সমবায়ের লক্ষ্য শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয় বলে মনে করেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী। প্রথম আলোর কলামে তিনি লিখেছেন, আত্মনির্ভরতা, সঞ্চয়ের অভ্যাস, কর্মসংস্থান, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দূর করা ও সামাজিক নিরাপত্তাও এর উদ্দেশ্য।
লেখক সুরা মায়িদার ২ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, সৎকর্ম ও তাকওয়ায় পরস্পরকে সাহায্যের নির্দেশই এ দর্শনের ভিত্তি। পরামর্শভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, স্বেচ্ছাশ্রম ও মিতব্যয়িতা সমবায়কে শক্তিশালী করে বলে তাঁর মত।
ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর তরুণ বয়সের সংঘ ‘হিলফুল ফুজুল’-এর কথা বলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল অন্যায় ও বৈষম্য দূর করা, নাগরিক ও আগন্তুকদের জীবন ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং গোত্রগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি আনা।
জাতীয় ঐক্যের প্রসঙ্গে লেখক সুরা আলে-ইমরানের ১০৩ ও সুরা আনফালের ৪৬ নম্বর আয়াত টেনে বিভেদ থেকে দূরে থাকার কথা বলেছেন। মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ককে একটি দেহের সঙ্গে তুলনার হাদিসও (বুখারি ও মুসলিম) তিনি উল্লেখ করেন।
শেষে তিনি লিখেছেন, মর্যাদার মাপকাঠি বংশ বা সম্পদ নয়; ইমান, আমল ও তাকওয়া। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সহযোগিতা ও ন্যায়বিচারের বন্ধন দৃঢ় করলেই কল্যাণমুখী সমাজ সম্ভব। এখানে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজের।
সূত্র: প্রথম আলো



মন্তব্য
(০)