দুগ্ধ খামারের গোয়ালঘর থেকে অ্যামোনিয়া ও মিথেন নিঃসরণ মাপতে অবিরাম চালু থাকা সেন্সর প্রচলিত মানদণ্ড পদ্ধতির সমান ফল দেয়। বেলজিয়ামের ফ্ল্যান্ডার্সের চারটি প্রচলিত দুগ্ধ খামারে নেদারল্যান্ডসের ভাগেনিঙেন লাইভস্টক রিসার্চের গবেষণায় এ তথ্য মিলেছে।
২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত গবেষকেরা সেন্সর ও মানদণ্ড পদ্ধতি, দুভাবেই নিঃসরণ মেপেছেন। কাজে যুক্ত ছিল ফ্ল্যান্ডার্সের কৃষি, মৎস্য ও খাদ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএলভিও এবং নেদারল্যান্ডসের ফলিত বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থা টিএনও। দুই পদ্ধতির ফলাফলে পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য কোনো পার্থক্য পাওয়া যায়নি।
দুধের ইউরিয়া, বাইরের তাপমাত্রা ও গরুর চলাচলের মেঝের আয়তন হিসাবে ধরে অ্যামোনিয়ার ক্ষেত্রে সেন্সরে গড় নিঃসরণ পাওয়া গেছে প্রতিটি গরুর জায়গায় বছরে ১৮ কেজি, মানদণ্ড পদ্ধতিতে ১৯ কেজি। মিথেনের ক্ষেত্রে সেন্সরে প্রতি গরুতে বছরে ৩৫৭ কেজি, মানদণ্ড পদ্ধতিতে ৩৫১ কেজি।
গবেষকেরা বায়ু চলাচলের প্রভাবও দেখেছেন। গোয়ালের ভেতর দিয়ে কতটা বাতাস যায়, সেই হিসাব যোগ করলে ভিন্ন ভিন্ন গোয়ালের ফল তুলনা করা সহজ হয়। তখন অ্যামোনিয়ার গড় দাঁড়ায় সেন্সরে ১৩.৬ কেজি আর মানদণ্ড পদ্ধতিতে ১৩.৯ কেজি।
ভাগেনিঙেন বলছে, আধুনিক সেন্সর দুগ্ধ খামারে দীর্ঘমেয়াদি নিঃসরণ পর্যবেক্ষণের নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হতে পারে, আর এতে নিঃসরণ মাপার পদ্ধতিগুলো এক মানে আনা সহজ হবে। গবেষণাটি ভাগেনিঙেন লাইভস্টক রিসার্চ ও আইএলভিওর বৃহত্তর যৌথ কাজের অংশ।
ছবি: USDAgov / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Wageningen University & Research





মন্তব্য
(০)