামার থেকে বিক্রি হওয়া দুধের ৮০ শতাংশের বেশি এখন প্রক্রিয়াজাত দুগ্ধপণ্যে যায়, আর ৯০ শতাংশের বেশি দুধের দাম ঠিক হয় বাটারফ্যাট, প্রোটিন ও অন্যান্য কঠিন উপাদানে। প্রক্রিয়াকারীরা হুই প্রোটিনভিত্তিক প্রণোদনাও পরীক্ষা করছে।
কোব্যাংকের কৃষিপণ্য অর্থনীতিবিদ অ্যাবি গ্রোভস বলেন, উপাদান বাড়ানোই খামারির দুধের আয় বাড়ানোর স্পষ্ট পথ। গাইগারের মতে, শুধু দুধের পরিমাণ দিয়ে এখন আর পুরো আয়ের চিত্র বোঝা যায় না; উপাদানের পাউন্ডভিত্তিক মাপকাঠি দরকার।
ছবি: USDAgov / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)